ঘিওর পশু হাসপাতালের মোড়ে গেলে নির্ঘাত চোখ আটকে যাবে এক স্থাপনায়। সামনে সটান দাঁড়িয়ে থাকা এই স্থাপনায় উঠে চারপাশ দেখতে চাইলে অবশ্য হতাশ হতে হবে। কারণ, এর দুপাশে নেই কোনো সিঁড়ি। আবার সড়কের দৈর্ঘ্য বরাবর তৈরি করা এ স্থাপনায় ওঠার জন্য নেই কোনো সংযোগ সড়কও। ঘিওর-মানিকগঞ্জ সড়কের ওপর থাকা এই স্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন অনেক? এটি কি পদচারী সেতু, নাকি উড়ালসড়ক? এটি কার জন্য, কেন তৈরি করা হলো, সেও এক বড় প্রশ্ন।
ঘিওর-মানিকগঞ্জ সড়কের ঘিওর পশু হাসপাতাল মোড়ে অপরিকল্পিতভাবে তৈরি এ স্থাপনা কারও উপকার করছে কি? হ্যাঁ, একটা উপকার যে হচ্ছে না, তা নয়। হঠাৎ বৃষ্টি বা প্রখর রোদে পথচারীদের মাথার ওপর ছাউনি হিসেবে এটি সেবা দিচ্ছে! এ ছাড়া আর কোনো উপকার খুঁজে পাওয়া গেল না।
তবে অপকার বা ভোগান্তির কারণ হচ্ছে নিয়মিত। স্থানীয়রা জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা স্থাপনাটি পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলে বাধার সৃষ্টি করছে। তিন রাস্তার মোড়ে হওয়ায় মাঝেমধ্যে ছোট যানবাহনের সঙ্গে এর ঠোকাঠুকি লাগে। মাথার ওপরে ঝুলে থাকা স্থাপনাটি এখন পণ্যবাহী ট্রাক, বাস ও ছোট যানবাহন চালকদের গলার কাঁটা হয়ে আছে।
স্থানীয়রা বলছেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের অদক্ষ কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে ঘিওর-মানিকগঞ্জ-ঢাকা সড়কের মাঝখানে এ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। অপরিকল্পিত এ স্থাপনা শুধু অপ্রয়োজনীয়ই নয়, এর পেছনে নষ্ট হয়েছে সরকারের প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। জনগণের করের টাকার এমন অপচয় মেনে নেওয়া যায় না।
পথের কথা সম্পর্কিত আরও পড়ুন: