
সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা-অগ্নিসংযোগের মামলায় বিএনপির ১৬ নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার বিএনপি নেতা-কর্মীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে স্বেচ্ছায় হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক মো. আলী আহমেদ তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ প্রদান করেন।
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের স্টেনোগ্রাফার রাশেদুল ইসলাম ও পিপি আব্দুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নেতা-কর্মীরা হলেন এনায়েতপুর থানা বিএনপির সদস্যসচিব মনজু শিকদার, যুবদলের আহ্বায়ক জহুরুল ইসলাম জাহিদ, সদস্যসচিব ছাইদুল ইসলাম রাজ, যুগ্ম আহ্বায়ক বছির উদ্দিন, বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লিয়াকত আলী, যুবদলের সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান আতা।
এ ছাড়া সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মিঠু মীর, খুকনী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব নজরুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক ছরো, থানা শ্রমিক দলের সভাপতি ছানোয়ার হোসেন শেখ, বিএনপির কর্মী মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, শহিদ, নুর ইসলাম, আইয়ুব আলী ও এমদাদুল হক।
বিএনপি নেতাদের আইনজীবী হামিদুল ইসলাম দুলাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, থানা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর এনায়েতপুর থানায় দায়ের করা মামলায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা গত ৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পান।
হাইকোর্টের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ (সোমবার) বিএনপির নেতা-কর্মীরা স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে র্যাব আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র্যাবের মহাপরিচালক।
১২ মিনিট আগে
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দিবসটি ঘিরে সোয়াট, ডগ স্কোয়াড, বম্ব ডিসপোজাল টিম ও ক্রাইম সিন ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি ও সাইবার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিন সদস্যের একটি ছিনতাইকারী দল ইদিলপুর ইউনিয়নের মাদারহাট ব্রিজ এলাকায় ছিনতাই করতে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের ধাওয়া করে। দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তাঁরা খোদ্দ মোজাহিদপুর গ্রামে পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে যায়।
৩ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়েছে, ফজুমিয়ার হাট বাজারে দীর্ঘদিন ধরে ওষুধের ব্যবসা করছেন ডা. হারুনুর রশীদ। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁর কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁর মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়। এ সময় তাঁকে মারধর করে জখম করা হয় এবং দাবি করা টাকা না দিলে...
৩ ঘণ্টা আগে