নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
রাজধানীর মালিবাগে জে এস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে খতনা করাতে গিয়ে শিশু আহনাফের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসক এস এম মুক্তাদির ও মাহাবুব মোরশেদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৩ মে দিন ধার্য করা হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান এই তারিখ ধার্য করেন।
তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আজ দিন ধার্য ছিল। কিন্তু প্রতিবেদন দাখিল না করায় আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেন।
মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে শিশু মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটে। মারা যাওয়া শিশুর নাম আহনাফ তাহমিন আয়হাম (১০)। বাবার নাম ফখরুল আলম। সে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ত।
এ ঘটনায় শিশুর বাবা মোহাম্মদ ফখরুল আলম বাদী হয়ে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন। মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩/৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহনাফকে সুন্নতে খাতনা করানোর জন্য তার বাবা ফখরুল আলম জেএস হাসপাতালের চিকিৎসক এস এম মুক্তাদিরের কাছে নিয়ে যান। তিনি ওই সময় কিছু টেস্ট লিখে দেন। ওই হাসপাতালেই টেস্টগুলো করে ছেলেকে নিয়ে বাসায় চলে যান। রাতে চিকিৎসক ফোন করে জানান, রিপোর্টগুলো ভালো আছে। সুন্নতে খাতনা করতে কোনো সমস্যা নেই।
পরদিন ২০ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ৮টায় ছেলেকে সুন্নতে খাতনা করানোর জন্য স্ত্রী খায়রুন নাহারকে সঙ্গে নিয়ে তিনি হাসপাতালে যান। পরে ছেলেকে অপারেশন থিয়েটার নিয়ে যাওয়া হয়। আসামিরা জানান তাদের ২০-২৫ মিনিট সময় লাগবে। তখন আহনাফের বাবা-মা বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন।
৩০-৩৫ মিনিট পর ওটি রুমের দরজায় নক করলে তারা জানান, আরও কিছুক্ষণ সময় লাগবে। এভাবে এক ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পর আহনাফের বাবা ফখরুল ওটি রুমে প্রবেশ করতে চাইলে তাকে নিষেধ করা হয় এবং আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে বলা হয়।
পরে সন্দেহ হলে ফখরুল জোর করে ওটি রুমে প্রবেশ করেন। সেখানে দেখতে পান, তার ছেলে অচেতন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তার বুকে হাত দিয়ে চাপাচাপি করছে এবং নাকে ও মুখে নল দিয়ে রক্ত বের হওয়া অবস্থায় দেখেন। তখন চিকিৎসক এস এম মুক্তাদিরকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি সঠিক উত্তর দেননি। ছেলের এই অবস্থা দেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইলে তারা কর্ণপাত না করে নিজেরাই ছেলের দেহে বুকে চাপাচাপি, হাত-পা মালিশ করতে থাকেন।
তখন জোর করে তাকে ওটি রুম থেকে বের করে দেওয়া হয়। দুই ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও তারা ছেলের বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সঠিক তথ্য না দিয়ে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। পরে জোর করে ওটি রুমে প্রবেশ করে ফখরুল জানতে পারেন তার ছেলে আহনাফ তামহিদ মারা গেছেন।
রাজধানীর মালিবাগে জে এস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে খতনা করাতে গিয়ে শিশু আহনাফের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসক এস এম মুক্তাদির ও মাহাবুব মোরশেদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৩ মে দিন ধার্য করা হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান এই তারিখ ধার্য করেন।
তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আজ দিন ধার্য ছিল। কিন্তু প্রতিবেদন দাখিল না করায় আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেন।
মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে শিশু মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটে। মারা যাওয়া শিশুর নাম আহনাফ তাহমিন আয়হাম (১০)। বাবার নাম ফখরুল আলম। সে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ত।
এ ঘটনায় শিশুর বাবা মোহাম্মদ ফখরুল আলম বাদী হয়ে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন। মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩/৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহনাফকে সুন্নতে খাতনা করানোর জন্য তার বাবা ফখরুল আলম জেএস হাসপাতালের চিকিৎসক এস এম মুক্তাদিরের কাছে নিয়ে যান। তিনি ওই সময় কিছু টেস্ট লিখে দেন। ওই হাসপাতালেই টেস্টগুলো করে ছেলেকে নিয়ে বাসায় চলে যান। রাতে চিকিৎসক ফোন করে জানান, রিপোর্টগুলো ভালো আছে। সুন্নতে খাতনা করতে কোনো সমস্যা নেই।
পরদিন ২০ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ৮টায় ছেলেকে সুন্নতে খাতনা করানোর জন্য স্ত্রী খায়রুন নাহারকে সঙ্গে নিয়ে তিনি হাসপাতালে যান। পরে ছেলেকে অপারেশন থিয়েটার নিয়ে যাওয়া হয়। আসামিরা জানান তাদের ২০-২৫ মিনিট সময় লাগবে। তখন আহনাফের বাবা-মা বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন।
৩০-৩৫ মিনিট পর ওটি রুমের দরজায় নক করলে তারা জানান, আরও কিছুক্ষণ সময় লাগবে। এভাবে এক ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পর আহনাফের বাবা ফখরুল ওটি রুমে প্রবেশ করতে চাইলে তাকে নিষেধ করা হয় এবং আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে বলা হয়।
পরে সন্দেহ হলে ফখরুল জোর করে ওটি রুমে প্রবেশ করেন। সেখানে দেখতে পান, তার ছেলে অচেতন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তার বুকে হাত দিয়ে চাপাচাপি করছে এবং নাকে ও মুখে নল দিয়ে রক্ত বের হওয়া অবস্থায় দেখেন। তখন চিকিৎসক এস এম মুক্তাদিরকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি সঠিক উত্তর দেননি। ছেলের এই অবস্থা দেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইলে তারা কর্ণপাত না করে নিজেরাই ছেলের দেহে বুকে চাপাচাপি, হাত-পা মালিশ করতে থাকেন।
তখন জোর করে তাকে ওটি রুম থেকে বের করে দেওয়া হয়। দুই ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও তারা ছেলের বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সঠিক তথ্য না দিয়ে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। পরে জোর করে ওটি রুমে প্রবেশ করে ফখরুল জানতে পারেন তার ছেলে আহনাফ তামহিদ মারা গেছেন।
বগুড়ায় জামিনে মুক্তি পাওয়া আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার সিধইল সড়কে তিনি হামলার শিকার হন।
৮ মিনিট আগেনরসিংদীর মনোহরদীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের শাবলের আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার চরমান্দালিয়া ইউনিয়নের সাতপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম কাজল মিয়া (৫৭)। অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন বাদল মিয়া। তাঁরা একই এলাকার মৃত আছির উদ্দিনের ছেলে।
১২ মিনিট আগেআজ শুক্রবার সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ওয়াশ পিটে রাখা পুড়ে যাওয়া পাওয়ার কারটি পরিদর্শনে এসেছিলেন রেলওয়ে মহাপরিচালক। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।
৩৬ মিনিট আগেচট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তাসনীম ইসলাম প্রেমাও (১৮) পরিবারের সবার মতো না ফেরার দেশে চলে গেছেন। আজ শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই কলেজছাত্রী মারা যান।
১ ঘণ্টা আগে