ঢাবি সংবাদদাতা

ধর্ষণ ও নারী নিপীড়নের ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে ধর্ষকদের উপযুক্ত ও সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
আজ রোববার দিনব্যাপী লোকপ্রশাসন, রসায়ন, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান, পদার্থ, ভূতত্ত্ব, দর্শন, গণিত, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইংরেজি, ভাষাবিজ্ঞান, টেলিভিশন-ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি ও অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিভাগের ব্যানারে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
লোকপ্রশাসন বিভাগের বিক্ষোভ মিছিলে বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দা লাসনা কবির, অধ্যাপক আবু হুসাইন মোহাম্মদ আহসান এবং প্রভাষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শেহরিন আমিন ভূঁইয়া একাত্মতা পোষণ করে অংশ নেন।
লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিবুল বাশার বলেন, ‘আগের সরকার কীভাবে পালিয়েছে, সেটা ভুলে যাবেন না। আপনি রাত ৩টায় এসে আমাদের সিরিয়াসনেস বোঝাবেন না। আমরা রাস্তায় সিরিয়াসনেস দেখতে চাই। আমাদের মা–বোনদের নিরাপদ দেখতে চাই, আমরা এত প্যাঁচ দেখতে চাই না। যে মানুষ বাচ্চার প্রতি রহম করতে পারে না, তার প্রতি আমাদের কিসের রহম? এসব ধর্ষককে প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। এখানে কোনো হিউম্যান রাইটসের কথা বলা যাবে না।’

এ বিভাগের অধ্যাপক আবু হুসাইন মোহাম্মদ আহসান বলেন, ‘আমাদের প্রতিবাদ প্রতিনিয়ত জানাতে হবে। এটা কীটের মতো রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে। এটাকে সমূলে উৎপাটন করতে হবে। আমরা দায়িত্ব হাতে নিতে চাই না, কিন্তু এর বিকল্প নেই। সরকার যদি ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা আবার মাঠে নামবে। যত রেপের ঘটনা ঘটেছে, সবগুলোর বিচার করতে হবে।’
ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আকিব মাহমুদ বলেন, ‘আমরা ধর্ষকদের বিচার হতে দেখি না। আমরা ধর্ষকদের এমন বিচার চাই, যাতে কেউ ধর্ষণের কথা চিন্তাও না করে। আমার বাড়ির মা-বোন একা বাইরে গিয়ে নিরাপদ থাকবে, এমন নিশ্চয়তা চাই।’
এ দিন বিভিন্ন বিভাগ, ছাত্রসংগঠনের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ব্যস্ত থাকে। ক্যাম্পাস এলাকায় মিছিল শেষে অপরাজেয় বাংলা ও রাজু ভাস্কর্যে সমাবেশ করেন তাঁরা।

ধর্ষণ ও নারী নিপীড়নের ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে ধর্ষকদের উপযুক্ত ও সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
আজ রোববার দিনব্যাপী লোকপ্রশাসন, রসায়ন, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান, পদার্থ, ভূতত্ত্ব, দর্শন, গণিত, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইংরেজি, ভাষাবিজ্ঞান, টেলিভিশন-ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি ও অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিভাগের ব্যানারে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
লোকপ্রশাসন বিভাগের বিক্ষোভ মিছিলে বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দা লাসনা কবির, অধ্যাপক আবু হুসাইন মোহাম্মদ আহসান এবং প্রভাষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শেহরিন আমিন ভূঁইয়া একাত্মতা পোষণ করে অংশ নেন।
লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিবুল বাশার বলেন, ‘আগের সরকার কীভাবে পালিয়েছে, সেটা ভুলে যাবেন না। আপনি রাত ৩টায় এসে আমাদের সিরিয়াসনেস বোঝাবেন না। আমরা রাস্তায় সিরিয়াসনেস দেখতে চাই। আমাদের মা–বোনদের নিরাপদ দেখতে চাই, আমরা এত প্যাঁচ দেখতে চাই না। যে মানুষ বাচ্চার প্রতি রহম করতে পারে না, তার প্রতি আমাদের কিসের রহম? এসব ধর্ষককে প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। এখানে কোনো হিউম্যান রাইটসের কথা বলা যাবে না।’

এ বিভাগের অধ্যাপক আবু হুসাইন মোহাম্মদ আহসান বলেন, ‘আমাদের প্রতিবাদ প্রতিনিয়ত জানাতে হবে। এটা কীটের মতো রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে। এটাকে সমূলে উৎপাটন করতে হবে। আমরা দায়িত্ব হাতে নিতে চাই না, কিন্তু এর বিকল্প নেই। সরকার যদি ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা আবার মাঠে নামবে। যত রেপের ঘটনা ঘটেছে, সবগুলোর বিচার করতে হবে।’
ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আকিব মাহমুদ বলেন, ‘আমরা ধর্ষকদের বিচার হতে দেখি না। আমরা ধর্ষকদের এমন বিচার চাই, যাতে কেউ ধর্ষণের কথা চিন্তাও না করে। আমার বাড়ির মা-বোন একা বাইরে গিয়ে নিরাপদ থাকবে, এমন নিশ্চয়তা চাই।’
এ দিন বিভিন্ন বিভাগ, ছাত্রসংগঠনের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ব্যস্ত থাকে। ক্যাম্পাস এলাকায় মিছিল শেষে অপরাজেয় বাংলা ও রাজু ভাস্কর্যে সমাবেশ করেন তাঁরা।

রাজধানীর গুলশান কালাচাঁদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে সাদিয়া রহমান মীম (২৭) নামে এক তরুণীর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাদিয়া একটি পারলারে ও বারে কাজ করতেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
৭ মিনিট আগে
চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
৩৭ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে