ঢাকা : দক্ষিণ কোরিয়ার গুয়াঞ্জ শহরে পাঁচতলা একটি ভবন ধসে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসের ওপর পড়েছে। এতে ৯ জন নিহত ও ৮ জন আহত হয়েছে। আহতদের অবস্থা গুরুতর। গতকাল বুধবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটে। দেশটির দমকল সংস্থার বরাত দিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বাসটি ১৭ জন যাত্রী নিয়ে নির্ধারিত স্টপেজে দাঁড়িয়ে ছিল।
কী কারণে ভবনটি ধসে পড়েছে তা এখনো পরিষ্কার নয়। আটকেপড়াদের উদ্ধারে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
টেলিভিশনে দেওয়া ব্রিফিংয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা কিম সেওক সান বলেছেন, ওই ভবন ও তার সংলগ্ন এলাকা থেকে লোকজনকে ইতিমধ্যে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ইয়াং ইক জে ইয়োনহাপ নিউজকে বলেন, ‘ভবনটি যখন ধসে পড়ল, আমার কাছে মনে হচ্ছিল যেন পায়ের তলায় মাটি কাঁপছে। ধুলোর কারণে কিছুই দেখতে পাচ্ছিলাম না। ঘন কুয়াশার মতো ওই ধুলো কেটে যাওয়ার পর আমরা বাসের দিকে ছুটে গিয়ে প্রাথমিক উদ্ধারকাজ শুরু করি।’
ইয়াং ইক জে আরও বলেন, `আমি সিসিটিভি ফুটেজ খুঁজে বের করি। ভিডিওতে দেখি ভবনটি ধসে বাসে ওপর পড়েছে।
এর আগে ১৯৯৫ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় বড় ধরনের ভবনধসের ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনায় পাঁচ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছিল।

বকেয়া নেভিগেশন চার্জ পরিশোধ না করায় ভারতীয় বাজেট এয়ারলাইন স্পাইসজেটের ওপর আকাশসীমা ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাংলাদেশ। এর ফলে চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে বিমান সংস্থাটি।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ডে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটি ব্যবহার করে কৌশলগত যুদ্ধবিমান দিয়ে ইরানে আঘাত হানার পরিকল্পনা রেখেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই পরিকল্পনায় বাঁধ সেধেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের আগের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ইরান আবার গড়ে তুলছে এবং একই সঙ্গে ‘যুদ্ধের প্রস্তুতি’ নিচ্ছে। এমনটি দাবি করেছেন ইরানের এক প্রভাবশালী বিরোধী নেতা। যদিও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ গতকাল বুধবার পাইলটদের জন্য এক অস্বাভাবিক সরকারি নোটিশ (নোটিশ ফর এয়ারম্যান বা নোটাম) জারি করে। সেখানে দেশের আকাশসীমার বড় অংশ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। মূলত, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ মহড়া পরিচালনার জন্য এই আকাশসীমা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
৪ ঘণ্টা আগে