আব্দুল মান্নান, মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি)
হালদাপাড়ে তামাক চাষ, অবাধে কাঠ পুড়িয়ে তামাক পোড়ানো ও মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের কারণে দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য এখন হুমকির মুখে। তামাকের বিকল্প চাষাবাদে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে প্রান্তিক কৃষকদের বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়া সত্ত্বেও কিছু মানুষ আবার তামাক চাষে জড়িয়ে পড়ছেন। হালদায় চলছে বেপরোয়া বালু উত্তোলনও।
হালদা নদীর উজানে তামাক চাষে উদ্বেগ জানিয়ে চট্টগ্রামের হালদা রিসার্চ সেন্টারের কো-অর্ডিনেটর ড. মো. মনজুরুল কিবরিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, হালদা হেরিটেজ আইনে হালদা অববাহিকায় তামাক নিষিদ্ধ সত্ত্বেও সম্প্রতি কিছু পরিবেশ বিনষ্টকারী মানুষের অজ্ঞতায় এবং তামাক কোম্পানির প্ররোচনায় তামাক চাষ হচ্ছে। ইতিমধ্যে হালদার জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার তামাক চাষ বিষয়ে আইনে আরও কঠোরতা আনতে যাচ্ছে। তামাক চাষ বিষয়ে ইতিমধ্যে খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে। হালদা রক্ষায় প্রশাসন আরও কঠোর হবে।
হালদা বিশেষজ্ঞ মনজুরুল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘হালদার উজানে তামাক চাষের ফলে তামাকের নিজস্ব বিষাক্ততা ও তামাক চাষে অত্যধিক মাত্রায় ব্যবহৃত কীটনাশক, রাসায়নিক সার হালদার পানিকে অতিরিক্ত মাত্রায় দূষিত করছে। এতে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ, ডলফিনসহ মিঠাপানির সকল মাছের প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে। হালদাকে বাঁচাতে না পারলে মৎস্য খাতে আমাদের বিশাল ক্ষতি হবে।’
উপজেলা কৃষি ও মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালে প্রথমে হালদা নদীর উজান খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার গোরখানা, কালাপানি, ছদরখীল, তুলাবিল, বড়বিল, যোগ্যাছোলা, গ্যাসফিল্ড, দক্ষিণ কালাপানি, দশবিল, ডাইনছড়ি, সালদা, বাটনাতলী এলাকায় শত শত হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়।
এ সময় এলাকার প্রান্তিক কৃষকদের বেশির ভাগ তামাক চাষ নির্ভর হয়ে পড়ে। স্কুল-মাদ্রাসা ঘেঁষে তামাক চাষ, অবাধে গাছ কেটে চুল্লিতে তামাক পোড়ানো এবং তামাক পাতা থেকে নির্গত পানি হালদায় মিশে মিঠা পানির মাছের অবাধ বিচরণ বাধাগ্রস্ত হয়। তখন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারে তামাকের বিকল্প চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করতে এগিয়ে আসে প্রশাসন। ধীরে ধীরে কমতে থাকে তামাক চাষ। বিকল্প চাষাবাদে এগিয়ে আসে ৭০-৮০ শতাংশ কৃষক। কিন্তু অবশিষ্ট ২০-৩০ শতাংশ কৃষক অতিমুনাফার লোভে তামাক কোম্পানির প্রলোভনে তামাক চাষ অব্যাহত রাখে। চলতি মৌসুমেও ২০ একর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। একেবারে হালদা নদী ও এর উপশাখা ঘেঁষে লাগানো তামাক এখন দৃশ্যমান।
হালদার উৎপত্তি খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়ন হাসুকপাড়া এলাকার হালদাচড়ায়। দীর্ঘ ৯৮ কিলোমিটার বয়ে চট্টগ্রাম শহরের কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় গিয়ে মিশেছে। মানিকছড়ি উপজেলার সদর থেকে ৫-৬ কিলোমিটার পশ্চিমে হালদা নদীর উজান ও শাখাপ্রশাখার চরে সবুজ শাকসবজি চাষ হলেও কিছু কৃষক অধিক লোভে তামাক কোম্পানি থেকে অগ্রিম বীজ, সার, কীটনাশক নিয়ে বিষাক্ত তামাক চাষ করছেন।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে হালদার উজান গোরখানা, ছদরখীল এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, হালদা নদীঘেঁষা জমিতে তামাকের চারা মাথা উঁচু করে বেড়ে উঠছে। গোরখানায় ১ একর ২০ শতাংশ জমিতে তামাক চাষ করেছেন আছারতলীর চাষি মো. আবদুল মতিন। সবজি না করে তামাক চাষ কেন করছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হালদা খাল চরের মাটির উর্বরতা শক্তি কমায় শাকসবজি চাষে লোকসান গুনতে হয়। অতিরিক্ত রাসায়নিক সারে তামাক ভালো হয়। তামাক চাষের প্রয়োজনীয় সব সার, ওষুধ তামাক কোম্পানি আমাদের অগ্রিম দিয়ে সহযোগিতা করে। এতে পুঁজি নিয়ে চাষিকে টেনশন করতে হয় না। গত বছর প্রতি কেজি শুকনা তামাকপাতা ভালোমন্দ হিসেবে ১৮০-২১৬ টাকা দরে দিয়েছে কোম্পানি।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জহির রায়হান আজকের পত্রিকাকে বলেন, হালদা নদী আমাদের অমূল্য সম্পদ। এই নদীর উজানে এক দশক আগে যে হারে তামাক চাষ করা হতো, এখন তা একেবারে নিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। আগের তামাকচাষিদের তামাকের বিকল্প চাষাবাদে সম্পৃক্ত করতে কৃষি বিভাগ, মৎস্য বিভাগ ও আইডিএফ যার যার অবস্থান থেকে কাজ করছে। শাকসবজি চাষাবাদে জৈব সারের ওপর জোর দেওয়া এবং সরকারি প্রণোদনায় হালদাপাড়ের কৃষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে তামাক নির্মূলে কাজ চলছে। জনসচেতনতা বাড়লে তামাক নির্মূল সহজ হয়। এই জন্য জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসা উচিত।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘তামাক চাষের ফলে ব্যবহৃত কীটনাশক ও তামাকের নির্যাস হালদা নদীর পানিতে মেশায় মাছের প্রজনন মৌসুমে প্রজননক্ষেত্র ব্যাপক পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানিকছড়ি মৎস্য অফিস এ বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি হালদার জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং মৎস্য উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে হালদাপাড়সংশ্লিষ্ট এলাকায় তামাকের বিকল্প চাষাবাদ যেমন পুকুরে উন্নত জাতের মাছ চাষে উৎসাহ দিচ্ছে। সরকারি পোনা বিতরণেও ওখানকার লোকজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে মৎস্য অধিদপ্তর কাজ করছে। আগে হালদাপাড়ে তামাক চাষ বেশি হলেও এখন কমে আসছে। এবার ১১ জন চাষি ২০ একর জায়গায় তামাক লাগিয়েছেন। আশা করছি, ভবিষ্যতে আরও কমে আসবে।’
হালদাপাড়ে তামাক চাষ, অবাধে কাঠ পুড়িয়ে তামাক পোড়ানো ও মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের কারণে দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য এখন হুমকির মুখে। তামাকের বিকল্প চাষাবাদে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে প্রান্তিক কৃষকদের বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়া সত্ত্বেও কিছু মানুষ আবার তামাক চাষে জড়িয়ে পড়ছেন। হালদায় চলছে বেপরোয়া বালু উত্তোলনও।
