
গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন মোগরখাল এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে আরও একজন নারী মারা গেছেন। মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এর আগের দিন সোমবার সকালে আরেক নারী দগ্ধ হয়ে মারা যান।
মারা যাওয়া নারীর নাম তাসলিমা আক্তার (৩০)। তিনি শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানার বাইগরপাড়া গ্রামের কাশেম আলীর মেয়ে। তাসলিমার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তিনি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
এর আগে সোমবার সকালে সীমা আক্তার (৩০) নামে আরেক নারীর মৃত্যু হয়। রাজধানীর শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেলিম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত রোববার রাত ৮টার দিকে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন মোগরখাল মোল্লা মার্কেট এলাকায় আব্দুর রহিমের বাড়িতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে। এতে নারী ও শিশুসহ পাঁচজন দগ্ধ হন। আহতদের প্রথমে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।
দগ্ধ অন্য তিনজন হলেন পারভিন আক্তার (৩৫), তাঁর দেড় বছরের ছেলে আয়ান ও তানজিলা (১০)। তারা সবাই ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া।
এসআই সেলিম হোসেন জানান, গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে পাঁচজন দগ্ধ হয়। তাদের মধ্যে দুজন মারা গেছে। বাকি তিনজন ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

চর্চা ও সংরক্ষণের অভাবে শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়সংলগ্ন অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর কয়েকটি মাতৃভাষা হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি, শিক্ষক ও গবেষকেরা এসব ভাষা রক্ষায় সমন্বিত ও কার্যকর সরকারি উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
৯ মিনিট আগে
বন্ধ থাকা শিল্পকারখানা দ্রুতই চালু করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সিলেটের জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বসে পরিকল্পনা করব। কাজের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের সক্ষমতা প্রমাণ করব।’
২ ঘণ্টা আগে
যশোরের শার্শায় পল্লিচিকিৎসক আলামিন হত্যার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। তবে আজ শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত আলামিনের দুই স্ত্রীসহ চারজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আপনাদের দেখার দরকার নেই—কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ, কে জামায়াত করে। কেউ যদি দোষী হয় তাকে আইনের আওতায় আনুন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। গত ১৭ বছরে দেশে যা হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে চাই না।
৬ ঘণ্টা আগে