
জলবায়ু পরিবর্তন রোধ ও সুরক্ষার দাবিতে কক্সবাজারে জলবায়ু ধর্মঘট (ক্লাইমেট স্ট্রাইক) পালন করেছেন তরুণ পরিবেশকর্মীরা। তাঁরা জীবাশ্ম জ্বালানিতে অর্থায়ন বন্ধ, নবায়নযোগ্য শক্তির সম্প্রসারণ এবং টেকসই কৃষিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।
গতকাল শুক্রবার কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সামনে আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা অ্যাকশন এইডের যুব প্ল্যাটফরম অ্যাকটিভিস্টার ব্যানারে পরিবেশকর্মীরা জলবায়ু ধর্মঘট পালন করেন। এর আগে তাঁরা শহীদ মিনার থেকে শোভাযাত্রা বের করেন।
ধর্মঘটে বক্তৃতাকালে পরিবেশকর্মী জাহানারা আকতার বলেন, ‘ক্ষতিকর জ্বালানি বন্ধ করে পরিবেশবান্ধব বিকল্প আমাদের খুঁজে বের করতে হবে।’
কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কর্মকর্তা তাফহীমুল জান্নাত সিফাত বলেন, জলবায়ু সমস্যা নিরসনে কক্সবাজারের তরুণেরা একসঙ্গে আওয়াজ তুলেছেন। জীবাশ্ম জ্বালানিতে অর্থায়ন বন্ধের জন্য বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘট থেকে আজ যেসব দাবি উত্থাপিত হয়েছে, তা জলবায়ু সুবিচার আদায়ের আন্দোলনকে আরও বেগবান করবে।
জলবায়ু-সংকট নিরসন, ন্যায়বিচার দাবি ও জনগণকে সচেতন করতে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ ও অ্যাকটিভিস্টা বাংলাদেশসহ ১৫টি সংগঠনের পাঁচ শতাধিক তরুণ জলবায়ুকর্মী এ ধর্মঘটে অংশ নেন। একই সময়ে সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, নোয়াখালী, কুড়িগ্রাম, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, জামালপুর, সুনামগঞ্জ, গাজীপুর, চাঁদপুর, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, নেত্রকোনা, কক্সবাজার, টেকনাফ এবং বরগুনাসহ ১৯টি জেলার এবং সাতটি লোকাল ইয়ুথ হাবের তরুণ স্বেচ্ছাসেবকেরাও বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘটে সংহতি প্রকাশ করেন।

আপনাদের দেখার দরকার নেই—কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ, কে জামায়াত করে। কেউ যদি দোষী হয় তাকে আইনের আওতায় আনুন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। গত ১৭ বছরে দেশে যা হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে চাই না।
৪৪ মিনিট আগে
রাজধানীর বেইলি রোডে ঝলমলে আলোকসজ্জার দোকান আর বিলাসী ইফতার আয়োজনে ব্যস্ত বিক্রেতা। ক্রেতার ভিড়ও বেশ। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে জমে উঠেছে এখানকার ইফতার বাজার। প্রতিবারের মতো এবারও বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টে নানান পদের ইফতারসামগ্রীর দেখা মিলেছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজার ও জুরাইন এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেলে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও সাফিকুর রহমানের উত্তরার বাসায় এক শিশু গৃহকর্মীকে নিয়মিত নির্যাতন করা হতো বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ওই বাসারই আরেক গৃহকর্মী সুফিয়া বেগম। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নির্যাতনের কথা স্বীকার করলেও আদালতে জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি...
২ ঘণ্টা আগে