
বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে ভারতে আজ মঙ্গলবার সর্বদলীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশটির পার্লামেন্ট লোকসভায় প্রতিনিধিত্বকারী প্রধান প্রধান দলগুলোর প্রতিনিধিরা এ সভায় যোগ দেন। ক্ষমতাসীন দল বিজেপির পক্ষে সভায় নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
ফেসবুকে শেয়ার করা এক পোস্টে জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশ পরিস্থিতি রাজনৈতিক দলগুলোকে জানানো হয়েছে।’
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী, জয়শঙ্কর সভায় বলেন, ‘বাংলাদেশ পরিস্থিতি একটি চলমান ঘটনা। ভারত সরকার সঠিক সময় বেছে নিয়ে সে অনুযায়ী উপযুক্ত পদক্ষেপ নেবে।’
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ঘটনাবলির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত আছে। বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিক ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দারা যাতে নিরাপদ থাকে, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।’
লোকসভায় বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজ্জু সভার আলোচনায় অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে শেখ হাসিনার গতকাল সোমবার দেশত্যাগ করা এবং সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে নিকটতম প্রতিবেশী ভারত পরিস্থিতির ওপর সতর্ক নজর রাখছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। শেখ হাসিনার কিছুদিন দিল্লিতে অবস্থানের কথা রয়েছে। তাঁর মেয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক সায়মা ওয়াজেদ দিল্লিতে থাকেন।
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে (বিএসএফ) বাংলাদেশ সীমান্তে উচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এয়ার ইন্ডিয়া ঢাকার সঙ্গে সব ফ্লাইট বাতিল করেছে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের টানা কর্মসূচি ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত রোববার দেশটির নাগরিকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেয়।
আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে সবাইকে শান্ত থাকার এবং উসকানিমূলক কথা না ছড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার যা বলবে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার তা-ই করবে।
২০০৯ সালের জানুয়ারিতে শেখ হাসিনা দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর টানা ১৫ বছর পররাষ্ট্রনীতিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক পরাশক্তি চীনের প্রভাব বাড়তে থাকার প্রেক্ষাপটে ভারত জাতীয় নিরাপত্তা, আঞ্চলিক সংযোগসহ বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী বিবেচনা করছিল।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ৪৬ বছর পর রাজশাহী সদর আসন থেকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়াটা সমগ্র রাজশাহীবাসীর জন্য গৌরবের। এটি কোনো একক ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং রাজশাহীর মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনের ফল। প্রায় দুই দশক পর রাজশাহীর উন্নয়ন পরিকল্পনা নতুনভাবে সাজানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে...
১৯ মিনিট আগে
সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, লালফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নির্বাচনের পর ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে এবার পর্যটন ভিসাসহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা ‘পুরোপুরি সচল’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সিনিয়র কনস্যুলার অফিসার অনিরুদ্ধ রায়।
১ ঘণ্টা আগে
নতুন সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। কার্ড নির্বাচনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে তাড়াহুড়ো না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে