গাজীপুর প্রতিনিধি
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শেষ সময়ে বাড়ি ফিরছেন মানুষ। কিন্তু গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত গাজীপুরের ২০ ভাগ শিল্পকলকারখানায় চলতি মার্চের বেতন পরিশোধ করা হয়নি। বোনাস হয়নি পাঁচ ভাগ কারখানায়। শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরের বিভিন্ন ধরনের নিবন্ধিত শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ২ হাজার ১৭৬টি। এর মধ্যে গতকাল পর্যন্ত ১ হাজার ৬৬৮টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মার্চের বেতন হয়েছে, যা মোট কারখানার শতকরা ৮০ ভাগ। এখনো পর্যন্ত ৫০৮টি প্রতিষ্ঠানে মার্চের বেতন হয়নি।
ঈদ বোনাস দিয়েছে ২ হাজার ৫৫টি প্রতিষ্ঠান, যা মোট কারখানার ৯৫ শতাংশ। ১২১টি প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত বোনাস দিতে পারেনি।
জেলার ১ হাজার ৪৭৯টি কারখানায় ঈদের ছুটি দেওয়া হয়েছে, যা মোট কারখানার ৬৬ ভাগ। এসব কারখানার শ্রমিকেরা বেতন-বোনাস পেয়ে অনেকেই গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। তবে এখনো বেতন বাকি থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো শেষ পর্যন্ত ঈদের আগে বকেয়া পরিশোধ না করলে বিপাকে পড়বেন এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। আজ শনিবার কতগুলো প্রতিষ্ঠান বেতন-বোনাস দিতে পারবে তাও নিশ্চিত নয়। সে ক্ষেত্রে শ্রমিক অসন্তোষের আশঙ্কা রয়েছে।
শিল্প পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের প্রত্যাশা, বেতন-বোনাস বকেয়া থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো আজকের মধ্যে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে সক্ষম হবে। সে ক্ষেত্রে শেষ মুহূর্তে অনিশ্চয়তা কাটিয়ে হাসিমুখে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি যেতে পারবেন কর্মীরা।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গাজীপুরে বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত মোট কারখানা ৭৪৩টি। এর মধ্যে মার্চের বেতন পরিশোধ করা হয়েছে ৫৬২টিতে। বেতন হয়নি ১৮১টিতে। অন্যদিকে, গতকাল পর্যন্ত ঈদ বোনাস হয়েছে ৬৯৯টিতে। আর ৪৪টি কারখানা বোনাস দিতে পারেনি। জেলায় বিকেএমইএর অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠান ১২৪টি। এর মধ্যে ১০০টি মার্চের বেতন দিয়েছে, বাকি ২৪টিতে বেতন হয়নি।
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শেষ সময়ে বাড়ি ফিরছেন মানুষ। কিন্তু গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত গাজীপুরের ২০ ভাগ শিল্পকলকারখানায় চলতি মার্চের বেতন পরিশোধ করা হয়নি। বোনাস হয়নি পাঁচ ভাগ কারখানায়। শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরের বিভিন্ন ধরনের নিবন্ধিত শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ২ হাজার ১৭৬টি। এর মধ্যে গতকাল পর্যন্ত ১ হাজার ৬৬৮টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মার্চের বেতন হয়েছে, যা মোট কারখানার শতকরা ৮০ ভাগ। এখনো পর্যন্ত ৫০৮টি প্রতিষ্ঠানে মার্চের বেতন হয়নি।
ঈদ বোনাস দিয়েছে ২ হাজার ৫৫টি প্রতিষ্ঠান, যা মোট কারখানার ৯৫ শতাংশ। ১২১টি প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত বোনাস দিতে পারেনি।
জেলার ১ হাজার ৪৭৯টি কারখানায় ঈদের ছুটি দেওয়া হয়েছে, যা মোট কারখানার ৬৬ ভাগ। এসব কারখানার শ্রমিকেরা বেতন-বোনাস পেয়ে অনেকেই গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। তবে এখনো বেতন বাকি থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো শেষ পর্যন্ত ঈদের আগে বকেয়া পরিশোধ না করলে বিপাকে পড়বেন এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। আজ শনিবার কতগুলো প্রতিষ্ঠান বেতন-বোনাস দিতে পারবে তাও নিশ্চিত নয়। সে ক্ষেত্রে শ্রমিক অসন্তোষের আশঙ্কা রয়েছে।
শিল্প পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের প্রত্যাশা, বেতন-বোনাস বকেয়া থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো আজকের মধ্যে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে সক্ষম হবে। সে ক্ষেত্রে শেষ মুহূর্তে অনিশ্চয়তা কাটিয়ে হাসিমুখে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি যেতে পারবেন কর্মীরা।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গাজীপুরে বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত মোট কারখানা ৭৪৩টি। এর মধ্যে মার্চের বেতন পরিশোধ করা হয়েছে ৫৬২টিতে। বেতন হয়নি ১৮১টিতে। অন্যদিকে, গতকাল পর্যন্ত ঈদ বোনাস হয়েছে ৬৯৯টিতে। আর ৪৪টি কারখানা বোনাস দিতে পারেনি। জেলায় বিকেএমইএর অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠান ১২৪টি। এর মধ্যে ১০০টি মার্চের বেতন দিয়েছে, বাকি ২৪টিতে বেতন হয়নি।
‘আমার ছেলে কী অপরাধ করেছিল? আমার ছেলেসহ বহু ছাত্রকে ওরা নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করেছিল। আমার ছেলের হত্যাকারীদের বিচার কি হবে না? হত্যাকারীদের ফাঁসি দেখলে মরেও শান্তি পাব।’ আজ সোমবার কথাগুলো বলছিলেন ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই নিহত জিহাদের (২৫) বাবা নুরুল আমিন মোল্লা।
৭ ঘণ্টা আগেরাজশাহীর বাঘায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার বাউসা ইউনিয়নে ভিজিডি কার্ড বাণিজ্যের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। রোববার (৩০ মার্চ) বিকেল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত হামলায় পাঁচটি মোটরসাইকেল ও একটি ভ্যান ভাঙচুর করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
৭ ঘণ্টা আগেবগুড়ার শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এক যুবকের লাশ দেখে অসুস্থ হয়ে প্রতিবেশী এক নারী মারা গেছেন। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের হিন্দু পানিসাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া নারীর নাম স্বপ্না রানী সরকার (৪০)। তিনি ওই গ্রামের কৃষক সঞ্জিত সরকারের স্ত্রী। তাঁর অনামিকা সরকা
৭ ঘণ্টা আগেপুরো রমজান মাসে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ছিল প্রায় সুনসান নীরবতা। হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্টগুলো কক্ষভাড়ায় ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিয়েও অতিথি পায়নি। বন্ধ ছিল পর্যটকনির্ভর রেস্তোরাঁসহ অন্যান্য ব্যবসা। সেই নীরবতা ভেঙেছে ঈদুল ফিতরের ছুটিতে। আজ সোমবার দুপুর থেকে স্থানীয় পর্যটকেরা সৈকতমুখী হয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে