
নেত্রকোনার মদনে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে ট্রলির সংঘর্ষে হাফিজুর রহমান (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটো চালকসহ চারজন আহত হয়েছেন।
আজ শনিবার বেলা ১টার দিকে মদন-কেন্দুয়া সড়কের বৈশ্যবাড়ি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হাফিজুর কেন্দুয়া উপজেলার চিতুলিয়া গ্রামের মৃত খোদে নেওয়াজের ছেলে।
আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাঈম মুহাম্মদ নাহিদ হাসান বলেন, নিহত ব্যক্তির লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে কেন্দুয়া থেকে মদনে যাচ্ছিল। অপরদিকে মদন থেকে মাল বোঝাই শ্যালো মেশিনচালিত একটি ট্রলি মদন থেকে কেন্দুয়ার দিকে যাচ্ছিল। পথে বৈশ্যবাড়ি নামক স্থানে দুটি যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার যাত্রী হাফিজুর রহমান মারা যান। আহত হয় অটোচালক তামিম (৩০), যাত্রী রহিমা আক্তার (৫০), লাখি আক্তার (৩০) ও মিনতী (১৩)।
স্থানীয় লোকজন আহতদেরকে উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। আহত অটোচালক তামিম, যাত্রী রহিমা আক্তার ও লাখি আক্তারের অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আপনাদের দেখার দরকার নেই—কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ, কে জামায়াত করে। কেউ যদি দোষী হয় তাকে আইনের আওতায় আনুন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। গত ১৭ বছরে দেশে যা হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে চাই না।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বেইলি রোডে ঝলমলে আলোকসজ্জার দোকান আর বিলাসী ইফতার আয়োজনে ব্যস্ত বিক্রেতা। ক্রেতার ভিড়ও বেশ। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে জমে উঠেছে এখানকার ইফতার বাজার। প্রতিবারের মতো এবারও বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টে নানান পদের ইফতারসামগ্রীর দেখা মিলেছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজার ও জুরাইন এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেলে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও সাফিকুর রহমানের উত্তরার বাসায় এক শিশু গৃহকর্মীকে নিয়মিত নির্যাতন করা হতো বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ওই বাসারই আরেক গৃহকর্মী সুফিয়া বেগম। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নির্যাতনের কথা স্বীকার করলেও আদালতে জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি...
২ ঘণ্টা আগে