চৈত্রের তাপদাহ। প্রচণ্ড গরম। রমনা পার্কে বসে বারবার পানি পান করছে শিউলী আক্তার। স্বামী আল-আমিন ও একমাত্র সন্তান নিয়ে পার্কে এসেছেন বেড়াতে। মূলত ছেলের জন্যই এই গরম উপক্ষা করে বের হওয়া তাঁদের। শিউলী ও আল-আমিনের মতে, ঈদের মুহূর্তগুলো তো আর বারবার আসবে না। তাই যতই গরম হোক—বাইরের খোলামেলা কোথাও বেড়াতে নিয়ে যেতে হবে।
শুধু তাঁরাই নন। রাজধানীর রমনা পার্কে এমন অনেকে শিশুসন্তানদের নিয়ে আজ শনিবার ঈদের তৃতীয় দিনে বেড়াতে আসেন।
সরেজমিন দেখা গেছে, রমনার শিশু কর্নারে ৫ থেকে ১০ বছর বয়সী অনেকেই মা-বাবার সঙ্গে বেড়াতে এসেছে। এ সময় বিভিন্ন রাইডে নিজের মতো করে খেলাধুলায় মেতে উঠতে দেখা যায় তাদের। সঙ্গে আসা অভিভাবকেরা তাদের দেখভাল করছেন সেখানে।
রামপুরা থেকে আসা শিউলী আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সারা বছর তো বাচ্চারা সময় পায় না। আমরাও কাজে ব্যস্ত থাকি। এখন দুপুর বেলায় অনেক গরম পড়ছে। কিন্তু ঈদের এই সময়টা তো ওদের জন্য আর আসবে না।’
ঈদ উপলক্ষে দুই সন্তানকে নিয়ে বেড়াতে আসেন ইমরান হোসেন ও তাঁর স্ত্রী। ইমরান বলেন, ‘আমার বাসা বাসাবোতে। রমনা পার্কে আমাদের এমনিতে আসা হয় না। বাসার ধারে কাছে আর কোনো খেলাধুলার জায়গাও নেই যে বাচ্চারা খেলবে। তাই এখানে নিয়ে আসছি। খুব মজা করছে ওরা। আসলে ওদের জন্যই তো ঈদ।’
মগবাজারের বাসিন্দা মো. আলী আকবর একমাত্র মেয়েকে নিয়ে আসেন রমনা পার্কে। তিনি বলেন, ‘আজকে অনেক গরম। কিন্তু মেয়েটা বারবার বলছিল বেড়াতে যাবে। তাই ওকে নিয়ে চলে এসেছি। এখানে রাইডগুলোয় খুব মজা করছে। আমারও ভালো লাগছে ওর আনন্দ দেখে।’

আপনাদের দেখার দরকার নেই—কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ, কে জামায়াত করে। কেউ যদি দোষী হয় তাকে আইনের আওতায় আনুন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। গত ১৭ বছরে দেশে যা হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে চাই না।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বেইলি রোডে ঝলমলে আলোকসজ্জার দোকান আর বিলাসী ইফতার আয়োজনে ব্যস্ত বিক্রেতা। ক্রেতার ভিড়ও বেশ। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে জমে উঠেছে এখানকার ইফতার বাজার। প্রতিবারের মতো এবারও বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টে নানান পদের ইফতারসামগ্রীর দেখা মিলেছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজার ও জুরাইন এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেলে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও সাফিকুর রহমানের উত্তরার বাসায় এক শিশু গৃহকর্মীকে নিয়মিত নির্যাতন করা হতো বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ওই বাসারই আরেক গৃহকর্মী সুফিয়া বেগম। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নির্যাতনের কথা স্বীকার করলেও আদালতে জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি...
২ ঘণ্টা আগে