যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টানা তৃতীয় দিনের মতো ভারতে ‘ভোটার টার্নআউট’ বা ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে ২১ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি জানতে চেয়েছেন কেন এই বিশাল পরিমাণ অর্থ বিদেশে ব্যয় করা হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রেই ভোটার টার্নআউট বাড়াতে একই রকম প্রচেষ্টা নেওয়া যেতে পারে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন অঙ্গরাজ্যগুলোর গভর্নরদের কর্ম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিকাঠামো শক্তিশালী করতে ২৯ মিলিয়ন ডলার একটি প্রতিষ্ঠানে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘২১ মিলিয়ন ডলার আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী মোদির দেশে ভোটার টার্নআউট বাড়ানোর জন্য দেওয়া হয়েছে। আমরা ২১ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছি ভারতের ভোটার টার্নআউটের জন্য। আমাদের কী হবে? আমি তো চাই, আমাদেরও ভোটার টার্নআউট বাড়ুক!’
ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির আইটি সেল প্রধান অমিত মালব্য ট্রাম্পের এই বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন এবং বিরোধীদের কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, ‘টানা তৃতীয় দিনের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করলেন যে, ইউএসএআইডি ভারতের ভোটার টার্নআউট বাড়াতে অর্থ সাহায্য করেছে। কিন্তু তিনি কি নিজের দেশের খরচ সম্পর্কে কিছু জানেন?’
ট্রাম্পের অভিযোগ, ‘আমাদের এখানে ২০০০ ডলারের ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন নিয়ে হৈচৈ, অথচ ভারতে ২১ মিলিয়ন ডলার ব্যয়!’ ট্রাম্প এর আগেও যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএআইডি—এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে গণতন্ত্র মজবুত করতে অর্থায়নের বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভারতের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে চাইছে।
তিনি বলেন, ‘২১ মিলিয়ন ডলার ভোটার টার্নআউটের জন্য! কেন আমাদের ভারতের ভোটার টার্নআউট বাড়ানোর জন্য ২১ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হবে? আমার মনে হয়, তারা অন্য কাউকে নির্বাচিত করানোর চেষ্টা করছিল!’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ভারত সরকারকে জানাতে হবে। কারণ, যখন শুনেছিলাম যে, রাশিয়া মাত্র ২০০০ ডলার খরচ করে আমাদের দেশে কিছু ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন দিয়েছিল, তখন সেটা বিশাল ব্যাপার হয়ে গিয়েছিল! অথচ এখানে ২১ মিলিয়ন ডলার!! এটা ঘুষ লেনদেনের প্রকল্প, কেউ জানেই না কী ঘটছে!’
এরপরের দিন ট্রাম্প আরও কড়া ভাষায় অভিযোগ করেন যে, এই অর্থের পেছনে আসলে দুর্নীতি ও লেনদেনের স্বার্থ জড়িত। তিনি বলেন, ‘এবং ভারতের ভোটার টার্নআউটের জন্য ২১ মিলিয়ন ডলার! কেন আমরা ভারতের ভোটার টার্নআউট নিয়ে মাথা ঘামাব? আমাদের তো নিজেদেরই যথেষ্ট সমস্যা আছে। আমাদের নিজেদের ভোটার টার্নআউট বাড়ানো দরকার, তাই না?’
তিনি আরও বলেন, ‘কল্পনা করো, এত অর্থ ভারতে পাঠানো হচ্ছে! আমি ভাবছি, ওরা এটা পাওয়ার পর কী ভাবে! এটা একটা ঘুষ লেনদেনের প্রকল্প। এটা তো এমন নয় যে তারা এই অর্থ পায় আর খরচ করে, তারা সেটাকে ফিরে পাঠিয়ে দেয় তাদেরই, যারা এটা পাঠিয়েছে। আমি বলব, এই ধরনের ক্ষেত্রে সাধারণত যখন কেউ জানেই না কী ঘটছে, তার মানে সেখানে ঘুষ লেনদেন চলছে!’
