রাজধানীর ডেমরার বাঁশেরপুল এলাকায় একটি স্টিল মিলে বিস্ফোরণে ৭ জন আহত ও দগ্ধ হয়েছেন। তাঁদেরকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট নিয়ে আসা হয়েছে।
আজ শনিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে বাঁশেরপুল জহির স্টিল অ্যান্ড রি-রোলিং মিলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই তাঁদেরকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আহতরা হলেন তরিকুল ইসলাম (৩২), সুজন (২৫), আমিনুল ইসলাম (২৫), দগ্ধরা হলেন, রনি (৩০), কাঞ্চন (২৮), দিপন দাস (৩০) ও শফিকুল ইসলাম (২৭)
তাঁদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা স্টিল মিলের সুপারভাইজার মো. সাকিব খান বলেন, রাতে স্টিল মিলে গিয়ার যন্ত্রে ত্রুটি দেখা দেয়। সে কারণে ওই সাতজনের মেকানিক্যাল টিম যন্ত্রটি মেরামত করছিলেন। এ সময় সেই গিয়ার যন্ত্রটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে সেখানে উপস্থিত সবাই আহত ও দগ্ধ হন।
আহত মেকানিক্যাল শিফট ইনচার্জ তরিকুল ইসলাম জানান, তিনিসহ তাঁর টিম নিয়ে গিয়ার যন্ত্রটি খুলছিলেন। এ সময় যন্ত্রটি অতিরিক্ত হিটের কারণে বিস্ফোরণ ঘটে। তখন খুব কাছাকাছি থাকায় তিনি নিজে সুজন ও আমিনুল নামে আরেকজনের বুকে, হাতে আঘাত লাগে। আর কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে থাকা বাকিদের শরীরে বিস্ফোরণে গরম বাতাস গিয়ে লাগে।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, আহত তিনজনকে ঢাকা মেডিকেলে এবং বাকি চারজনকে বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত। ঘটনাটি ডেমরা থানায় জানানো হয়েছে।

আপনাদের দেখার দরকার নেই—কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ, কে জামায়াত করে। কেউ যদি দোষী হয় তাকে আইনের আওতায় আনুন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। গত ১৭ বছরে দেশে যা হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে চাই না।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বেইলি রোডে ঝলমলে আলোকসজ্জার দোকান আর বিলাসী ইফতার আয়োজনে ব্যস্ত বিক্রেতা। ক্রেতার ভিড়ও বেশ। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে জমে উঠেছে এখানকার ইফতার বাজার। প্রতিবারের মতো এবারও বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টে নানান পদের ইফতারসামগ্রীর দেখা মিলেছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজার ও জুরাইন এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেলে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও সাফিকুর রহমানের উত্তরার বাসায় এক শিশু গৃহকর্মীকে নিয়মিত নির্যাতন করা হতো বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ওই বাসারই আরেক গৃহকর্মী সুফিয়া বেগম। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নির্যাতনের কথা স্বীকার করলেও আদালতে জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি...
২ ঘণ্টা আগে