নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২২টি কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরের কারণে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ভীতিকে পুঁজি করে আরও কিছু কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে পাঠানো হচ্ছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এই নেতিবাচক প্রভাবে ধারাবাহিক পতন দেখা গেছে পুঁজিবাজারে।
তবে এই মুহূর্তে নতুন কোনো কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হচ্ছে না। এ রকম কোনো সিদ্ধান্তও নেয়নি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি বা স্টক এক্সচেঞ্জ। আর জেড ক্যাটাগরিতে পাঠাতে হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমতি লাগবে। ফলে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই ও সিএসই) চাইলেই কোনো কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করতে পারবে না। বিএসইসি ও ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এ টি এম তারিকুজ্জামান বলেন, বেশ কয়েকটি কোম্পানিকে ডিএসই জেড ক্যাটাগরিতে পাঠাচ্ছে বলে যে তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন এবং গুজব। নতুন করে কোনো কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে পাঠানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়নি। এই মুহূর্তে জেড ক্যাটাগরিতে যাওয়ার মতো কোম্পানি নেই। তা ছাড়া কোনো কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে পাঠাতে হলে কমিশনের অনুমতি লাগবে। তাই চাইলেও ডিএসই এই মুহূর্তে সরাসরি কোনো কোম্পানিকে জেডে স্থানান্তরিত করতে পারবে না।
বিনিয়োগকারীদের ভিত্তিহীন তথ্য ও গুজবে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, যারা গুজব ছড়িয়েছে, তাদের শনাক্ত করতে কাজ করছে ডিএসই। চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

২২টি কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরের কারণে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ভীতিকে পুঁজি করে আরও কিছু কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে পাঠানো হচ্ছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এই নেতিবাচক প্রভাবে ধারাবাহিক পতন দেখা গেছে পুঁজিবাজারে।
তবে এই মুহূর্তে নতুন কোনো কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হচ্ছে না। এ রকম কোনো সিদ্ধান্তও নেয়নি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি বা স্টক এক্সচেঞ্জ। আর জেড ক্যাটাগরিতে পাঠাতে হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমতি লাগবে। ফলে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই ও সিএসই) চাইলেই কোনো কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করতে পারবে না। বিএসইসি ও ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এ টি এম তারিকুজ্জামান বলেন, বেশ কয়েকটি কোম্পানিকে ডিএসই জেড ক্যাটাগরিতে পাঠাচ্ছে বলে যে তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন এবং গুজব। নতুন করে কোনো কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে পাঠানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়নি। এই মুহূর্তে জেড ক্যাটাগরিতে যাওয়ার মতো কোম্পানি নেই। তা ছাড়া কোনো কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে পাঠাতে হলে কমিশনের অনুমতি লাগবে। তাই চাইলেও ডিএসই এই মুহূর্তে সরাসরি কোনো কোম্পানিকে জেডে স্থানান্তরিত করতে পারবে না।
বিনিয়োগকারীদের ভিত্তিহীন তথ্য ও গুজবে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, যারা গুজব ছড়িয়েছে, তাদের শনাক্ত করতে কাজ করছে ডিএসই। চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
৫ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
৫ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
৫ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
৯ ঘণ্টা আগে