নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
ছাত্রকে গুলি করা সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের প্রভাষক ডা. রায়হান শরিফ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার আচরণ ছিল উগ্র। রায়হান রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন বলে তাঁর একাধিক সিনিয়র ভাই (ছাত্রলীগ নেতা) আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
ডা. রায়হান শরিফ সোমবার বেলা ৩টার দিকে মেডিকেল কলেজের শ্রেণিকক্ষে এক শিক্ষার্থীকে গুলি করেন। শিক্ষার্থীর অপরাধ মৌখিক পরীক্ষার বিষয়ে দ্বিমত পোষণ। পরে আহত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর ডা. রায়হান শরিফকে আটক করে পুলিশ।
ওই সময়ে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত একাধিক ছাত্রলীগনেতা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ছাত্রজীবনে রায়হান শরিফ নানা কারণে আলোচিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ছিল মাদক সেবনের অভিযোগ। নিজের প্রভাব বিস্তারে শিক্ষার্থীদের নানাভাবে উত্ত্যক্ত করা, মতের অমিল হলে হলের কক্ষে আগুন লাগিয়ে দেওয়া, এমনকি দ্বিমত পোষণ করলে সহপাঠীদের গায়ে হাত দিতেন তিনি।’
ছাত্রলীগের পদে থাকার কারণে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে তার এসব কর্মকাণ্ডের জন্য পরবর্তীতে তাকে গুরুত্বপূর্ণ পদে দেওয়া হয়নি। এমনকি বিসিএস শেষে ফাউন্ডেশন ট্রেনিংয়েও তিনি অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করেন।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এমন আচরণের জন্য স্ত্রীর সঙ্গেও ছাড়াছাড়ি হয়েছে এই চিকিৎসকের।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ডা. রায়হান শরিফ বিভিন্ন সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের ভয়ভীতি দেখান। এ বিষয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ক্লাস চলাকালে প্রায়ই তিনি পিস্তল নিয়ে চলাফেরা করতেন।
সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিন শাহরিয়ার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ক্লাস চলাকালীন ৪৫ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে বিনা কারণে শিক্ষক রায়হান শরিফ তমালের ডান পায়ে গুলি করেন।’ এ ঘটনার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আমিরুল হোসেন চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার (এসপি) আরিফুর রহমান মন্ডল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় মেডিকেল কলেজে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে বিষয়টি পুরোপুরি না জেনে কিছু বলা যাচ্ছে না।’
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক একজন সভাপতি বলেন, ‘ছাত্রজীবনে রায়হান মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন।’
রায়হান শরিফ রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ৫২ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। ৩৯তম বিসিএস (বিশেষ বিসিএস) দিয়ে তিনি ২০২২ সালে সার্জন হিসেবে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে যোগদান করেন।
ছাত্রকে গুলি করা সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের প্রভাষক ডা. রায়হান শরিফ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার আচরণ ছিল উগ্র। রায়হান রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন বলে তাঁর একাধিক সিনিয়র ভাই (ছাত্রলীগ নেতা) আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
ডা. রায়হান শরিফ সোমবার বেলা ৩টার দিকে মেডিকেল কলেজের শ্রেণিকক্ষে এক শিক্ষার্থীকে গুলি করেন। শিক্ষার্থীর অপরাধ মৌখিক পরীক্ষার বিষয়ে দ্বিমত পোষণ। পরে আহত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর ডা. রায়হান শরিফকে আটক করে পুলিশ।
ওই সময়ে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত একাধিক ছাত্রলীগনেতা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ছাত্রজীবনে রায়হান শরিফ নানা কারণে আলোচিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ছিল মাদক সেবনের অভিযোগ। নিজের প্রভাব বিস্তারে শিক্ষার্থীদের নানাভাবে উত্ত্যক্ত করা, মতের অমিল হলে হলের কক্ষে আগুন লাগিয়ে দেওয়া, এমনকি দ্বিমত পোষণ করলে সহপাঠীদের গায়ে হাত দিতেন তিনি।’
ছাত্রলীগের পদে থাকার কারণে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে তার এসব কর্মকাণ্ডের জন্য পরবর্তীতে তাকে গুরুত্বপূর্ণ পদে দেওয়া হয়নি। এমনকি বিসিএস শেষে ফাউন্ডেশন ট্রেনিংয়েও তিনি অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করেন।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এমন আচরণের জন্য স্ত্রীর সঙ্গেও ছাড়াছাড়ি হয়েছে এই চিকিৎসকের।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ডা. রায়হান শরিফ বিভিন্ন সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের ভয়ভীতি দেখান। এ বিষয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ক্লাস চলাকালে প্রায়ই তিনি পিস্তল নিয়ে চলাফেরা করতেন।
সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিন শাহরিয়ার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ক্লাস চলাকালীন ৪৫ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে বিনা কারণে শিক্ষক রায়হান শরিফ তমালের ডান পায়ে গুলি করেন।’ এ ঘটনার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আমিরুল হোসেন চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার (এসপি) আরিফুর রহমান মন্ডল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় মেডিকেল কলেজে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে বিষয়টি পুরোপুরি না জেনে কিছু বলা যাচ্ছে না।’
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক একজন সভাপতি বলেন, ‘ছাত্রজীবনে রায়হান মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন।’
রায়হান শরিফ রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ৫২ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। ৩৯তম বিসিএস (বিশেষ বিসিএস) দিয়ে তিনি ২০২২ সালে সার্জন হিসেবে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে যোগদান করেন।
ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, ‘বাঘারপাড়া উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা টি এস আইয়ুবের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে কাজ করছেন। বাংলাদেশে একটি নজিরবিহীন ঘটনা হচ্ছে—৫ আগস্টের পর থেকে বাঘারপাড়ার সব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এখনো নিজ নিজ পরিষদে বসে নির্বিঘ্নে কাজ করছেন; যা টি এস আইয়ুবের...
৬ মিনিট আগেনীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার আদালতে হাজির হতে এসে জনরোষের মুখে পড়েছেন। আজ রোববার (৬ এপ্রিল) দুপুরে নীলফামারী আদালতে ডোমারের পৃথক দুটি মামলায় হাজিরা দিতে এলে জনরোষের মুখে পড়েন তিনি। তাঁকে দেখে আদালত প্রাঙ্গণে কিছু মানুষ ভুয়া ভুয়া স্লোগান দেন।
১৯ মিনিট আগেনাটোরের লালপুরে ঈদ উপলক্ষে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগে তিনটি পরিবহনকে ২৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
২২ মিনিট আগেরাজবাড়ীর পাংশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও এসআইসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। রোববার রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাংশা উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের লক্ষণদিয়া গ্রামের ২৫ বছর বয়সী এক গৃহবধূ এ মামলাটি দায়ের করেন।
২৫ মিনিট আগে