
পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণের কারণে যমুনা নদীর পানি বেড়েছে। তাতে বেশ কিছু নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তবে আগামী দু-এক দিনের মধ্যে পানি কমতে শুরু করবে বলে মনে করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
টানা পাঁচ দিন যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এই সময়ে কাজীপুর পয়েন্টে ৯৩ ও শহর রক্ষা বাঁধ এলাকায় ৯০ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। তাতে নদীর তীরবর্তী অঞ্চল পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। যমুনা নদীর পানি বাড়লেও এখনো বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ পাউবোর পানি পরিমাপক হাসানুজ্জামান বলেন, টানা পাঁচ দিন যমুনা নদীর কাজীপুর ও সদরে পানি বেড়েই চলেছে। ৫ অক্টোবর কাজীপুরে ১৪ সেন্টিমিটার, ৬ অক্টোবর ২৯ সেন্টিমিটার, ৭ অক্টোবর ৩২ সেন্টিমিটার, ৮ অক্টোবর ৯ সেন্টিমিটার এবং আজ বুধবার ৯ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে।
একই সময়ে ৫ অক্টোবর সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের হার্ড পয়েন্ট এলাকায় ১২ সেন্টিমিটার, ৬ অক্টোবর ২৫ সেন্টিমিটার, ৭ অক্টোবর ৩৩ সেন্টিমিটার, ৮ অক্টোবর ১৪ সেন্টিমিটার এবং আজ ৯ অক্টোবর ৬ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে।
হাসানুজ্জামান আরও বলেন, পানি বাড়লেও কাজীপুর মেঘাই ঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ২১৩ এবং সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের হার্ড পয়েন্ট এলাকায় ১৮৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিরাজগঞ্জ পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রণজিৎ কুমার সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে যমুনা নদীতে পানি বাড়ছে। তাতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কাল-পরশু থেকে পানি কমতে শুরু করবে।

বন্ধ থাকা শিল্পকারখানা দ্রুতই চালু করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সিলেটের জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বসে পরিকল্পনা করব। কাজের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের সক্ষমতা প্রমাণ করব।’
১ সেকেন্ড আগে
যশোরের শার্শায় পল্লিচিকিৎসক আলামিন হত্যার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। তবে আজ শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত আলামিনের দুই স্ত্রীসহ চারজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
আপনাদের দেখার দরকার নেই—কে বিএনপি, কে আওয়ামী লীগ, কে জামায়াত করে। কেউ যদি দোষী হয় তাকে আইনের আওতায় আনুন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। গত ১৭ বছরে দেশে যা হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি আমরা দেখতে চাই না।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বেইলি রোডে ঝলমলে আলোকসজ্জার দোকান আর বিলাসী ইফতার আয়োজনে ব্যস্ত বিক্রেতা। ক্রেতার ভিড়ও বেশ। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে জমে উঠেছে এখানকার ইফতার বাজার। প্রতিবারের মতো এবারও বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টে নানান পদের ইফতারসামগ্রীর দেখা মিলেছে।
৩ ঘণ্টা আগে