বাগেরহাট ও চিতলমারী প্রতিনিধি
বাগেরহাটের দুই উপজেলায় ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হন। আজ মঙ্গলবার কচুয়া ও চিতলমারী উপজেলায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
দুপুরে কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি গঠন নিয়ে দেপাড়া বাজার এলাকায় দুজন সভাপতি প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ধোপাখালী ইউনিয়ন সভাপতি প্রার্থী মো. লিয়াকত হোসেনসহ অন্তত ১৫ জন গুরুতর আহত হন। লিয়াকতকে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালে এবং লিয়াকতের ভাই শওকত হোসেন ও যুবদল নেতা জুয়েল রানাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
লিয়াকত হোসেনের অভিযোগ, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আফজাল হাওলাদারের নেতৃত্বে আব্দুল কাদের, আলমগীর, শিমুল, শ্রমিক লীগ নেতা সুমন, আফজাল হাওলাদার, হেদায়েত, ইস্কান্দার, ফজু, হুমায়ুন ইশারাতসহ ২৫-৩০ জন তাঁদের ওপর হামলা করেন। এতে তিনিসহ ১৫ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
হামলার বিষয় অস্বীকার করে আফজাল হোসেন বলেন, ‘এই হামলার সঙ্গে আমি বা আমার অনুসারী কোনো নেতা-কর্মী জড়িত না।’
কচুয়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব এস এম তৌহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হামলার খবর শুনেছি। বিএনপির দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে দোষীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে হামলার বিষয়ে কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে আজ দুপুরে চিতলমারী উপজেলায় কলাতলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে চরচিংগুড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় কিবির মাস্টার ও মোস্তাফিজুর রহমান কচির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, টুঙ্গিপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এ ঘটনায় পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।
সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জনের নাম জানা গেছে। তাঁরা হলেন কিবির মাস্টার পক্ষের আরিফুজ্জামান (৪৫), দবির শেখ (৪০), ভুলু মোল্লা (৫০) ও আব্দুল আলী (৩০)। মোস্তাফিজুর রহমান কচির পক্ষের আহত ব্যক্তিরা হলেন খাদিজা বেগম (২৯), ইউনুছ শেখ (৫৫), ওসমান শেখ (৪০), কদম আলী (৪৫) ও শাহিদা বেগম (৩৫)। আরিফুজ্জামান ও খাদিজা বেগমের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
কিবির মাস্টারের অভিযোগ, মোস্তাফিজুর রহমান কচির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হামলা করেছেন। এতে তাঁর পক্ষের ৬-৭ জন জখম হয়েছেন।
মোস্তাফিজুর রহমান কচি বলেন, কমিটির নির্বাচনে আমার পক্ষের লোকজন জয়লাভ করেছেন। এমনটা শুনতে পেরে কিবির মাস্টারের লোকজন হামলা চালিয়ে আমার পক্ষের ৭-৮ জনকে গুরুতর জখম করেছেন।
চিতলমারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোমিনুল হক টুলু বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সম্মেলন কেন্দ্রের ৫০০ গজের মধ্যে কোনো ঘটনা ঘটেনি। কলাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি প্রার্থী কিবির মাস্টারের ছেলে ও তাঁর লোকজনের ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ঘরানার লোকজনও জড়িত। যদি বিএনপির লোকজন জড়িত থাকেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।’
চিতলমারী থানার ওসি এস এম শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের লোকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাগেরহাটের দুই উপজেলায় ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হন। আজ মঙ্গলবার কচুয়া ও চিতলমারী উপজেলায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
দুপুরে কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি গঠন নিয়ে দেপাড়া বাজার এলাকায় দুজন সভাপতি প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ধোপাখালী ইউনিয়ন সভাপতি প্রার্থী মো. লিয়াকত হোসেনসহ অন্তত ১৫ জন গুরুতর আহত হন। লিয়াকতকে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালে এবং লিয়াকতের ভাই শওকত হোসেন ও যুবদল নেতা জুয়েল রানাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
