আগামীকাল ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস। রোজা চলছে বলে ছুটির এই দিনে হয়ত সেজেগুজে ঘুরতে বের না হতে পারেন, তবে ঈদের আগে বাড়িতে বড় পরিসরের ইফতারের আয়োজন তো থাকতেই পারে। বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়স্বজন ঈদে বাড়ি যাওয়ার আগে হয়ত এই ছুটির দিনেই...
এবার পোশাক নিয়ে খানিক দ্বিধায় রয়েছে মানুষ। একদিকে চৈত্রের গরম, অন্যদিকে উৎসবে পোশাকের আয়োজন জাঁকালো না হলে আবার জমবে না। রংও থাকতে হবে উজ্জ্বল। আবার থাকতে হবে আরামে। এ তো আসলেই উভয়সংকট।
ঈদের পোশাক কেনা হয়ে গেছে? এবার চিন্তা ঈদের সাজ নিয়ে। এর মধ্য়েই কি ইনস্টাগ্রাম, পিন্টারেস্ট স্ক্রল করা শুরু করে দিয়েছেন কীভাবে সাজবেন তারই রেফারেন্স খুঁজতে? এই সুযোগে জানিয়ে রাখি, ঈদে যদি আনারকলি কিনে থাকেন, তাহলে সাজতে পারেন বলিউড তারকা ক্যাটরিনার মতো।
ঘরে ঘরে ঈদের জোগাড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেছে। ঈদের পোশাকে একদিকে যেমন উৎসবের আমেজ থাকা চাই, পাশাপাশি প্রয়োজন আরামও। যাঁরা ঈদে শুধু সালোয়ার-কামিজ পরবেন বলে ভেবে রেখেছেন, তাঁরা আরও আগে থেকেই ভাবতে বসেছেন, গরমের এই ঈদে কী ধরনের কাপড় ও কারুকাজের পোশাকটিই আদর্শ হবে।
ঈদ মানেই ঝলমলে নতুন পোশাকে নিজেদের সাজিয়ে নেওয়া। ঈদুল ফিতরের আবহ বা প্রস্তুতি সাধারণত শুরু হয়ে যায় রমজানের প্রথম দিন থেকে। বিশেষ করে পরিবারের কে কেমন পোশাক পরবে তা নিয়েই ভাবনা–চিন্তা চলতে থাকে।
ঈদের আর বেশি দিন বাকি নেই। ভরা চৈত্র মাসেই যখন উৎসব, তখন সাজসজ্জা, পোশাক-আশাক নিয়ে বাড়তি ভাবনা থাকবেই। ঈদ মানে তো নতুন পোশাক পরে সেজেগুজে ঘুরে বেড়ানোই শুধু নয়, অতিথি আপ্য়ায়নে রান্নাঘরেই কেটে যায় অনেকটা সময়। তার ওপর এখনই যে গরম, তাতে সামনের দিনগুলোয় তরতাজা থাকা নিয়ে কপালে ভাঁজ তো পড়ারই কথা...
এই গরমে আবার লেয়ারিং? এই প্রশ্ন মনে নিয়েই যাঁরা লেখাটি পড়তে শুরু করেছেন, তাঁদের বলছি, হ্যাঁ, ভুল কিছু বলা হচ্ছে না। সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে যদি ওড়না গায়ে জড়ানো যায়, তাহলে ওড়নার পরিবর্তে সহজে সামলে নিয়ে স্টাইলিংয়ের কাজ করা যায় এমন একটি বিকল্প হচ্ছে কটি। একটি কটি দিয়েই নানাভাবে লেয়ারিং ও স্টাইলিং করা...
গয়না পরলেই ত্বক হয়ে উঠছে লালচে অথবা দেখা যাচ্ছে ছোট ছোট ফুসকুড়ি। কিংবা কখনো আবার ফোসকাই পড়ে যাচ্ছে! এসব লক্ষণ থাকলে ধরে নেওয়া যেতে পারে, যে ধাতু দিয়ে গয়না তৈরি করা হয়েছে, তাতে আপনার অ্যালার্জি আছে।
আশি কিংবা নব্বইয়ের দশকের বাংলা সিনেমা দেখে এই প্রজন্মের অনেক মেয়েরই চোখ ছানাবড়া হবে। না না, নেতিবাচক অর্থে বলছি না। সে সময় দুই গালে মেয়েরা লালচে আভার ব্লাশন ব্যবহার করত। খানিকটা বাড়তি ব্লাশন ব্যবহারই ছিল সে সময়কার ট্রেন্ড। ওই যে লোকে বলে না, তুষারকন্যার গাল ছিল আপেলের মতো লাল! তাই রাজকুমারীর মতো...
