
২০১৭ সালে উত্তর প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল নির্বাচন কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের। তখন প্রশান্ত কিশোর বলেছিলেন, রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের সঙ্গে কাজ করা যায় না। এই প্রশান্ত কিশোরই গতকাল রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বসলেন আলোচনার টেবিলে। শুধু রাহুলই নন, দিল্লিতে রাহুলের বাসভবনে এ বৈঠকে ছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী; ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধীও।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী বছরের পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশসহ বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের চেয়ে বড় কোনো বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে মূলত ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কংগ্রেসকে শক্তিশালী করে বিজেপিকে ধরাশায়ী করতে এ একাত্মতা বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
গান্ধী পরিবারের তিন সদস্যের সম্মিলিত মিটিং করা থেকে বিশেষ বার্তা নেওয়া যায় বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে বড় কোনো সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলেও মত তাঁদের।
এদিকে কিছুদিন ধরেই এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছেন প্রশান্ত কিশোর। কিশোরের সঙ্গে মমতার দলের সম্পর্কও অটুট। আর সম্প্রতি প্রশান্ত নিজেই বলেছেন, কংগ্রেসকে ছাড়া এই মুহূর্তে কোনো শক্তিশালী অক্ষশক্তি সম্ভব নয়। এই বক্তব্যের সঙ্গে আজকের সাক্ষাৎকে মিলিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, শুধু উত্তর প্রদেশ এবং পাঞ্জাব নির্বাচনই নয়, প্রশান্ত কিশোরের লক্ষ্য আরও বড়। সব ব্যর্থতা পেছনে ফেলে কংগ্রেস যাতে আগামী লোকসভা নির্বাচনে উঠে আসে, তা নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখতে চাইছেন প্রশান্ত কিশোর।
বাংলায় তৃণমূলের ভোট কৌশলী হিসেবে দারুণ সাফল্য পেয়েছেন প্রশান্ত। দিল্লিতেও বিধানসভা নির্বাচনে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আনার পেছনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল। পাঞ্জাবে নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য তাই আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করেছে কংগ্রেস।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
৪ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৪ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৬ ঘণ্টা আগে