উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি
আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনের ২১৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৪টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ দাবি করে বাড়তি নিরাপত্তার আবেদন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (কেটলি) মো. খসরু চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি বরাবর লিখিত আবেদনে এ ঝুঁকির কথা উল্লেখ করেন তিনি।
আওয়ামী লীগের কেটলি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী খসরু চৌধুরী তাঁর লিখিত আবেদনে বলেন, ‘ঢাকা-১৮ আসনের মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২১৭। এর মধ্যে ৫৪টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ এবং যাতায়াতব্যবস্থা নাজুক। এই আসনটির এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়া বেশ দুরূহ ব্যাপার। এ আসনের ট্রাক প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী এস এম তোফাজ্জল হোসেন বিভিন্ন সময় প্রকাশ্যে ও নানাবিদ কৌশল অবলম্বন করে তাঁর নির্বাচনী জনসভায় আমাকেসহ অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিজে ও তাঁর লোকবল দ্বারা হুমকি প্রদান করে আসছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানতে পেরেছি, তাঁর লোকজন প্রভাব খাটিয়ে এই আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রের ভোট ছিনিয়ে নিতে নীলনকশা করেছেন এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভোটকেন্দ্রে সন্ত্রাস ও ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ভোট ডাকাতির পাঁয়তারা করছেন। এ অবস্থায় অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে এবং সাধারণ ভোটাররা যেন বিনা বাধায় ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তাঁদের মূল্যবান ভোট প্রদান করতে পারেন, সেই বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হোক।’
প্রার্থীর মতে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলো হলো—উত্তরা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, আইইএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, টাচস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আর এস আইডিয়াল হাইস্কুল, আদর্শ বিদ্যাপীঠ কুড়িল উত্তর, শেরেবাংলা আইডিয়াল হাই স্কুল, কুড়িল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জসিম উদ্দিন ইনস্টিটিউট জোয়ার সাহারা, খিলক্ষেত ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা উত্তরা নামাপাড়া, কুর্মিটোলা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ খিলক্ষেত, কুর্মিটোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খিলক্ষেত, ক্যানবেরা মডেল স্কুল কুড়িল, পাতিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খিলক্ষেত, কাঁচকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তরখান, কাঁচকুড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কাঁচকুড়া উত্তরখান, কাঁচকুড়া উচ্চবিদ্যালয় উত্তরখান, উত্তরখান কলেজিয়েট স্কুল, উত্তরখান, উত্তরখান ইউনিয়ন উচ্চবিদ্যালয় উত্তরখান, রাজাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উত্তরখান, মৈনারটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মৈনারটেক, মৈনারটেক সরকারি উচ্চবিদ্যালয় উত্তরখান, হাজী বিল্লাত আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় দক্ষিণখান।
আরও রয়েছে ফায়দাবাদ আজগর উলুম মাদ্রাসা দক্ষিণখান, ফায়দাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দক্ষিণখান, খন্দকার আদর্শ বিদ্যা নিকেতন দক্ষিণখান, উত্তরা আনোয়ারা মডেল ডিগ্রি কলেজ দক্ষিণখান, এমারত হোসেন উচ্চবিদ্যালয় দক্ষিণখান, এস এম মোজাম্মেল হোসেন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ দক্ষিণখান, বরুয়া আলাউদ্দিন দেওয়ান উচ্চবিদ্যালয় দক্ষিণখান, বরুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দক্ষিণখান।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি মহাবিদ্যালয় আশকোনা দক্ষিণখান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আশকোনা দক্ষিণখান, গাওয়াইর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় দক্ষিণখান, গাওয়াইর নবীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দক্ষিণখান, উদয়ন হাইস্কুল মোল্লারটেক দক্ষিণখান, উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোল্লারটেক দক্ষিণখান।
