নিজস্ব প্রতিবেদন

ঢাকা: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনের তিনটি প্রতিষ্ঠান, তাঁর স্ত্রী, মা ও বোনের মোট আটটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কেএম ইমরুল কায়েশ গতকাল রোববার এই নির্দেশ দেন।
সাঈদ খোকনের তিনটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে– সাঈদ খোকন প্রপার্টিজ লিমিটেড, ফোর এ (প্রাইভেট) লিমিটেড এবং মেসার্স এস অ্যান্ড এস করপোরেশন। এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক হিসাব রয়েছে রাজধানীর বনানীর ১০ নম্বর রোড ও ১১ নম্বর রোডে সিটি ব্যাংকের দুটি শাখায়।
এছাড়া সাঈদ খোকনের মা ফাতেমা খাতুনের ব্যাংক এশিয়ার বনানী ১১ নম্বর রোডের শাখার হিসাব, বোন শাকানা হানিফের সিটি ব্যাংকের বনানী শাখার হিসাব ও এক্সিম ব্যাংকের হিসাব এবং স্ত্রী ফারহানা সাঈদের এক্সিম ব্যাংক ও সিটি ব্যাংকের বনানী শাখার দুটি হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিশেষ পিপি মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর আজ সোমবার আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন। ব্যাংক হিসাবগুলোতে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়ায় দুদক অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ কারণে হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করার আবেদন করা হয়।
দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের সদস্য জালাল উদ্দিন আহাম্মদ সাঈদ খোকন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, তাঁর স্ত্রী, বোন ও মায়ের ব্যাংকের লেনদেনের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। এসব হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ পাওয়ায় এই অনুসন্ধান চলছে। এমতাবস্থায় অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বর্ণিত হিসাবগুলোতে জমাকৃত টাকা অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার প্রচেষ্টা করছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির পূর্বে বর্ণিত হিসাবগুলোর জমাকৃত টাকা হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে রাষ্ট্রের সমূহ ক্ষতির কারণ রয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়। এজন্য এসব হিসাবসমূহ অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন। আবেদনটি দুদক বিধিমালার ১৮ বিধি ও মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২ এর ১৪ ধারা অনুযায়ী করা হয়।
গতকাল আবেদনের পর আদালত চারজনের আটটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেন। এই আদেশ কার্যকরের জন্য ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকদের নির্দেশ দেন আদালত।
উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি রাজধানীর হাইকোর্ট এলাকায় কদম ফোয়ারার সামনে ডিএসসিসি কর্তৃক বৈধ দোকান অবৈধভাবে উচ্ছেদের প্রতিবাদে এক মানববন্ধনে সাঈদ খোকন বর্তমান মেয়র সম্পর্কে কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তাপস মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে গলাবাজি করে চলেছেন। আমি তাঁকে বলব, রাঘব বোয়ালের মুখে চুনোপুঁটির গল্প মানায় না। দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়তে হলে সর্বপ্রথম নিজেকে দুর্নীতি মুক্ত করুন। তারপর চুনোপুঁটির দিকে দৃষ্টি দিন।’ বর্তমান মেয়র সম্পর্কে অভিযোগ তুলে বলেন, শত শত কোটি টাকা তিনি মধুমতি ব্যাংকে স্থানান্তরিত করেছেন। এরপর সাঈদ খোকনের বিরুদ্ধে ঢাকায় দুটি মানহানির মামলাও হয়।

ঢাকা: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনের তিনটি প্রতিষ্ঠান, তাঁর স্ত্রী, মা ও বোনের মোট আটটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কেএম ইমরুল কায়েশ গতকাল রোববার এই নির্দেশ দেন।
সাঈদ খোকনের তিনটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে– সাঈদ খোকন প্রপার্টিজ লিমিটেড, ফোর এ (প্রাইভেট) লিমিটেড এবং মেসার্স এস অ্যান্ড এস করপোরেশন। এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক হিসাব রয়েছে রাজধানীর বনানীর ১০ নম্বর রোড ও ১১ নম্বর রোডে সিটি ব্যাংকের দুটি শাখায়।
এছাড়া সাঈদ খোকনের মা ফাতেমা খাতুনের ব্যাংক এশিয়ার বনানী ১১ নম্বর রোডের শাখার হিসাব, বোন শাকানা হানিফের সিটি ব্যাংকের বনানী শাখার হিসাব ও এক্সিম ব্যাংকের হিসাব এবং স্ত্রী ফারহানা সাঈদের এক্সিম ব্যাংক ও সিটি ব্যাংকের বনানী শাখার দুটি হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিশেষ পিপি মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর আজ সোমবার আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন। ব্যাংক হিসাবগুলোতে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়ায় দুদক অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ কারণে হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করার আবেদন করা হয়।
দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের সদস্য জালাল উদ্দিন আহাম্মদ সাঈদ খোকন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, তাঁর স্ত্রী, বোন ও মায়ের ব্যাংকের লেনদেনের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। এসব হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ পাওয়ায় এই অনুসন্ধান চলছে। এমতাবস্থায় অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বর্ণিত হিসাবগুলোতে জমাকৃত টাকা অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার প্রচেষ্টা করছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির পূর্বে বর্ণিত হিসাবগুলোর জমাকৃত টাকা হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে রাষ্ট্রের সমূহ ক্ষতির কারণ রয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়। এজন্য এসব হিসাবসমূহ অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন। আবেদনটি দুদক বিধিমালার ১৮ বিধি ও মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২ এর ১৪ ধারা অনুযায়ী করা হয়।
গতকাল আবেদনের পর আদালত চারজনের আটটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেন। এই আদেশ কার্যকরের জন্য ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকদের নির্দেশ দেন আদালত।
উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি রাজধানীর হাইকোর্ট এলাকায় কদম ফোয়ারার সামনে ডিএসসিসি কর্তৃক বৈধ দোকান অবৈধভাবে উচ্ছেদের প্রতিবাদে এক মানববন্ধনে সাঈদ খোকন বর্তমান মেয়র সম্পর্কে কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তাপস মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে গলাবাজি করে চলেছেন। আমি তাঁকে বলব, রাঘব বোয়ালের মুখে চুনোপুঁটির গল্প মানায় না। দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়তে হলে সর্বপ্রথম নিজেকে দুর্নীতি মুক্ত করুন। তারপর চুনোপুঁটির দিকে দৃষ্টি দিন।’ বর্তমান মেয়র সম্পর্কে অভিযোগ তুলে বলেন, শত শত কোটি টাকা তিনি মধুমতি ব্যাংকে স্থানান্তরিত করেছেন। এরপর সাঈদ খোকনের বিরুদ্ধে ঢাকায় দুটি মানহানির মামলাও হয়।

প্রার্থীতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করেছেন কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। মনোনয়নপত্র বাতিল নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আজ সোমবার এই রিট করেন তিনি।
১৪ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক মহল গভীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির। আজ সোমবার বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ১১ রাষ্ট্রদূতের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের কাছে এ কথা জানান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
গণভোটে অন্তর্বর্তী সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারের সিদ্ধান্ত নিলেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, গণভোটের প্রচারণার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এমন পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন...
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের সম্মানে তাঁর নির্বাচনী ঢাকা-১৩ ও বাগেরহাট-১ আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ কথা জানান ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান।
৩ ঘণ্টা আগে