লিয়াকত হোসেনের অভিযোগ, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আফজাল হাওলাদারের নেতৃত্বে আব্দুল কাদের, আলমগীর, শিমুল, শ্রমিক লীগ নেতা সুমন, আফজাল হাওলাদার, হেদায়েত, ইস্কান্দার, ফজু, হুমায়ুন ইশারাতসহ ২৫-৩০ জন তাঁদের ওপর হামলা করেন। এতে তিনিসহ ১৫ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
হামলার বিষয় অস্বীকার করে আফজাল হোসেন বলেন, ‘এই হামলার সঙ্গে আমি বা আমার অনুসারী কোনো নেতা-কর্মী জড়িত না।’
কচুয়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব এস এম তৌহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হামলার খবর শুনেছি। বিএনপির দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে দোষীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে হামলার বিষয়ে কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে আজ দুপুরে চিতলমারী উপজেলায় কলাতলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে চরচিংগুড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় কিবির মাস্টার ও মোস্তাফিজুর রহমান কচির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, টুঙ্গিপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এ ঘটনায় পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।
সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জনের নাম জানা গেছে। তাঁরা হলেন কিবির মাস্টার পক্ষের আরিফুজ্জামান (৪৫), দবির শেখ (৪০), ভুলু মোল্লা (৫০) ও আব্দুল আলী (৩০)। মোস্তাফিজুর রহমান কচির পক্ষের আহত ব্যক্তিরা হলেন খাদিজা বেগম (২৯), ইউনুছ শেখ (৫৫), ওসমান শেখ (৪০), কদম আলী (৪৫) ও শাহিদা বেগম (৩৫)। আরিফুজ্জামান ও খাদিজা বেগমের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
কিবির মাস্টারের অভিযোগ, মোস্তাফিজুর রহমান কচির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হামলা করেছেন। এতে তাঁর পক্ষের ৬-৭ জন জখম হয়েছেন।
মোস্তাফিজুর রহমান কচি বলেন, কমিটির নির্বাচনে আমার পক্ষের লোকজন জয়লাভ করেছেন। এমনটা শুনতে পেরে কিবির মাস্টারের লোকজন হামলা চালিয়ে আমার পক্ষের ৭-৮ জনকে গুরুতর জখম করেছেন।
চিতলমারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোমিনুল হক টুলু বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সম্মেলন কেন্দ্রের ৫০০ গজের মধ্যে কোনো ঘটনা ঘটেনি। কলাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি প্রার্থী কিবির মাস্টারের ছেলে ও তাঁর লোকজনের ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ঘরানার লোকজনও জড়িত। যদি বিএনপির লোকজন জড়িত থাকেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।’
চিতলমারী থানার ওসি এস এম শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের লোকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরগুনার আমতলী উপজেলার আঠারগাছিয়া ইউনিয়নের ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহিদ মাস্টারের নেতৃত্বে রাতের আঁধারে আঠারগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তিন যুগেরও বেশি সময় থাকা একটি দোকানকে সরিয়ে রাস্তায় ফেলে রেখে আরও একটি দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে ওই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
৪ ঘণ্টা আগেবরিশাল নগরের শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য ৯ বছর আগে উদ্বোধন হয় গ্রিন সিটি পার্ক। ঐতিহাসিক বেলস পার্কের পাশে এ পার্কটি চালুর পর থেকেই আট বছর পর্যন্ত সব শিশুর জন্য ছিল উন্মুক্ত। কিন্তু ঈদুল ফিতরের দিন থেকে দুই বছর বয়সীদেরও পার্কে প্রবেশের জন্য গুনতে হচ্ছে ১০ টাকা।
৪ ঘণ্টা আগেচট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় প্রকল্প বে টার্মিনাল নির্মাণের কাজ নতুন করে গতি পাচ্ছে। ব্রেকওয়াটার, নেভিগেশন অ্যাকসেস চ্যানেল তৈরি এবং রেল ও সড়ক সংযোগসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের মতো বড় তিনটি কাজকে একটি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগেভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নে জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন হত্যার ঘটনায় বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে মামলা করা হয়েছে। নিহত জামাল উদ্দিনের ছেলে লিটন বাদী হয়ে ২১ জনকে আসামি করে ভোলা সদর মডেল থানায় এ মামলা করেন। এদিকে বিএনপি নেতা হত্যার ঘটনায় পুলিশ ৪ জনকে গ্রেপ্তার...
৭ ঘণ্টা আগে