এ ছাড়া উল্লেখ করা হয়েছে আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আজমপুর দক্ষিণখান, ট্যালেন্ট হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ আজমপুর, রেনেসাঁ পাবলিক হাইস্কুল আজমপুর, দেওয়ানপাড়া মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ দক্ষিণখান, নওয়াব হাবিবুল্লা স্কুল অ্যান্ড কলেজ সেক্টর ৪, মাইলস্টোন কলেজ সেক্টর ১১, উত্তরা ল্যাবরেটরি হাইস্কুল সেক্টর ১৪, আইইএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ সেক্টর ৫, আনোয়ারা মান্নাফ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ দলিপাড়া, কিশলয় একাডেমি বাইলজুরি হরিরামপুর, বাউনিয়া আব্দুল জলিল উচ্চবিদ্যালয় বাউনিয়া, বাউনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাউনিয়া, তাফালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তাফালিয়া, শেরেবাংলা মডেল স্কুল পাকুরিয়া, ডিয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হরিরামপুর, ডিয়াবাড়ী আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় ডিয়াবাড়ী, ঢাকা মডেল হাইস্কুল হরিরামপুরের নাম।
আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনের ২১৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৪টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ দাবি করে বাড়তি নিরাপত্তার আবেদন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (কেটলি) মো. খসরু চৌধুরী। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি বরাবর লিখিত আবেদনে এ ঝুঁকির কথা উল্লেখ করেন তিনি।
আওয়ামী লীগের কেটলি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী খসরু চৌধুরী তাঁর লিখিত আবেদনে বলেন, ‘ঢাকা-১৮ আসনের মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২১৭। এর মধ্যে ৫৪টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ এবং যাতায়াতব্যবস্থা নাজুক। এই আসনটির এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়া বেশ দুরূহ ব্যাপার। এ আসনের ট্রাক প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী এস এম তোফাজ্জল হোসেন বিভিন্ন সময় প্রকাশ্যে ও নানাবিদ কৌশল অবলম্বন করে তাঁর নির্বাচনী জনসভায় আমাকেসহ অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিজে ও তাঁর লোকবল দ্বারা হুমকি প্রদান করে আসছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানতে পেরেছি, তাঁর লোকজন প্রভাব খাটিয়ে এই আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রের ভোট ছিনিয়ে নিতে নীলনকশা করেছেন এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভোটকেন্দ্রে সন্ত্রাস ও ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ভোট ডাকাতির পাঁয়তারা করছেন। এ অবস্থায় অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে এবং সাধারণ ভোটাররা যেন বিনা বাধায় ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তাঁদের মূল্যবান ভোট প্রদান করতে পারেন, সেই বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হোক।’
প্রার্থীর মতে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলো হলো—উত্তরা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, আইইএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, টাচস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আর এস আইডিয়াল হাইস্কুল, আদর্শ বিদ্যাপীঠ কুড়িল উত্তর, শেরেবাংলা আইডিয়াল হাই স্কুল, কুড়িল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জসিম উদ্দিন ইনস্টিটিউট জোয়ার সাহারা, খিলক্ষেত ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা উত্তরা নামাপাড়া, কুর্মিটোলা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ খিলক্ষেত, কুর্মিটোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খিলক্ষেত, ক্যানবেরা মডেল স্কুল কুড়িল, পাতিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খিলক্ষেত, কাঁচকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তরখান, কাঁচকুড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কাঁচকুড়া উত্তরখান, কাঁচকুড়া উচ্চবিদ্যালয় উত্তরখান, উত্তরখান কলেজিয়েট স্কুল, উত্তরখান, উত্তরখান ইউনিয়ন উচ্চবিদ্যালয় উত্তরখান, রাজাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উত্তরখান, মৈনারটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মৈনারটেক, মৈনারটেক সরকারি উচ্চবিদ্যালয় উত্তরখান, হাজী বিল্লাত আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় দক্ষিণখান।
