বিশেষ প্রতিবেদক, ঢাকা
হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারকে চেয়ারম্যান করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত পুনর্গঠন করেছে সরকার। এই ট্রাইব্যুনালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় গণহত্যার বিচারকে প্রাধান্য দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
সচিবালয়ে গতকাল সোমবার সংবাদ সম্মেলনে আসিফ নজরুল জানান, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মহিতুল হক এনাম চৌধুরীকে ট্রাইব্যুনালের সদস্যপদে রাখা হয়েছে।
উপদেষ্টা এ তথ্য জানানোর পর গতকাল আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উপদেষ্টা বলেন, ‘বিচারকাজ শুরু করার ব্যাপারে আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যা করার ছিল, এটার একটা বড় ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। আমরা আশা করব, অচিরেই বিচারকাজ শুরু হয়ে যাবে।’
কাজের গতি-প্রকৃতি অনুযায়ী প্রয়োজনে আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে বলে জানান আইন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে ধাপে ধাপে যে সহযোগিতা চাওয়া হবে, যদি বলা হয় প্রসিকিউশন টিমে আরও লোক দরকার, ইনভেস্টিগেশন টিমে আরও দরকার, কোনো একটি পর্যায়ে যদি মনে হয় যে আরেকটি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ট্রাইব্যুনাল দরকার—এ রকমভাবে আমাদের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হলে, আমরা দিতে প্রস্তুত আছি।’
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। গণহত্যার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও বিচার এই আদালতে করা হবে।
আসিফ নজরুল জানান, গত ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিচারপতিরা হয়তো এই মাসের মধ্যে বিচারকাজ শুরু করবেন। এ জন্য পুরোনো হাইকোর্ট ভবনের সংস্কারকাজ তাড়াতাড়ি করা হচ্ছে।
আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘আসামিপক্ষ যেকোনো দেশের আইনজীবী নিয়োগ করতে পারবেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন বা যে কেউ এখানে পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকতে পারবেন। ডিজিটাল সাক্ষ্য যাতে নেওয়া যায়, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অংশীজনের সঙ্গে মতামত নিয়ে আইন সংশোধন করতে খসড়া করেছি। এ মাসের মধ্যে সংশোধনী চূড়ান্ত হয়ে যাবে। সংশোধনীর জন্য বিচার আটকে থাকবে না। গত সরকার সংগঠনেরও শাস্তির বিধান করে গেছে, সবাই বলেছে এই বিধান থাকা উচিত।’
গণহত্যার সঙ্গে জড়িত অনেকে পালিয়ে গেছেন স্বীকার করে আইন উপদেষ্টা বলেন, যাঁরা পালিয়ে গেছেন, তাঁদের বিচার করার বিধান এই আইনে রয়েছে। বিচারে তাঁরা যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে যেসব দেশের সঙ্গে আমাদের বন্দিবিনিময় চুক্তি আছে, কেউ যদি সেই দেশে থাকেন, তাহলে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশে আনার অনুরোধ করব। যাদের সঙ্গে চুক্তি নেই, সেখান থেকেও আনার চেষ্টা করব।’
হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারকে চেয়ারম্যান করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত পুনর্গঠন করেছে সরকার। এই ট্রাইব্যুনালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় গণহত্যার বিচারকে প্রাধান্য দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
সচিবালয়ে গতকাল সোমবার সংবাদ সম্মেলনে আসিফ নজরুল জানান, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মহিতুল হক এনাম চৌধুরীকে ট্রাইব্যুনালের সদস্যপদে রাখা হয়েছে।
উপদেষ্টা এ তথ্য জানানোর পর গতকাল আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উপদেষ্টা বলেন, ‘বিচারকাজ শুরু করার ব্যাপারে আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যা করার ছিল, এটার একটা বড় ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। আমরা আশা করব, অচিরেই বিচারকাজ শুরু হয়ে যাবে।’
কাজের গতি-প্রকৃতি অনুযায়ী প্রয়োজনে আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে বলে জানান আইন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে ধাপে ধাপে যে সহযোগিতা চাওয়া হবে, যদি বলা হয় প্রসিকিউশন টিমে আরও লোক দরকার, ইনভেস্টিগেশন টিমে আরও দরকার, কোনো একটি পর্যায়ে যদি মনে হয় যে আরেকটি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ট্রাইব্যুনাল দরকার—এ রকমভাবে আমাদের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হলে, আমরা দিতে প্রস্তুত আছি।’
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। গণহত্যার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও বিচার এই আদালতে করা হবে।
আসিফ নজরুল জানান, গত ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিচারপতিরা হয়তো এই মাসের মধ্যে বিচারকাজ শুরু করবেন। এ জন্য পুরোনো হাইকোর্ট ভবনের সংস্কারকাজ তাড়াতাড়ি করা হচ্ছে।
আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘আসামিপক্ষ যেকোনো দেশের আইনজীবী নিয়োগ করতে পারবেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন বা যে কেউ এখানে পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকতে পারবেন। ডিজিটাল সাক্ষ্য যাতে নেওয়া যায়, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অংশীজনের সঙ্গে মতামত নিয়ে আইন সংশোধন করতে খসড়া করেছি। এ মাসের মধ্যে সংশোধনী চূড়ান্ত হয়ে যাবে। সংশোধনীর জন্য বিচার আটকে থাকবে না। গত সরকার সংগঠনেরও শাস্তির বিধান করে গেছে, সবাই বলেছে এই বিধান থাকা উচিত।’
গণহত্যার সঙ্গে জড়িত অনেকে পালিয়ে গেছেন স্বীকার করে আইন উপদেষ্টা বলেন, যাঁরা পালিয়ে গেছেন, তাঁদের বিচার করার বিধান এই আইনে রয়েছে। বিচারে তাঁরা যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে যেসব দেশের সঙ্গে আমাদের বন্দিবিনিময় চুক্তি আছে, কেউ যদি সেই দেশে থাকেন, তাহলে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশে আনার অনুরোধ করব। যাদের সঙ্গে চুক্তি নেই, সেখান থেকেও আনার চেষ্টা করব।’
টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ‘ধর্ষণ’ শব্দ ব্যবহার না করার অনুরোধের মাধ্যমে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বাস্তবে ধর্ষকের পক্ষ নিচ্ছেন। তিনি এই বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, অপরাধকে লঘু করার কোনো...
১৮ দিন আগেধর্ষণের শিকার নারীর ছবি বা পরিচয় সংবাদ মাধ্যম কিংবা ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে কেউ প্রকাশ করলেই পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করতে পারবে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৪ ধারায় বর্ণিত এই অপরাধ আমলযোগ্য হওয়ায় জড়িত অভিযোগে কোনো ব্যক্তিকে সঙ্গে সঙ্গে আটক করা যাবে।
০৯ মার্চ ২০২৫সাতক্ষীরার ওয়ারী গ্রামে ব্যবসায়ী স্বামীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর বুকের ওপর ‘সরি জান, আই লাভ ইউ’ লিখে স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন। আজ শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের ওয়ারিয়ার পালপাড়ায় একটি ভাড়া বাড়ি থেকে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করেছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫রাজধানীর উত্তরায় প্রকাশ্যে এক দম্পতিকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তার আরও ৩ ‘কিশোর গ্যাং’ সদস্যকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন রেজা রিমান্ডে নেওয়ার এ আদেশ দেন।
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