এদিকে, ট্রাম্পের বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি দাবি করেছে, এই অর্থায়ন ভারতের অভ্যন্তরে ‘ডিপ স্টেট’ এজেন্টদের টিকিয়ে রাখতে ব্যবহার করা হয়েছে, যারা এসব তথ্য প্রকাশ পাওয়া থেকে রক্ষা করতেই কাজ করে।
এদিকে কংগ্রেস নেতা পবন খেরা পাল্টা বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শাণিয়ে বলেন, বিজেপি একতরফাভাবে কংগ্রেসকে নিশানা করছে। তিনি বলেন, ‘বেছে বেছে বলা হচ্ছে, কংগ্রেস সরকার বিদেশি অর্থায়ন গ্রহণ করেছিল। যখন স্মৃতি ইরানি ইউএসএআইডি-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ছিলেন এবং রাস্তায় প্রতিবাদ করতেন, তখন কি ইউএসএআইডি তার পেছনে ছিল? সমাজকর্মী আন্না হাজারেও আন্দোলন করেছিলেন, যার ফলে আমাদের সরকার হেরে যায়। তারপর তিনি আমেরিকায় গিয়ে রোড শো করলেন। সবাই জানে, তিনি ফোর্ড ফাউন্ডেশন থেকে অর্থ পেতেন এবং সেই আন্দোলনে আরএসএসও জড়িত ছিল!’
ট্রাম্পের বক্তব্যের পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের প্রকাশ করা তথ্যের ওপর নজর রাখছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জ্যাসওয়াল বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের প্রকাশ করা কিছু তথ্য দেখেছি, যেখানে তাদের কিছু কার্যকলাপ ও অর্থায়নের কথা বলা হয়েছে। এগুলো নিঃসন্দেহে অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ নিয়ে আমরা গভীরভাবে চিন্তিত। সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও সংস্থাগুলো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।’
আরও খবর পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টানা তৃতীয় দিনের মতো ভারতে ‘ভোটার টার্নআউট’ বা ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে ২১ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি জানতে চেয়েছেন কেন এই বিশাল পরিমাণ অর্থ বিদেশে ব্যয় করা হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রেই ভোটার টার্নআউট বাড়াতে একই রকম প্রচেষ্টা নেওয়া যেতে পারে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন অঙ্গরাজ্যগুলোর গভর্নরদের কর্ম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিকাঠামো শক্তিশালী করতে ২৯ মিলিয়ন ডলার একটি প্রতিষ্ঠানে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘২১ মিলিয়ন ডলার আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী মোদির দেশে ভোটার টার্নআউট বাড়ানোর জন্য দেওয়া হয়েছে। আমরা ২১ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছি ভারতের ভোটার টার্নআউটের জন্য। আমাদের কী হবে? আমি তো চাই, আমাদেরও ভোটার টার্নআউট বাড়ুক!’
ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির আইটি সেল প্রধান অমিত মালব্য ট্রাম্পের এই বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন এবং বিরোধীদের কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, ‘টানা তৃতীয় দিনের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করলেন যে, ইউএসএআইডি ভারতের ভোটার টার্নআউট বাড়াতে অর্থ সাহায্য করেছে। কিন্তু তিনি কি নিজের দেশের খরচ সম্পর্কে কিছু জানেন?’
ট্রাম্পের অভিযোগ, ‘আমাদের এখানে ২০০০ ডলারের ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন নিয়ে হৈচৈ, অথচ ভারতে ২১ মিলিয়ন ডলার ব্যয়!’ ট্রাম্প এর আগেও যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএআইডি—এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে গণতন্ত্র মজবুত করতে অর্থায়নের বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভারতের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে চাইছে।
তিনি বলেন, ‘২১ মিলিয়ন ডলার ভোটার টার্নআউটের জন্য! কেন আমাদের ভারতের ভোটার টার্নআউট বাড়ানোর জন্য ২১ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হবে? আমার মনে হয়, তারা অন্য কাউকে নির্বাচিত করানোর চেষ্টা করছিল!’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ভারত সরকারকে জানাতে হবে। কারণ, যখন শুনেছিলাম যে, রাশিয়া মাত্র ২০০০ ডলার খরচ করে আমাদের দেশে কিছু ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন দিয়েছিল, তখন সেটা বিশাল ব্যাপার হয়ে গিয়েছিল! অথচ এখানে ২১ মিলিয়ন ডলার!! এটা ঘুষ লেনদেনের প্রকল্প, কেউ জানেই না কী ঘটছে!’
