রাজশাহী: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। গত সোমবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল মঙ্গলববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় তাঁরা মারা যান।
রামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃত আটজনের মধ্যে চারজনের করোনা পজিটিভ ছিল। বাকি চারজন মারা গেছেন করোনার উপসর্গ নিয়ে।
ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, করোনা পজিটিভ হয়ে মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে তিনজনের বাড়ি রাজশাহী। একজনের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। এছাড়া উপসর্গ নিয়ে রাজশাহীর আরও দুজন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুজন মারা গেছেন। মৃত আটজনের মধ্যে তিনজন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ), ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে দুজন এবং ৩৯,২৯ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডে একজন করে মারা গেছেন।
আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মোট ২২৭ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। এর মধ্যে রাজশাহীর ১৩৯ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১০২ জন, নওগাঁর ১৩ জন, নাটোরের ১৭ জন এবং মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গার একজন করে রোগী ভর্তি ছিলেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৩৫ জন। সবচেয়ে বেশি ১৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন রাজশাহীর। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ৯ জন, নাটোরের ৩ জন এবং মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা থেকে ১ জন করে ভর্তি হয়েছেন।
এর আগে গত ২৪ মে ১০ জন, ২৫ মে ৪ জন, ২৬ মে ৪ জন, ২৭ মে ৪ জন, ২৮ মে ৯ জন, ৩০ মে সর্বোচ্চ ১২ জন, ৩১ মে ৪ জন, ১ জুন ৭ জন, ২ জুন ৭ জন, ৩ জুন ৯ জন, ৪ জুন ১৬ জন, ৫ জুন ৮ জন, ৬ জুন ৬ জন, ৭ জুন ৭ জন এবং ৮ জুন ৮ জন মারা গেছেন।

আপনাদের দেখার দরকার নেই—কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ, কে জামায়াত করে। কেউ যদি দোষী হয় তাকে আইনের আওতায় আনুন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। গত ১৭ বছরে দেশে যা হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে চাই না।
১৪ মিনিট আগে
রাজধানীর বেইলি রোডে ঝলমলে আলোকসজ্জার দোকান আর বিলাসী ইফতার আয়োজনে ব্যস্ত বিক্রেতা। ক্রেতার ভিড়ও বেশ। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে জমে উঠেছে এখানকার ইফতার বাজার। প্রতিবারের মতো এবারও বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টে নানান পদের ইফতারসামগ্রীর দেখা মিলেছে।
১৯ মিনিট আগে
রাজধানীর মগবাজার ও জুরাইন এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেলে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও সাফিকুর রহমানের উত্তরার বাসায় এক শিশু গৃহকর্মীকে নিয়মিত নির্যাতন করা হতো বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ওই বাসারই আরেক গৃহকর্মী সুফিয়া বেগম। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নির্যাতনের কথা স্বীকার করলেও আদালতে জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি...
১ ঘণ্টা আগে