রিমন রহমান, রাজশাহী
গ্রাম থেকে চাচাতো ভাইকে এনে প্রায় কোটি টাকার কাজ করাচ্ছেন রাজশাহীর পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত। এর মধ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩০টি বাড়িই নির্মাণ করাচ্ছেন ৯১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে। এ ছাড়া ডরমিটরি ও শিল্পকলা একাডেমি অফিস সংস্কারের কাজও করছেন ইউএনওর চাচাতো ভাই রাজীব রনক। এদিকে ঘরগুলো নির্মাণের ইট একটি ভাটায় পুকুর কাটতে দেওয়ার জন্য ঘুষ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের এই ঘর নির্মাণ দরপত্র প্রক্রিয়ায় ঠিকাদারের মাধ্যমে হয় না। একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসনই কাজটি বাস্তবায়ন করে। এই কমিটির আহ্বায়ক ইউএনও। আর সদস্যসচিব থাকেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)। এ ছাড়া কমিটিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের থাকার কথা। কিন্তু কমিটির অংশগ্রহণ ছাড়াই চাচাতো ভাইকে এনে কাজ করাচ্ছেন ইউএনও আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত। নির্মাণ শেষ হতে চললেও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির কোনো সভাও হয়নি।
পবা উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা এলাকায় অনেক আগেই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩০টি বাড়ি নির্মাণ হয়েছিল। ঘরগুলো ছিল টিন দিয়ে তৈরি। এগুলো বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাওয়ায় ইট দিয়ে বাড়ি তৈরির প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের অর্থ দেয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। প্রতিটি বাড়ির জন্য বরাদ্দ তিন লাখ পাঁচ হাজার টাকা। গত অর্থবছরের এই কাজ শুরু হয়েছে জুন মাসে। বর্তমানে কাজ প্রায় শেষের দিকে। নিম্নমানের কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়েও অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
সরেজমিন দেখা যায়, পিলারের ওপরের অংশে শুধু একটি করে রড দেখা যাচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, পিলারের নিচে পুটিং ঢালাই দেওয়ার নিয়ম থাকলেও সেটিও করা হয়নি। নির্মাণের কিছুদিনের মধ্যেই এসব পিলার ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় লোকজন জানান, নিম্নমানের কাজ তাঁরা দেখছেন। ঘরগুলো নির্মাণে বরাদ্দের অন্তত অর্ধেক টাকা লুটপাট হচ্ছে। কিন্তু ইউএনওর চাচাতো ভাই রাজীব রনক কাজ করছেন বলে তাঁরা প্রতিবাদ করার সাহস পান না।
উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইউএনও আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাতের গ্রামের বাড়ি নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়। প্রায় এক বছর আগে তিনি পবার ইউএনও হিসেবে যোগ দেন। কিছুদিন পরই তিনি গ্রাম থেকে চাচাতো ভাই রাজীব রনককে নিয়ে আসেন। রনক এখন উপজেলা ক্যাম্পাসে ইউএনওর সরকারি বাসভবনেই থাকেন। এখন ইউএনও সব নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ তাঁর চাচাতো ভাইকে দিয়েই করান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী জানান, কাশিয়াডাঙ্গার ওই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩০টি ঘর নির্মাণের জন্য ইটও ঘুষ নেওয়া হয়েছে পবার হরিয়ান এলাকার একটি ইটভাটা থেকে। ওই ইটভাটার ভেতর মালিক এবং অন্য এক ব্যক্তিকে তিনটি পুকুর খনন করতে দেওয়ার বিনিময়ে ওই ইট ঘুষ নেওয়া হয়। ইট ঘুষ দিয়ে ইতিমধ্যে ওই ভাটার ভেতরে আইন লঙ্ঘন করে একটি পুকুর কাটা শেষ হয়েছে। যোগাযোগ করা হলে ইটভাটার মালিক মো. রুনু মোবাইল ফোনে কথা বলতে রাজি হননি।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো নির্মাণের ব্যাপারে মোবাইল ফোনে প্রথমে ছদ্মবেশে কথা হয় ইউএনওর চাচাতো ভাই রনকের সঙ্গে। তিনি তখন স্বীকার করেন, ঘরগুলো নির্মাণের কাজ তিনি একাই করাচ্ছেন। এ সময় রড লাগবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাজ শেষ পর্যায়ে। এখন আর রড লাগবে না। পরে পরিচয় দিয়ে এ বিষয়ে জানতে চাইলে রনক বলেন, চাচাতো ভাইয়ের কাছে বেড়াতে এসে তিনি শুধু কাজটি দেখাশোনা করছেন। নিম্নমানের কাজের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা কর্মকর্তারা দেখবেন।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের এই ৩০টি ঘর নির্মাণের বিষয়ে কোনো সভা হয়েছে কি না জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু বাশির কোনো মন্তব্য করতে চাননি। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি হয়েছে কি না সে বিষয়েও তিনি কোনো কথা বলবেন না বলে জানিয়েছেন। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি হলে এই কর্মকর্তারই সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালনের কথা।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি বাদ দিয়ে চাচাতো ভাইকে দিয়ে কাজ করানোর বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত বলেন, ‘এটা সত্য নয়। কাজ কমিটির মাধ্যমেই করা হচ্ছে। আমার চাচাতো ভাই কাজ করবে কেন? ও কিছুদিনের জন্য বেড়াতে এসেছে। কাজ করছে মিস্ত্রি।’ ডরমিটরি ও শিল্পকলা একাডেমি সংস্কার চাচাতো ভাইকে দিয়ে করানোর অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও বলেন, ‘এটাও সত্য না। কে বলেছে এসব কথা?’
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক (ডিসি) শামীম আহমেদকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘কাজটা যদি ঠিকাদারের মাধ্যমে হতো এবং ইউএনওর চাচাতো ভাই যদি যোগ্যতাসম্পন্ন বৈধ ঠিকাদার হতেন, তাহলে কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্তু যেহেতু কাজটা দরপত্র প্রক্রিয়ায় ঠিকাদারের মাধ্যমে হচ্ছে না, সেহেতু তিনি চাচাতো ভাইকে দিয়ে কাজ করাতে পারেন না। এ বিষয়ে প্রমাণ পাওয়া গেলে আমি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
আরও খবর পড়ুন:
গ্রাম থেকে চাচাতো ভাইকে এনে প্রায় কোটি টাকার কাজ করাচ্ছেন রাজশাহীর পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত। এর মধ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩০টি বাড়িই নির্মাণ করাচ্ছেন ৯১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে। এ ছাড়া ডরমিটরি ও শিল্পকলা একাডেমি অফিস সংস্কারের কাজও করছেন ইউএনওর চাচাতো ভাই রাজীব রনক। এদিকে ঘরগুলো নির্মাণের ইট একটি ভাটায় পুকুর কাটতে দেওয়ার জন্য ঘুষ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের এই ঘর নির্মাণ দরপত্র প্রক্রিয়ায় ঠিকাদারের মাধ্যমে হয় না। একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসনই কাজটি বাস্তবায়ন করে। এই কমিটির আহ্বায়ক ইউএনও। আর সদস্যসচিব থাকেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)। এ ছাড়া কমিটিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের থাকার কথা। কিন্তু কমিটির অংশগ্রহণ ছাড়াই চাচাতো ভাইকে এনে কাজ করাচ্ছেন ইউএনও আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত। নির্মাণ শেষ হতে চললেও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির কোনো সভাও হয়নি।
পবা উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা এলাকায় অনেক আগেই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩০টি বাড়ি নির্মাণ হয়েছিল। ঘরগুলো ছিল টিন দিয়ে তৈরি। এগুলো বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাওয়ায় ইট দিয়ে বাড়ি তৈরির প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের অর্থ দেয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। প্রতিটি বাড়ির জন্য বরাদ্দ তিন লাখ পাঁচ হাজার টাকা। গত অর্থবছরের এই কাজ শুরু হয়েছে জুন মাসে। বর্তমানে কাজ প্রায় শেষের দিকে। নিম্নমানের কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়েও অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
সরেজমিন দেখা যায়, পিলারের ওপরের অংশে শুধু একটি করে রড দেখা যাচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, পিলারের নিচে পুটিং ঢালাই দেওয়ার নিয়ম থাকলেও সেটিও করা হয়নি। নির্মাণের কিছুদিনের মধ্যেই এসব পিলার ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় লোকজন জানান, নিম্নমানের কাজ তাঁরা দেখছেন। ঘরগুলো নির্মাণে বরাদ্দের অন্তত অর্ধেক টাকা লুটপাট হচ্ছে। কিন্তু ইউএনওর চাচাতো ভাই রাজীব রনক কাজ করছেন বলে তাঁরা প্রতিবাদ করার সাহস পান না।
উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইউএনও আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাতের গ্রামের বাড়ি নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়। প্রায় এক বছর আগে তিনি পবার ইউএনও হিসেবে যোগ দেন। কিছুদিন পরই তিনি গ্রাম থেকে চাচাতো ভাই রাজীব রনককে নিয়ে আসেন। রনক এখন উপজেলা ক্যাম্পাসে ইউএনওর সরকারি বাসভবনেই থাকেন। এখন ইউএনও সব নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ তাঁর চাচাতো ভাইকে দিয়েই করান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী জানান, কাশিয়াডাঙ্গার ওই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩০টি ঘর নির্মাণের জন্য ইটও ঘুষ নেওয়া হয়েছে পবার হরিয়ান এলাকার একটি ইটভাটা থেকে। ওই ইটভাটার ভেতর মালিক এবং অন্য এক ব্যক্তিকে তিনটি পুকুর খনন করতে দেওয়ার বিনিময়ে ওই ইট ঘুষ নেওয়া হয়। ইট ঘুষ দিয়ে ইতিমধ্যে ওই ভাটার ভেতরে আইন লঙ্ঘন করে একটি পুকুর কাটা শেষ হয়েছে। যোগাযোগ করা হলে ইটভাটার মালিক মো. রুনু মোবাইল ফোনে কথা বলতে রাজি হননি।