হালদা নদীর উজানে তামাক চাষে উদ্বেগ জানিয়ে চট্টগ্রামের হালদা রিসার্চ সেন্টারের কো-অর্ডিনেটর ড. মো. মনজুরুল কিবরিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, হালদা হেরিটেজ আইনে হালদা অববাহিকায় তামাক নিষিদ্ধ সত্ত্বেও সম্প্রতি কিছু পরিবেশ বিনষ্টকারী মানুষের অজ্ঞতায় এবং তামাক কোম্পানির প্ররোচনায় তামাক চাষ হচ্ছে। ইতিমধ্যে হালদার জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার তামাক চাষ বিষয়ে আইনে আরও কঠোরতা আনতে যাচ্ছে। তামাক চাষ বিষয়ে ইতিমধ্যে খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে। হালদা রক্ষায় প্রশাসন আরও কঠোর হবে।
হালদা বিশেষজ্ঞ মনজুরুল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘হালদার উজানে তামাক চাষের ফলে তামাকের নিজস্ব বিষাক্ততা ও তামাক চাষে অত্যধিক মাত্রায় ব্যবহৃত কীটনাশক, রাসায়নিক সার হালদার পানিকে অতিরিক্ত মাত্রায় দূষিত করছে। এতে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ, ডলফিনসহ মিঠাপানির সকল মাছের প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে। হালদাকে বাঁচাতে না পারলে মৎস্য খাতে আমাদের বিশাল ক্ষতি হবে।’
উপজেলা কৃষি ও মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালে প্রথমে হালদা নদীর উজান খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার গোরখানা, কালাপানি, ছদরখীল, তুলাবিল, বড়বিল, যোগ্যাছোলা, গ্যাসফিল্ড, দক্ষিণ কালাপানি, দশবিল, ডাইনছড়ি, সালদা, বাটনাতলী এলাকায় শত শত হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়।
এ সময় এলাকার প্রান্তিক কৃষকদের বেশির ভাগ তামাক চাষ নির্ভর হয়ে পড়ে। স্কুল-মাদ্রাসা ঘেঁষে তামাক চাষ, অবাধে গাছ কেটে চুল্লিতে তামাক পোড়ানো এবং তামাক পাতা থেকে নির্গত পানি হালদায় মিশে মিঠা পানির মাছের অবাধ বিচরণ বাধাগ্রস্ত হয়। তখন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারে তামাকের বিকল্প চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করতে এগিয়ে আসে প্রশাসন। ধীরে ধীরে কমতে থাকে তামাক চাষ। বিকল্প চাষাবাদে এগিয়ে আসে ৭০-৮০ শতাংশ কৃষক। কিন্তু অবশিষ্ট ২০-৩০ শতাংশ কৃষক অতিমুনাফার লোভে তামাক কোম্পানির প্রলোভনে তামাক চাষ অব্যাহত রাখে। চলতি মৌসুমেও ২০ একর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। একেবারে হালদা নদী ও এর উপশাখা ঘেঁষে লাগানো তামাক এখন দৃশ্যমান।
হালদার উৎপত্তি খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়ন হাসুকপাড়া এলাকার হালদাচড়ায়। দীর্ঘ ৯৮ কিলোমিটার বয়ে চট্টগ্রাম শহরের কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় গিয়ে মিশেছে। মানিকছড়ি উপজেলার সদর থেকে ৫-৬ কিলোমিটার পশ্চিমে হালদা নদীর উজান ও শাখাপ্রশাখার চরে সবুজ শাকসবজি চাষ হলেও কিছু কৃষক অধিক লোভে তামাক কোম্পানি থেকে অগ্রিম বীজ, সার, কীটনাশক নিয়ে বিষাক্ত তামাক চাষ করছেন।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে হালদার উজান গোরখানা, ছদরখীল এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, হালদা নদীঘেঁষা জমিতে তামাকের চারা মাথা উঁচু করে বেড়ে উঠছে। গোরখানায় ১ একর ২০ শতাংশ জমিতে তামাক চাষ করেছেন আছারতলীর চাষি মো. আবদুল মতিন। সবজি না করে তামাক চাষ কেন করছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হালদা খাল চরের মাটির উর্বরতা শক্তি কমায় শাকসবজি চাষে লোকসান গুনতে হয়। অতিরিক্ত রাসায়নিক সারে তামাক ভালো হয়। তামাক চাষের প্রয়োজনীয় সব সার, ওষুধ তামাক কোম্পানি আমাদের অগ্রিম দিয়ে সহযোগিতা করে। এতে পুঁজি নিয়ে চাষিকে টেনশন করতে হয় না। গত বছর প্রতি কেজি শুকনা তামাকপাতা ভালোমন্দ হিসেবে ১৮০-২১৬ টাকা দরে দিয়েছে কোম্পানি।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জহির রায়হান আজকের পত্রিকাকে বলেন, হালদা নদী আমাদের অমূল্য সম্পদ। এই নদীর উজানে এক দশক আগে যে হারে তামাক চাষ করা হতো, এখন তা একেবারে নিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। আগের তামাকচাষিদের তামাকের বিকল্প চাষাবাদে সম্পৃক্ত করতে কৃষি বিভাগ, মৎস্য বিভাগ ও আইডিএফ যার যার অবস্থান থেকে কাজ করছে। শাকসবজি চাষাবাদে জৈব সারের ওপর জোর দেওয়া এবং সরকারি প্রণোদনায় হালদাপাড়ের কৃষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে তামাক নির্মূলে কাজ চলছে। জনসচেতনতা বাড়লে তামাক নির্মূল সহজ হয়। এই জন্য জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসা উচিত।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘তামাক চাষের ফলে ব্যবহৃত কীটনাশক ও তামাকের নির্যাস হালদা নদীর পানিতে মেশায় মাছের প্রজনন মৌসুমে প্রজননক্ষেত্র ব্যাপক পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানিকছড়ি মৎস্য অফিস এ বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি হালদার জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং মৎস্য উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে হালদাপাড়সংশ্লিষ্ট এলাকায় তামাকের বিকল্প চাষাবাদ যেমন পুকুরে উন্নত জাতের মাছ চাষে উৎসাহ দিচ্ছে। সরকারি পোনা বিতরণেও ওখানকার লোকজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে মৎস্য অধিদপ্তর কাজ করছে। আগে হালদাপাড়ে তামাক চাষ বেশি হলেও এখন কমে আসছে। এবার ১১ জন চাষি ২০ একর জায়গায় তামাক লাগিয়েছেন। আশা করছি, ভবিষ্যতে আরও কমে আসবে।’
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতঘেঁষা মার্কেটটি একসময় টাইলস মার্কেট নামে পরিচিত ছিল। নিচতলায় রয়েছে ৪০-৫০টি দোকান। অনেক আগেই এই মার্কেটকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে কুয়াকাটা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই চলছে কার্যক্রম। শুধু তা-ই নয়, সৈকত দখল করে মার্কেটটি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে...
২২ মিনিট আগেমৌলভীবাজারে মনু ও ধলাই নদীর ১৬টি প্রতিরক্ষা বাঁধসহ অন্যান্য ছোট নদীর অসংখ্য বাঁধ ভেঙে গত বছর জেলায় চার দফা বন্যা হয়েছে। বন্যায় ফসল ও ঘরবাড়ি হারিয়েছে হাজারো মানুষ। পানিবন্দী হয়ে পড়ে প্রায় চার লাখ মানুষ। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৬০০ কোটি টাকার অধিক। এত কিছুর পরও জেলার অন্যতম প্রধান দুই নদীর প্রতিরক্ষা...
৩০ মিনিট আগেপার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বৈসাবি ঘিরে পাহাড়ে উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে খাগড়াছড়ি শহরের নারানখাইয়া এলাকায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের মাঠে ফিতা কেটে চার দিনব্যাপী উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান...
৪২ মিনিট আগেচলছে চৈত্রের দাবদাহ। বাজারে কদর বেড়েছে রসাল ফল আনারসের। বিশেষ করে কদর বেড়েছে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন পাহাড়ে উৎপাদিত আনারসের। কিন্তু আগেভাগে বাজারজাত করা এবং বেশি মুনাফার আশায় আনারসে মাত্রাতিরিক্ত ইথোফেন হরমোন প্রয়োগ করছেন চাষিরা। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকির শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে কৃষিবিদদের দাবি, পরিপক্ব ফল...
১ ঘণ্টা আগে