৪০ হাজার টাকা ব্যয়ে হিরো আলমের ভাস্কর্য তৈরি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ভাস্কর্য বিভাগের শিক্ষার্থী উত্তম কুমার। ২০১৮ সালে তিনি এটি তৈরি করেন। তবে আজ মঙ্গলবার বিকেলে হিরো আলম ভাস্কর্যের সঙ্গে নিজের তোলা ছবি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আপলোড করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি হলো আমার ভাস্কর্য।’
হিরো আলম ফেসবুকে ছবি আপলোড করার পর নতুন করে ফের আলোচনায় এসেছে ভাস্কর্যের বিষয়টি। হিরো আলমের সেই পোস্টের মন্তব্য ঘরে নানা ইতিবাচক ও নেতিবাচক মতামত দিচ্ছেন নেটিজেনরা।
ভাস্কর্য তৈরির কাজে যুক্ত থাকা উত্তম কুমার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘২০১৮ সালে যখন হিরো আলম আলোচনায় আসে তখন আমি ভাস্কর্যটি তৈরি করি। কোনো একাডেমিক উদ্দেশ্যে নয়, শখের বশে। তবে হিরো আলমকে পছন্দ করার কারণ হলো—তাঁর চেহারার ভেতরে ভাস্কররা পছন্দ করে এ রকম একটি বিষয় রয়েছে, যেটা ভাস্কর্যের সঙ্গে যায়। ভাস্কর্য তৈরি করতে প্রায় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।’
উত্তম কুমার আরও বলেন, ‘ভাস্কর্য তৈরি করার পর সে সময়ে আমি ফেসবুকে আপলোড করার পর আলোচনায় আসে। হিরো আলম নিজেও সেটা দেখে যান। তবে হিরো আলমকে ভাস্কর্য দেওয়া হয়ে ওঠেনি। তিনি (হিরো আলম) চাইলে দিয়ে দেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, উত্তম কুমার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা ভবনে থাকেন, তার কক্ষেই হিরো আলমের ভাস্কর্য রয়েছে। তিনি ২০১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থী।

যে পরিমাণ বকেয়া রেখে গেছে এবং দেশে যে পরিমাণ জ্বালানি ইনপুট করতে হবে সব মিলিয়ে আমার জন্য একটা কঠিন অগ্নিপরীক্ষা—মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
৩৬ মিনিট আগে
নকলমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ার সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংমুক্ত দেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, যেভাবে কচুয়া থেকে নকলবিরোধী কার্যক্রমের সফল যাত্রা শুরু হয়েছিল, ঠিক সেভাবেই মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের সূচনা হবে কচুয়া...
৪৪ মিনিট আগে
দ্রব্যমূল্য কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে দেওয়া হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর এবং রমজান মাসে নিত্যপণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত দুজনের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের সাঁতারপাড়া গ্রামের মৃত লাল মিয়া শেখের ছেলে লেবু মিয়া ওরফে ভন্ডল (২৪) এবং একই ইউনিয়নের মস্তাপুর গ্রামের মৃত দানোজ মিয়ার ছেলে মঈনুল ইসলাম (৫০)।
১ ঘণ্টা আগে