রাজধানীর চকবাজারের খাজে দেওয়ান লেনের একটি বাসায় ঢুকে হাজি মনসুর আহমেদ (৭৬) নামে এক ব্যক্তিকে খুন করে স্বর্ণালংকার ও টাকা-পয়সা লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি রাতেই ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত মনসুর আহমেদের ছেলে সারওয়ার আহমেদ জানান, খাজে দেওয়ান প্রথম লেনের ছয়তলা বাড়িটি তাঁদের নিজের। বাড়িটির দ্বিতীয় তলায় থাকতেন তাঁর বাবা হাজি মনসুর আহমেদ ও মা। তাঁরা অন্যান্য তলায় থাকেন। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে পরিবারের সবাই মিলে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যান। তবে কিছুটা অসুস্থ থাকায় বাবা তাঁদের সঙ্গে যাননি। অনুষ্ঠান শেষে তাঁরা রাত ১২টার দিকে যখন বাড়িতে ফেরেন, তখন দ্বিতীয় তলায় বাসার দরজা বন্ধ দেখতে পান। দরজায় ধাক্কা দিয়ে ঘরের ভেতরে ঢুকে ফ্লোরে হাত-পা বাঁধা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তাঁর বাবাকে। আর ঘরে জিনিসপত্র সব এলোমেলো। আলমারি, শোকেস, লকার সব তছনছ করা ছিল।
সরোয়ার অভিযোগ করে বলেন, ‘দুর্বৃত্তরা বাবার হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করেছে, ইনজেকশন পুশ করেছে এবং তাঁর মাথায় আঘাত করে হত্যা করেছে। বাসায় নগদ বেশ কিছু টাকা ছিল, সেসব তারা লুট করেছে। তবে কী পরিমাণ টাকা ছিল তা জানতে পারিনি। এ ছাড়া আমাদের পরিবারের সবার স্বর্ণালংকার বাবার রুমে রাখা ছিল। সেগুলো সবই লুট করেছে তারা।’
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম জানান, ঘটনাটি শুনেছি। পরিবারের লোকজনের কাছ থেকে জানতে পেরেছি, হাজি মনসুর আহমেদ বাসায় একা ছিলেন। সম্পত্তি নিয়ে কোনো ঘটনা থাকতে পারে। বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নিহত ব্যক্তির স্বজনদের থানায় আসতে বলা হয়েছে। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।
তিন ছেলে ও এক মেয়ের জনক হাজি মনসুর আহমেদ। চকবাজার বাইতুন নুর জামে মসজিদের সভাপতি ছিলেন তিনি।

২০১৮ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য সুকান্ত চীনে যান। সেখানে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর ক্রিস হুইয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তাঁরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।
৬ মিনিট আগে
উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বাজারে এলে গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
১২ মিনিট আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদে ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আতিকুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি নিবিরকে চড় মারেন। প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দেন আতিকুর। এতে পড়ে গিয়ে নিবিরের কনুইয়ে আঘাত লাগে। পরে সৌরভ কাব্য প্রতিবাদ করলে তাঁকে নাকে ঘুষি মারা হয়। এতে তাঁর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে।
১ ঘণ্টা আগে
তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আলামিন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে