
রমনার বটমূলে বোমা হামলা মামলায় হাইকোর্ট আগামী ৮ মে রায় ঘোষণা করবেন। আজ বুধবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের বেঞ্চ রায়ের জন্য এই দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রমনার বটমূলে বোমা হামলার ঘটনায় ডেথ রেফারেন্স এবং জেল আপিল ও আপিলের শুনানি শেষ হয়। আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান, সরওয়ার আহমেদ ও মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী।
২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনার বটমূলে পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় ঘটনাস্থলেই ৯ জন নিহত হন। হাসপাতালে মারা যান আরও একজন। রমনার বটমূলে বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৪ সালের ২৩ জুন রায় দেন বিচারিক আদালত। রায়ে মুফতি হান্নানসহ আটজনের মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রায়ের পর আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথিপত্র পাঠানো হয় হাইকোর্টে। অন্যদিকে কারাগারে থাকা আসামিরা পৃথক আপিল ও জেল আপিল করেন।
মুফতি হান্নান ছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন—আকবর হোসেন, আরিফ হাসান সুমন, মো. তাজউদ্দিন, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, আবদুল হাই ও শফিকুর রহমান। তবে অপর এক মামলায় মুফতি হান্নানের মৃত্যুদণ্ড ইতিমধ্যে কার্যকর হয়েছে।
বিচারিক আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—শাহাদাত উল্লাহ জুয়েল, সাব্বির, শেখ ফরিদ, আবদুর রউফ, ইয়াহিয়া ও আবু তাহের।
এদিকে রায়ের পর থেকে পলাতক রয়েছেন মো. তাজউদ্দিন ও হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর।

রাজধানীর মগবাজার ও জুরাইন এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেলে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৩১ মিনিট আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও সাফিকুর রহমানের উত্তরার বাসায় এক শিশু গৃহকর্মীকে নিয়মিত নির্যাতন করা হতো বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ওই বাসারই আরেক গৃহকর্মী সুফিয়া বেগম। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নির্যাতনের কথা স্বীকার করলেও আদালতে জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি...
১ ঘণ্টা আগে
জামালপুরে পুলিশ চেকপোস্টে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলচালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত পাঁচ বছরের এক শিশুকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহত তিনজনই সম্পর্কে বাবা-ছেলে।
১ ঘণ্টা আগে
বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে—দেশের মর্যাদা ও স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি স্থিতিশীল ও সম্মানজনক অবস্থান নিশ্চিত করা। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি শুধু নয়, সকল নীতিই পরিচালিত হবে ও প্রতিফলিত হবে—সবার আগে বাংলাদেশ নিয়ে।
২ ঘণ্টা আগে