বান্দরবান প্রতিনিধি
বান্দরবানে সৎমেয়েকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আজ বুধবার সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বান্দরবানের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ বিচারক জেবুন্নাহার আয়শা এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আপুই মং মারমা (৬৮) জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার সদর ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ড থোয়াই অংগ্যপাড়ার মৃত সাপ্রু অং মার্মার ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মেসাচিং মার্মার (৫৪) প্রথম স্বামী মারা যাওয়ার পর আপুই মং মারমার সঙ্গে বিয়ে হয়। প্রথম সংসারে দুই মেয়ে ও তিন ছেলে আছে। সেই থেকে মেসাচিং মার্মা ছোট মেয়েসহ রোয়াংছড়িতে আপুই মং মার্মার সঙ্গে বাস করে আসছিলেন। ২০২০ সালে মেসাচিং মার্মা অসুস্থ হলে ছোট মেয়েকে বাড়িতে রেখে রাঙামাটির রাজস্থলী এলাকায় তাঁর প্রথম সংসারের বড় মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে যান।
২০২১ সালের ২ জুলাই একটি কন্যাসন্তানসহ ছোট মেয়েটি তাঁর বড় ভাইয়ের বাড়িতে এলে ধর্ষণের বিষয়টি জানাজানি হয়। সে সময় ধর্ষণের শিকার মেয়েটি তার ভাইকে জানায় তার মা চলে যাওয়ার পর থেকে একাধিকবার সৎবাবা আপুই মং মারমা তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর কন্যাশিশুটির জন্ম হয়।
এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার মেয়েটির মা বাদী হয়ে ২০২১ সালের ৮ জুলাই রোয়াংছড়ি থানায় আপুই মং মারমার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। দীর্ঘ সময়ে ধরে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ এ রায় দেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) বাসিংথুয়াই মার্মা জানান, ধর্ষণ মামলায় আপুই মং মারমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একই সঙ্গে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া আদালতের নির্দেশে দণ্ডপ্রাপ্ত আপুই মং মারমাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বান্দরবানে সৎমেয়েকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আজ বুধবার সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বান্দরবানের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ বিচারক জেবুন্নাহার আয়শা এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আপুই মং মারমা (৬৮) জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার সদর ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ড থোয়াই অংগ্যপাড়ার মৃত সাপ্রু অং মার্মার ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মেসাচিং মার্মার (৫৪) প্রথম স্বামী মারা যাওয়ার পর আপুই মং মারমার সঙ্গে বিয়ে হয়। প্রথম সংসারে দুই মেয়ে ও তিন ছেলে আছে। সেই থেকে মেসাচিং মার্মা ছোট মেয়েসহ রোয়াংছড়িতে আপুই মং মার্মার সঙ্গে বাস করে আসছিলেন। ২০২০ সালে মেসাচিং মার্মা অসুস্থ হলে ছোট মেয়েকে বাড়িতে রেখে রাঙামাটির রাজস্থলী এলাকায় তাঁর প্রথম সংসারের বড় মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে যান।
২০২১ সালের ২ জুলাই একটি কন্যাসন্তানসহ ছোট মেয়েটি তাঁর বড় ভাইয়ের বাড়িতে এলে ধর্ষণের বিষয়টি জানাজানি হয়। সে সময় ধর্ষণের শিকার মেয়েটি তার ভাইকে জানায় তার মা চলে যাওয়ার পর থেকে একাধিকবার সৎবাবা আপুই মং মারমা তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর কন্যাশিশুটির জন্ম হয়।
এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার মেয়েটির মা বাদী হয়ে ২০২১ সালের ৮ জুলাই রোয়াংছড়ি থানায় আপুই মং মারমার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। দীর্ঘ সময়ে ধরে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ এ রায় দেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) বাসিংথুয়াই মার্মা জানান, ধর্ষণ মামলায় আপুই মং মারমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একই সঙ্গে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া আদালতের নির্দেশে দণ্ডপ্রাপ্ত আপুই মং মারমাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সুবিশাল দৃষ্টিনন্দন ভবন। ভবনের গায়ে বড় করে লেখা রয়েছে ‘বাংলাদেশ-আমেরিকা সৌহার্দ্য ফুল বিপণনকেন্দ্র’। ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখা গেল বীজ বিপণন ও সংরক্ষণের জন্য হিমাগার। ভবনের সামনে রয়েছে ফুল মোড়কজাত (প্যাকেজিং) ও বিক্রির জন্য পাকা মেঝে ও টিনের ছোট ছোট ছাউনি (শেড)। তবে যে কারণে এত সুযোগ-সুবিধার আয়োজন...
৪ মিনিট আগেকক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ছবি তুলে পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় ও হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে ফটোগ্রাফারদের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় শহরের সুগন্ধা পয়েন্ট সৈকতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ১৭টি ক্যামেরা জব্দ করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।
২৭ মিনিট আগেবরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মনিরুল ইসলাম মনিরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার মনসাতলী গ্রামের একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগেঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ছুটছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। যে কারণে লঞ্চ ও বাসে শুক্রবার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। নৌবন্দর ঘুরে শুক্রবার বিকেলে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। যেন যৌবন ফিরেছে নৌপথে লঞ্চ সার্ভিসের। এদিকে নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১০ মিনিট পরপর ঢাকার উদ্দেশে বাস
২ ঘণ্টা আগে