আরও রয়েছে ফায়দাবাদ আজগর উলুম মাদ্রাসা দক্ষিণখান, ফায়দাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দক্ষিণখান, খন্দকার আদর্শ বিদ্যা নিকেতন দক্ষিণখান, উত্তরা আনোয়ারা মডেল ডিগ্রি কলেজ দক্ষিণখান, এমারত হোসেন উচ্চবিদ্যালয় দক্ষিণখান, এস এম মোজাম্মেল হোসেন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ দক্ষিণখান, বরুয়া আলাউদ্দিন দেওয়ান উচ্চবিদ্যালয় দক্ষিণখান, বরুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দক্ষিণখান।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি মহাবিদ্যালয় আশকোনা দক্ষিণখান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আশকোনা দক্ষিণখান, গাওয়াইর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় দক্ষিণখান, গাওয়াইর নবীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দক্ষিণখান, উদয়ন হাইস্কুল মোল্লারটেক দক্ষিণখান, উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোল্লারটেক দক্ষিণখান।
এ ছাড়া উল্লেখ করা হয়েছে আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আজমপুর দক্ষিণখান, ট্যালেন্ট হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ আজমপুর, রেনেসাঁ পাবলিক হাইস্কুল আজমপুর, দেওয়ানপাড়া মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ দক্ষিণখান, নওয়াব হাবিবুল্লা স্কুল অ্যান্ড কলেজ সেক্টর ৪, মাইলস্টোন কলেজ সেক্টর ১১, উত্তরা ল্যাবরেটরি হাইস্কুল সেক্টর ১৪, আইইএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ সেক্টর ৫, আনোয়ারা মান্নাফ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ দলিপাড়া, কিশলয় একাডেমি বাইলজুরি হরিরামপুর, বাউনিয়া আব্দুল জলিল উচ্চবিদ্যালয় বাউনিয়া, বাউনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাউনিয়া, তাফালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তাফালিয়া, শেরেবাংলা মডেল স্কুল পাকুরিয়া, ডিয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হরিরামপুর, ডিয়াবাড়ী আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় ডিয়াবাড়ী, ঢাকা মডেল হাইস্কুল হরিরামপুরের নাম।
‘আমার ছেলে কী অপরাধ করেছিল? আমার ছেলেসহ বহু ছাত্রকে ওরা নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করেছিল। আমার ছেলের হত্যাকারীদের বিচার কি হবে না? হত্যাকারীদের ফাঁসি দেখলে মরেও শান্তি পাব।’ আজ সোমবার কথাগুলো বলছিলেন ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই নিহত জিহাদের (২৫) বাবা নুরুল আমিন মোল্লা।
৭ ঘণ্টা আগেরাজশাহীর বাঘায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার বাউসা ইউনিয়নে ভিজিডি কার্ড বাণিজ্যের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। রোববার (৩০ মার্চ) বিকেল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত হামলায় পাঁচটি মোটরসাইকেল ও একটি ভ্যান ভাঙচুর করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
৭ ঘণ্টা আগেবগুড়ার শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এক যুবকের লাশ দেখে অসুস্থ হয়ে প্রতিবেশী এক নারী মারা গেছেন। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের হিন্দু পানিসাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া নারীর নাম স্বপ্না রানী সরকার (৪০)। তিনি ওই গ্রামের কৃষক সঞ্জিত সরকারের স্ত্রী। তাঁর অনামিকা সরকা
৭ ঘণ্টা আগেপুরো রমজান মাসে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ছিল প্রায় সুনসান নীরবতা। হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্টগুলো কক্ষভাড়ায় ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিয়েও অতিথি পায়নি। বন্ধ ছিল পর্যটকনির্ভর রেস্তোরাঁসহ অন্যান্য ব্যবসা। সেই নীরবতা ভেঙেছে ঈদুল ফিতরের ছুটিতে। আজ সোমবার দুপুর থেকে স্থানীয় পর্যটকেরা সৈকতমুখী হয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে