ভোলার চরফ্যাশনে গ্রেপ্তার আব্দুর রশিদ হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আ. জলিলকে (৪০) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার আসামি আ. জলিলকে জেলা জজ আদালতে হাজির করলে আদালতের বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান পাটোয়ারী। এর আগে গত মঙ্গলবার ঢাকার সদরঘাট এলাকা থেকে আসামি আ. জলিলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আ. জলিল শশীভূষণ থানার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর গ্রামের মৃত মোতালেবের ছেলে।
শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান পাটোয়ারী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আ. জলিলকে আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘২০১৩ সালের ৩০ মে সন্ধ্যায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ ফ্যাশন গ্রামের কর্তারহাট বাজারে নিজ বাড়ির সামনে আব্দুর রশিদকে কুপিয়ে হত্যা করে আসামি আ. জলিল।’
মো. মিজানুর রহমান পাটোয়ারী বলেন ‘এ ঘটনায় ওই দিনই আব্দুর রশিদের ভাই মো. হানিফ বাদী হয়ে আ. জলিলসহ ১৮ জনকে আসামি করে চরফ্যাশন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত দীর্ঘ ৭ বছর মামলাটি পর্যালোচনা করে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও যুক্তিতর্ক শেষে ২০২০ সালের ১৫ নভেম্বর ১৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।’

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত দুজনের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের সাঁতারপাড়া গ্রামের মৃত লাল মিয়া শেখের ছেলে লেবু মিয়া ওরফে ভন্ডল (২৪) এবং একই ইউনিয়নের মস্তাপুর গ্রামের মৃত দানোজ মিয়ার ছেলে মঈনুল ইসলাম (৫০)।
২৪ মিনিট আগে
আগামী মার্চে সুন্দরবনে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে ফাঁদে আটকে অসুস্থ হয়ে পড়া সেই বাঘিনীকে। খুলনার রেসকিউ সেন্টারে ৪৫ দিন চিকিৎসায় বাঘিনীটি এখন অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছে।
৩৫ মিনিট আগে
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরার পথে আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পৌর শহরের দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের টিঅ্যান্ডটি মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকেরা হলেন সজীব হাসান (২৫) ও ইজহারুল ইসলাম (২৫)।
৪০ মিনিট আগে
ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, যমুনার চরে আটক ব্যক্তিরা আটটি ঘোড়া জবাই করেন। এতে ১১ বস্তা মাংস হয়, যার ওজন প্রায় ৪০০ কেজি। তাঁরা এই মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে ঢাকায় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে