অনলাইন ডেস্ক
আন্তর্জাতিক বাজারে আজ সোমবার সোনার দাম প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্সে (২.৪৩ ভরি) ৩ হাজার ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতি এবং এর ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা, সেই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের মধ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে সোনার দিকে ঝুঁকছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পট মার্কেটে সোনার দাম বেড়ে প্রতি আউন্সে ৩ হাজার ১০৬ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছেছে, যা নতুন রেকর্ড।
এ বছর সোনার দাম বেশ কয়েকবার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা শুরু থেকে এখনো পর্যন্ত ১৮ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, বিভিন্ন দেশের মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মূল্যস্ফীতির কারণে বিনিয়োগকারীরা সোনাকে নিরাপদ মনে করছেন, এর ফলে সোনার দাম বাড়ছে। চলতি মাসের শুরুতেই সোনার দাম প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্সে ৩ হাজার ডলারের সীমা অতিক্রম করে, যা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সোনার দামের এই ঊর্ধ্বগতি দেখে বিভিন্ন ব্যাংক তাদের পূর্বাভাস পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছে। ওসিবিসি ব্যাংকের বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং শুল্ক নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় নিরাপদ বিনিয়োগ এবং মূল্যস্ফীতি থেকে সুরক্ষার জন্য সোনার চাহিদা আরও বাড়বে। তাঁরা মনে করেন, বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য নিয়ে যে অস্থিরতা চলছে, তাতে সোনার দাম আরও বাড়তে পারে।
গোল্ডম্যান স্যাকস, ব্যাংক অব আমেরিকা এবং ইউবিএস–এর মতো বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও সোনার দামের পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। গোল্ডম্যান স্যাকস–এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ বছরের শেষে সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৩ হাজার ৩০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা তাদের আগের পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি। ব্যাংক অব আমেরিকা ২০২৫ সালে সোনার দাম ৩ হাজার ৬৩ ডলার এবং ২০২৬ সালে ৩ হাজার ৩৫০ ডলার হতে পারে বলে জানিয়েছে, যা তাদের আগের পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে নতুন শুল্ক আরোপের কথা ভাবছেন। এর মধ্যে রয়েছে আমদানি করা গাড়ি ও যন্ত্রাংশের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক এবং চীন থেকে আসা সমস্ত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক। মনে করা হচ্ছে,আগামী ২ এপ্রিল তিনি এই নতুন শুল্ক ঘোষণা করতে পারেন।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক আর্থিক সেবা সংস্থা মারেক্স–এর পরামর্শক এডওয়ার্ড মেয়ার বলেছেন, শুল্ক নিয়ে যে অস্থিরতা চলছে, তার অবসান না হওয়া পর্যন্ত সোনার দাম বাড়তেই থাকবে।
তবে শুধু শুল্ক নয়, বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সোনার চাহিদা বৃদ্ধি এবং এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ডে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কারণেও সোনার দাম বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আন্তর্জাতিক বাজারে আজ সোমবার সোনার দাম প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্সে (২.৪৩ ভরি) ৩ হাজার ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতি এবং এর ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা, সেই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের মধ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে সোনার দিকে ঝুঁকছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পট মার্কেটে সোনার দাম বেড়ে প্রতি আউন্সে ৩ হাজার ১০৬ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছেছে, যা নতুন রেকর্ড।
এ বছর সোনার দাম বেশ কয়েকবার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা শুরু থেকে এখনো পর্যন্ত ১৮ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, বিভিন্ন দেশের মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মূল্যস্ফীতির কারণে বিনিয়োগকারীরা সোনাকে নিরাপদ মনে করছেন, এর ফলে সোনার দাম বাড়ছে। চলতি মাসের শুরুতেই সোনার দাম প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্সে ৩ হাজার ডলারের সীমা অতিক্রম করে, যা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সোনার দামের এই ঊর্ধ্বগতি দেখে বিভিন্ন ব্যাংক তাদের পূর্বাভাস পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছে। ওসিবিসি ব্যাংকের বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং শুল্ক নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় নিরাপদ বিনিয়োগ এবং মূল্যস্ফীতি থেকে সুরক্ষার জন্য সোনার চাহিদা আরও বাড়বে। তাঁরা মনে করেন, বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য নিয়ে যে অস্থিরতা চলছে, তাতে সোনার দাম আরও বাড়তে পারে।
গোল্ডম্যান স্যাকস, ব্যাংক অব আমেরিকা এবং ইউবিএস–এর মতো বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও সোনার দামের পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। গোল্ডম্যান স্যাকস–এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ বছরের শেষে সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৩ হাজার ৩০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা তাদের আগের পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি। ব্যাংক অব আমেরিকা ২০২৫ সালে সোনার দাম ৩ হাজার ৬৩ ডলার এবং ২০২৬ সালে ৩ হাজার ৩৫০ ডলার হতে পারে বলে জানিয়েছে, যা তাদের আগের পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে নতুন শুল্ক আরোপের কথা ভাবছেন। এর মধ্যে রয়েছে আমদানি করা গাড়ি ও যন্ত্রাংশের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক এবং চীন থেকে আসা সমস্ত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক। মনে করা হচ্ছে,আগামী ২ এপ্রিল তিনি এই নতুন শুল্ক ঘোষণা করতে পারেন।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক আর্থিক সেবা সংস্থা মারেক্স–এর পরামর্শক এডওয়ার্ড মেয়ার বলেছেন, শুল্ক নিয়ে যে অস্থিরতা চলছে, তার অবসান না হওয়া পর্যন্ত সোনার দাম বাড়তেই থাকবে।
তবে শুধু শুল্ক নয়, বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সোনার চাহিদা বৃদ্ধি এবং এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ডে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কারণেও সোনার দাম বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বুধবার এক ঘোষণায় বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর উচ্চ হারে নতুন শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের এ তালিকায় বাদ পড়েনি বাংলাদেশের নামও। ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশি পণ্যের ওপর বাড়তি ৩৭ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগেযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন, তখন ধারণা করা হয়েছিল, তিনি এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারেন। তবে তা হলো না। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় গত বুধবার বিকেলে হোয়াইট হাউস থেকে নতুন শুল্ক ঘোষণা করলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগেমার্কিন শেয়ারবাজারে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রি-মার্কেট ট্রেডিংয়ে ক্রিপ্টোসংশ্লিষ্ট স্টকগুলো বড় ধরনের পতনের মুখে পড়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বশেষ শুল্ক আরোপের ঘোষণা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে, বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য উত্তেজনা বাড়িয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদগুলোর বিক্রির ব্যাপক...
৩ ঘণ্টা আগেট্রাম্পের ঘোষণার পর প্রাথমিক লেনদেনে এসঅ্যান্ডপি-৫০০ সূচক ৩ দশমিক ৩ শতাংশ পড়ে গেছে, যা অন্যান্য প্রধান শেয়ারবাজারের তুলনায় বেশি। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে (পূর্বাঞ্চলীয় সময়) ১ হাজার ২০৪ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে। নাসডাক কম্পোজিট সূচকও ৪ দশমিক ৩ শতাংশ নিচে...
৭ ঘণ্টা আগে