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো নির্মাণের ব্যাপারে মোবাইল ফোনে প্রথমে ছদ্মবেশে কথা হয় ইউএনওর চাচাতো ভাই রনকের সঙ্গে। তিনি তখন স্বীকার করেন, ঘরগুলো নির্মাণের কাজ তিনি একাই করাচ্ছেন। এ সময় রড লাগবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাজ শেষ পর্যায়ে। এখন আর রড লাগবে না। পরে পরিচয় দিয়ে এ বিষয়ে জানতে চাইলে রনক বলেন, চাচাতো ভাইয়ের কাছে বেড়াতে এসে তিনি শুধু কাজটি দেখাশোনা করছেন। নিম্নমানের কাজের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা কর্মকর্তারা দেখবেন।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের এই ৩০টি ঘর নির্মাণের বিষয়ে কোনো সভা হয়েছে কি না জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু বাশির কোনো মন্তব্য করতে চাননি। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি হয়েছে কি না সে বিষয়েও তিনি কোনো কথা বলবেন না বলে জানিয়েছেন। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি হলে এই কর্মকর্তারই সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালনের কথা।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি বাদ দিয়ে চাচাতো ভাইকে দিয়ে কাজ করানোর বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত বলেন, ‘এটা সত্য নয়। কাজ কমিটির মাধ্যমেই করা হচ্ছে। আমার চাচাতো ভাই কাজ করবে কেন? ও কিছুদিনের জন্য বেড়াতে এসেছে। কাজ করছে মিস্ত্রি।’ ডরমিটরি ও শিল্পকলা একাডেমি সংস্কার চাচাতো ভাইকে দিয়ে করানোর অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও বলেন, ‘এটাও সত্য না। কে বলেছে এসব কথা?’
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক (ডিসি) শামীম আহমেদকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘কাজটা যদি ঠিকাদারের মাধ্যমে হতো এবং ইউএনওর চাচাতো ভাই যদি যোগ্যতাসম্পন্ন বৈধ ঠিকাদার হতেন, তাহলে কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্তু যেহেতু কাজটা দরপত্র প্রক্রিয়ায় ঠিকাদারের মাধ্যমে হচ্ছে না, সেহেতু তিনি চাচাতো ভাইকে দিয়ে কাজ করাতে পারেন না। এ বিষয়ে প্রমাণ পাওয়া গেলে আমি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
আরও খবর পড়ুন:
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই পক্ষে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (১৭ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুজনকে আটক করে
৬ ঘণ্টা আগেউত্তরবঙ্গে উপদেষ্টা নিয়োগের দাবিতে দফায় দফায় রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ সমাবেশের পর এবার রাজধানী ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গকে বিচ্ছিন্ন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রংপুরের ছাত্র-জনতা। আগামী তিন দিনের মধ্যে উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া না হলে এ কর্মসূচি পালন করবেন তাঁরা
৭ ঘণ্টা আগেপাবনা শহরে রাতের আঁধারে তুষার হোসেন (১৫) নামের এক কিশোরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ রোববার রাত ৯টার দিকে শহরের খেয়াঘাট রোডে বর্ণমালা কিন্ডারগার্টেনের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
৭ ঘণ্টা আগেটঙ্গীর তুরাগ তীরে আগামী বছর বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব আয়োজন করবেন তাবলিগ জামাতের মাওলানা জুবায়েরপন্থীরা। দ্বিতীয় পর্বের আয়োজন করবেন মাওলানা সাদ কান্ধলভির অনুসারীরা। আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত কার্যবিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে