হোম > পথের কথা

বরই বেচে ভাত জোটে না দেলোয়ারের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা নিম্নআয়ের মানুষেরা। দামের ঊর্ধ্বগতিতে দুবেলা দুমুঠো খাবার জোটানোই যেন হয়ে উঠেছে কষ্টসাধ্য। কারওয়ান বাজারে টুকরিতে করে কখনো ফল, কখনো শাকসবজি বিক্রি করেন ৬৩ বছর বয়সী দেলোয়ার হোসেন। দিনে যে কয় টাকা আয় করেন তা দিয়ে দুবেলা দুমুঠো খাবার জোটানোই কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে তাঁর।

শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) দেলোয়ারের সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তিনি বলেন, ‘সারা দিন কেনা–বেচার পর কোনো দিন দুই শ, কোনো দিন তিন শ টাকা থাকে। কোনো দিন আবার থাকেও না। দুবেলা ভাত-তরকারি খাইতে গেলে দেড় শ-দুই শ টাকা লাগে। দুইবেলা যে ভাত খামু, সেই টাকা পামু কই?’ 

বয়সের ভারে ভারী টুকরি নিয়ে চলার শক্তি নেই দেলোয়ারের। তাই এক কোণে ফল নিয়ে বসেন। তিনি জানান, নোয়াখালীর রামগঞ্জের গ্রামে স্ত্রী এবং তিন মেয়ে থাকেন। বড় মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। ছোট দুই মেয়েকে ক্লাস সিক্সের পর আর পড়াতে পারেননি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি তিনিই। 

ডলার সংকট, অসময়ের বৃষ্টি, হরতাল–অবরোধ, নির্বাচনসহ নানা অজুহাতে ব্যবসায়ীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়েই চলেছেন। কখনো ২০ টাকা বাড়িয়ে কমানো হচ্ছে ২ টাকা। এমন পরিস্থিতিতে দেলোয়ারের মতো নিম্নআয়ের মানুষের দুবেলা খেয়ে বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।

লাগামহীন দ্রব্যমূল্য: কেমন আছেন খেটে খাওয়া মানুষ

দার্জিলিংয়ের সেই গোমড়ামুখো চালক

‘ঘরপোড়া গরু সিঁদুরেমেঘ দেখলেই ডরায়’

 ‘চেয়ে চেয়ে দেখলাম, তুমি চলে গেলে’

দুর্গম পাহাড়ি পথে ভরসা বাবুল বড়ুয়া

টিয়া পাখির বাচ্চার প্রাণ বাঁচানো লিয়নকে বাঁচাবে কে

দুই কিডনিই বিকল, মেয়েকে বাঁচাতে প্রবাসী কর্মী মা এখন অটোরিকশা চালক

সত্তরোর্ধ্ব হাসেমের কাঁধে দিনভর আইসক্রিমের বাক্স, তবুও বুড়ো-বুড়ির সংসারে টানাটানি 

অধরাদের স্বপ্নেরা কখনো বাড়ি ফেরে না

‘এলাকার ভাষাত কতা কওয়ার শান্তিই আলাদা বাহে’

সেকশন