প্রাচীন রোমের মানুষ কাজ করার সময় কোমরবন্ধনীর সঙ্গে বেঁধে রাখতেন একখণ্ড কাপড়। নাম ছিল সুডারিয়াম। মূলত কাজ করার সময় ঘাম মোছার জন্য ব্যবহার করা হতো কাপড়ের এই খণ্ড, আমাদের গামছার মতো। কারও কারও মতে, রোমের মানুষেরও আগে মিসরের রানি নেফারতিতি হাতে বোনা একখণ্ড কাপড় মাথায় জড়াতেন।
‘পোশাকে সাদার সঙ্গে কালোর মিলন মানেই নিখুঁত সম্প্রীতি।’ এমন একটি কথা বলেছিলেন ফরাসি ফ্যাশন ডিজাইনার কোকো শ্যানেল। পোশাকে সাদা ও কালোর প্রসঙ্গ আসার কারণ নিশ্চয় বুঝতে বাকি নেই। আর কদিন পর একুশে ফেব্রুয়ারি। মানুষের রুচি, পছন্দ এবং গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ...
ইউটিউবে ‘ইশক ভিশক রিবাউন্ড’ চলচ্চিত্রে দর্শন রাভালের গাওয়া ‘সোনি সোনি’ গানটি এখন পর্যন্ত কত মিলিয়ন ভিউ পেয়েছে, তার হিসেব পরে। আগে রোহিত সারাফের কথায় আসি। হালের হার্টথ্রব এই গানটির জন্যই যেন হাজারো তরুণীর মন কেড়ে নিয়েছেন তিনি। ঘোর লাগা
ভালোবাসার অন্য নাম জামদানি—এটা না বললেও চলে এ দেশের মানুষকে। এই এক বস্ত্র নিয়ে কত আলোচনা, কত লেখালেখি আর তর্কবিতর্ক, তার কোনো হিসাব নেই। আসছে ভালোবাসা দিবসে তাই অঙ্গে জড়িয়ে থাক জামদানি।
একটি মাফলারের দাম দেড় লাখ টাকার ওপর! চোখ কপালে তোলার কোনো কারণ নেই। ঘটনা সত্য। পোশাক নিয়ে আলোচনার কমতি নেই যুগে যুগে। সেই কতকাল আগে শেখ সাদি তাঁর পোশাক নিয়ে বিড়ম্বনা ও সমাদর—দুই অভিজ্ঞতারই মুখোমুখি হয়েছিলেন।
জুতা ডিজাইনে আলিম লতিফের রয়েছে ব্যতিক্রমী দৃষ্টিভঙ্গি। আলিম লতিফ বিশ্বাস করেন, জুতা কখনোই লৈঙ্গিকভিত্ত ছিল না। রাজা চতুর্দশ লুই থেকে শুরু করে গ্ল্যাম রকের যুগ পর্যন্ত, পুরুষেরা প্ল্যাটফর্ম জুতা (উঁচু হিলযুক্ত) পরতেন। কিন্তু হঠাৎ করে কেন তা হারিয়ে গেল? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে তিনি তাঁর ব্র্যান্ড
এখন মধ্য মাঘ। ত্বক কেটে বসে যাওয়া গাঢ় শীত তা-ই মনে করিয়ে দিচ্ছে। আর মাত্র কটা দিন। ফুলে ফুলে উষ্ণ হয়ে উঠবে প্রকৃতি। কোকিল গাইবে ধীর লয়ে। পত্রপল্লব ছড়িয়ে গা ঝাড়া দিয়ে উঠবে বৃক্ষ। রং লাগবে চারদিকে। নেশা লাগবে চোখে।
নেটিজেনরা এখন মেতে রয়েছেন ভারতীয় সংগীতশিল্পী দর্শন রাভালকে নিয়ে। সম্প্রতি বিয়ে করে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পূর্ণতা দিলেন তিনি। মিষ্টি হাসির এই সুদর্শন গায়ক ফ্যাশনের দিক থেকেও কিন্তু কম যান না। স্টাইলিংয়ের জন্য রীতিমতো তার ইনস্টাগ্রাম স্টক করে উঠতি বয়সীরা।