এরপরের দিন ট্রাম্প আরও কড়া ভাষায় অভিযোগ করেন যে, এই অর্থের পেছনে আসলে দুর্নীতি ও লেনদেনের স্বার্থ জড়িত। তিনি বলেন, ‘এবং ভারতের ভোটার টার্নআউটের জন্য ২১ মিলিয়ন ডলার! কেন আমরা ভারতের ভোটার টার্নআউট নিয়ে মাথা ঘামাব? আমাদের তো নিজেদেরই যথেষ্ট সমস্যা আছে। আমাদের নিজেদের ভোটার টার্নআউট বাড়ানো দরকার, তাই না?’
তিনি আরও বলেন, ‘কল্পনা করো, এত অর্থ ভারতে পাঠানো হচ্ছে! আমি ভাবছি, ওরা এটা পাওয়ার পর কী ভাবে! এটা একটা ঘুষ লেনদেনের প্রকল্প। এটা তো এমন নয় যে তারা এই অর্থ পায় আর খরচ করে, তারা সেটাকে ফিরে পাঠিয়ে দেয় তাদেরই, যারা এটা পাঠিয়েছে। আমি বলব, এই ধরনের ক্ষেত্রে সাধারণত যখন কেউ জানেই না কী ঘটছে, তার মানে সেখানে ঘুষ লেনদেন চলছে!’
এদিকে, ট্রাম্পের বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি দাবি করেছে, এই অর্থায়ন ভারতের অভ্যন্তরে ‘ডিপ স্টেট’ এজেন্টদের টিকিয়ে রাখতে ব্যবহার করা হয়েছে, যারা এসব তথ্য প্রকাশ পাওয়া থেকে রক্ষা করতেই কাজ করে।
এদিকে কংগ্রেস নেতা পবন খেরা পাল্টা বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শাণিয়ে বলেন, বিজেপি একতরফাভাবে কংগ্রেসকে নিশানা করছে। তিনি বলেন, ‘বেছে বেছে বলা হচ্ছে, কংগ্রেস সরকার বিদেশি অর্থায়ন গ্রহণ করেছিল। যখন স্মৃতি ইরানি ইউএসএআইডি-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ছিলেন এবং রাস্তায় প্রতিবাদ করতেন, তখন কি ইউএসএআইডি তার পেছনে ছিল? সমাজকর্মী আন্না হাজারেও আন্দোলন করেছিলেন, যার ফলে আমাদের সরকার হেরে যায়। তারপর তিনি আমেরিকায় গিয়ে রোড শো করলেন। সবাই জানে, তিনি ফোর্ড ফাউন্ডেশন থেকে অর্থ পেতেন এবং সেই আন্দোলনে আরএসএসও জড়িত ছিল!’
ট্রাম্পের বক্তব্যের পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের প্রকাশ করা তথ্যের ওপর নজর রাখছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জ্যাসওয়াল বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের প্রকাশ করা কিছু তথ্য দেখেছি, যেখানে তাদের কিছু কার্যকলাপ ও অর্থায়নের কথা বলা হয়েছে। এগুলো নিঃসন্দেহে অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ নিয়ে আমরা গভীরভাবে চিন্তিত। সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও সংস্থাগুলো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।’
আরও খবর পড়ুন:
ভারতীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভায় বলা যায় কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই পাস হয়ে যায় মুসলিমদের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল। এরপর, লোকসভায় পাস হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিলটি উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায়ও দীর্ঘ বিতর্ক শেষে সহজেই পার হয়ে গেল। ভোটাভুটিতে বিলের পক্ষে ১২৮টি এবং বিপক্ষে ৯৫টি ভোট পড়ে।
৩৯ মিনিট আগেইসরায়েলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ-যুদ্ধবিধ্বস্ত উপত্যকা গাজায় গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে নিহত হয়েছে আরও ৩৩ জন, আহত আরও শতাধিক। সব মিলিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরের হামলার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১১২ জন নিহত হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগেভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মিয়ানমারের জান্তা সরকারে প্রধান জ্যেষ্ঠ জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এই দুই নেতার সাক্ষাৎ নানা কারণেই বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই আন্তর্জাতিক মহল জান্তা সরকারকে একপ্রকার...
২ ঘণ্টা আগেদক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল অবশেষে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন। দেশটির সাংবিধানিক আদালত আজ শুক্রবার এই রায় দিয়েছে। এর আগে গত বছর প্রেসিডেন্টের স্বল্পস্থায়ী সামরিক আইন জারির পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে দেশটির পার্লামেন্ট তাঁর বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব আনে। এই ঘটনা দক্ষিণ কোরিয়ার কয়েক দশকের মধ্যে...
২ ঘণ্টা আগে