ভারতের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যপুস্তক পরিবর্তনের দাবি তুলেছেন অক্ষয় কুমার। বিশেষ করে ইতিহাস বইয়ের ব্যাপক সংস্কার হওয়া উচিত বলে মত তাঁর। অক্ষয়ের দাবি, শিক্ষার্থীদের মোগল সম্রাট আকবর কিংবা আওরঙ্গজেবের ইতিহাস না পড়িয়ে বরং ভারতের যেসব সৈনিক দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাঁদের ইতিহাস পড়ানো হোক।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অক্ষয়ের কোনো সিনেমা তেমন সুবিধা করতে পারছে না। বক্স অফিসে খরায় ভুগলেও অক্ষয় একের পর এক বায়োপিকে অভিনয় করছেন। শুরুটা হয়েছিল ২০১৮ সালে। ‘প্যাড ম্যান’ সিনেমায় লক্ষ্মীকান্ত চৌহানের চরিত্রে অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর তিনি ‘গোল্ড’-এ ভারতীয় হকি টিমের ম্যানেজার তপন দাসের ভূমিকায় ধরা দিয়েছেন, ‘কেশরী’তে আবার হাবিলদার ঈশ্বর সিংয়ের চরিত্রে দেখা দিয়েছেন। সম্রাট পৃথ্বীরাজ চৌহানের বীরত্বগাথাও তুলে ধরেছেন।
এবার তিনি নিয়ে আসছেন ‘স্কাই ফোর্স’। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান বিমানযুদ্ধের ঘটনা নিয়ে তৈরি সিনেমাটি গতকাল মুক্তি পেয়েছে। এতে অক্ষয় আছেন উইং কমান্ডার কুমার ওম আহুজা চরিত্রে। একের পর এক বাস্তব চরিত্রে দেখা হওয়া প্রসঙ্গে অক্ষয় বলেন, ‘আমি এমন চরিত্র নির্বাচন করি, ইতিহাসে যাঁদের উল্লেখ নেই। ইচ্ছে করেই এমন চরিত্র বেছে নিই, যাঁরা দেশের উপেক্ষিত, অজানা নায়ক। এ ধরনের চরিত্র আমাকে টানে।’
এরপরই ইতিহাস বিষয়ের পাঠ্যপুস্তক সংস্কারের কথা বলেন অক্ষয়। তিনি বলেন, ‘ইতিহাস বইয়ে অনেক কিছু সংশোধন হওয়া দরকার। আমাদের মোগল সম্রাট আকবর কিংবা আওরঙ্গজেবদের ইতিহাস পড়ানো হয়। কিন্তু ভারতের আসল নায়কদের কথা পড়ানো হয় না। তাঁদেরও প্রচারের আলোয় নিয়ে আসা দরকার। ইতিহাসের পাঠ্যপুস্তকগুলো সংশোধন করা দরকার যাতে বর্তমান প্রজন্ম এঁদের সম্পর্কে জানতে পারে।’

এই ‘আসল নায়ক’ বলতে অক্ষয় বুঝিয়েছেন ভারতের সেনা, নৌ কিংবা বিমান সদস্যদের কথা, যাঁরা নানা সময়ে দেশের জন্য লড়েছেন। বিশেষ করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভারতের যেসব সৈনিক প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের গল্প পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির দাবি অক্ষয়ের।

প্রতিবছর দুই ঈদে প্রাণ ফিরে পায় দেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি। সারা বছর সিনেমা মুক্তির ব্যাপারে আগ্রহ না দেখালেও ঈদে সিনেমা মুক্তি দিতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন নির্মাতারা। কয়েক বছর ধরেই দেখা যাচ্ছে এই প্রবণতা। গত বছর দুই ঈদে ছয়টি করে মুক্তি পাওয়া সিনেমার সংখ্যা ১২টি।
১১ ঘণ্টা আগে
রোজার ঈদে প্রচারের জন্য তপু খান বানিয়েছেন নাটক ‘হ্যাপি ডিভোর্স’। নাটকটি লিখেছেন টিউন তেহরিন। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারহান আহমেদ জোভান, কেয়া পায়েল, সুব্রত, শামীমা নাজনীন, রোজী সিদ্দিকী, সমাপ্তি মাসুক ও তাহমিনা সুলতানা মৌ।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রতি সপ্তাহে নতুন সিনেমা বা ওয়েব সিরিজের জন্য দর্শকদের নজর থাকে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। এ সপ্তাহেও মুক্তি পাচ্ছে নানা দেশের, নানা ভাষার কনটেন্ট। বাছাই করা এমন কিছু কনটেন্টের খোঁজ থাকছে এ প্রতিবেদনে।
১১ ঘণ্টা আগে
নাটকের পরিচিত মুখ অভিনেত্রী জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। গানটাও ভালো করেন তিনি। আগে নাটক ও ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে দুটি গান করেছেন। এবার ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে হিমির নতুন মৌলিক গান। এ প্রসঙ্গে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন শিহাব আহমেদ।
১ দিন আগে