গাজীপুরের শ্রীপুরে খেলতে গিয়ে মাছের খামারে ডুবে দুই সহোদরের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের ভিটিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনেরা জানান, ছোট ভাই পানিতে পড়ে যাওয়ার পর বাঁচাতে গিয়ে বড় ভাইয়েরও মৃত্যু হয়েছে।
মৃত দুই শিশু হলো—ওই গ্রামের আল আমিনের ছেলে মো. তামিম (৭) ও মো. ইসমাঈল হোসেন (৬)।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. লিটন মিয়ার স্ত্রী আসমা আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি দুপুর ১টার দিকে পাশের বাড়ি থেকে চাল আনতে যাই। এ সময় মাছের খামারের পানিতে ভাসমান লাশ দেখতে পাই। পরে পাড়ে চাল রেখে ইসমাঈলের মরদেহ তুলে এনে ডাকচিৎকার শুরু করি। এরপর তার স্বজনেরা বড় ভাই তামিমকে খুঁজতে থাকেন।’
দুই শিশুর দাদা আব্দুস সামাদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একজনের লাশ উদ্ধারের পর কয়েকজন পানিতে নেমে অন্যজনকে খুঁজতে থাকি। ৩০ মিনিট পর তামিমের লাশ পাই।’
খামারটিতে ডুবে গত বছরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান তিনি।
মৃত দুই সন্তানের মা ফাতেমা আক্তার বলেন, ‘রোববার সকালে মাদ্রাসা থেকে ফিরে এসে দুই ভাই খেলতে যায়। খেলতে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরল। মৎস্য খামারের মালিকের অবহেলার কারণে আমার দুই মানিক লাশ হলো।’
খামারের মালিক কিবরিয়া খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কোনো মৎস্য খামারেই নিরাপত্তাবেষ্টনী নেই। তারপরও নিরাপত্তাবেষ্টনী দেব।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে থানা-পুলিশকে বলা হয়েছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম বলেন, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আপনাদের দেখার দরকার নেই—কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ, কে জামায়াত করে। কেউ যদি দোষী হয় তাকে আইনের আওতায় আনুন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। গত ১৭ বছরে দেশে যা হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে চাই না।
১৪ মিনিট আগে
রাজধানীর বেইলি রোডে ঝলমলে আলোকসজ্জার দোকান আর বিলাসী ইফতার আয়োজনে ব্যস্ত বিক্রেতা। ক্রেতার ভিড়ও বেশ। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে জমে উঠেছে এখানকার ইফতার বাজার। প্রতিবারের মতো এবারও বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টে নানান পদের ইফতারসামগ্রীর দেখা মিলেছে।
১৯ মিনিট আগে
রাজধানীর মগবাজার ও জুরাইন এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেলে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও সাফিকুর রহমানের উত্তরার বাসায় এক শিশু গৃহকর্মীকে নিয়মিত নির্যাতন করা হতো বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ওই বাসারই আরেক গৃহকর্মী সুফিয়া বেগম। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নির্যাতনের কথা স্বীকার করলেও আদালতে জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি...
১ ঘণ্টা আগে