অনলাইন ডেস্ক
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে ক্রিস্টাল মেথ নামের মাদকটি অন্য অঞ্চলের ধনী খদ্দেরদের কাছে পৌঁছে দিতে নৌপথ ব্যবহার করছে পাচারকারীরা। এসব মাদক বিক্রি হচ্ছে জাপান, সাউথ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে। জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা বিবিসি।
জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ দপ্তরের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দেওয়ার কৌশল ভালো করেই রপ্ত করেছে পাচারকারীরা। থাইল্যান্ড ও চীনের স্থলপথের নিরাপত্তাজাল এড়াতে সমুদ্রপথকেই বেছে নেয় তারা। তাই তাদের ধরাও কঠিন হয়ে পড়ছে।
মিয়ানমারের বেশ কিছু অঞ্চলে অনেক সুপার ল্যাব রয়েছে এবং এসব ল্যাবেই তৈরি হয় ক্রিস্টাল মেথ। ক্রিস্টাল মেথ দুইভাবে বাজারে আসে। যেমন—ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ (আইস)। কেজিপ্রতি ক্রিস্টাল মেথের দাম তুলনামূলকভাবে সব সময় কম থাকে। এ থেকে বোঝা যায় এটির সরবরাহ অনেক বেশি। দেশটির শান রাজ্যটি পৃথিবীতে ক্রিস্টাল মেথ ব্যবসার সবচেয়ে বড় ঘাঁটি।
পাচারকারীরা লাওস, কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের সীমানা দিয়েই ক্রিস্টাল মেথসহ ও অন্যান্য মাদকের চোরাচালান করে। তাই এই তিন স্থান মাদক পাচারকারীদের কাছে গোল্ডেন ট্রায়াল নামেই পরিচিত। তাই কয়েক বছর ধরে থাই ও চীনা পুলিশ গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গালে অভিযান জোরদার করেছে। এর পরও থেমে নেই মাদকের পাচার। পাচারকারীরা থাইল্যান্ডকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ডের মতো তৃতীয় দেশে চড়া দামে ক্রিস্টাল মেথ বিক্রি করে। মিয়ানমার থেকে ক্রিস্টাল মেথের অনেক বড় চালান বাংলাদেশ ও ভারতেও যায়। শিগগিরই মাদকের এসব চোরাচালান বন্ধ হওয়ার কোনো লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না।
জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ দপ্তরের আঞ্চলিক প্রতিনিধি জেরেমি ডগলাস বলেছেন, ‘গত বছর থেকেই আমরা থাই সীমান্তের আশপাশ দিয়ে মাদক পাচারকারীদের আগের চেয়ে অনেক বেশি কাজ করতে দেখেছি। তারা লাওস ও উত্তর থাইল্যান্ডের মধ্য দিয়ে অনেক জাহাজ পাঠাচ্ছে। আবার একই সময়ে মিয়ানমারের মধ্য দিয়ে আন্দামান সাগরেও তাদের সরবরাহ চলছে।’
চলতি সপ্তাহের শুরুতে, চার মাস ধরে মাদক চোরাচালানকারীদের অনুসরণ করে অভিযান চালায় থাই কর্তৃপক্ষ। অভিযানে একটি ট্রলার থেকে ৯০০ কেজিরও বেশি ক্রিস্টাল মেথ জব্দ করা হয়েছে। সামেদ দ্বীপ থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দূরে থাইল্যান্ড উপসাগর থেকে ট্রলারটি জব্দ করা হয়। এ সময় ছয় নাবিককে আটক করা হয়েছে।
থাই কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ছোট নৌকায় করে অনেক ক্রিস্টাল মেথ একটি বড় ট্রলারে জড়ো করা হয়। এরপর এটি সম্ভবত অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানো হতো।
কেটামিন একধরনের চেতনানাশক। বিনোদনমূলক পার্টিতে ড্রাগ হিসেবে অনেক অপব্যবহার করা হয় এই চেতনানাশকের। ২০২২ সালে পুরো অঞ্চলটি থেকে রেকর্ড ২৭.৪ টন কেটামিন জব্দ করা হয়েছে, যা ২০২১ সালের থেকে ১৬৭ শতাংশ বেশি।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কম্বোডিয়ায় একটি পরীক্ষাগার রয়েছে। ওই পরীক্ষাগারকে কেটামিনের বড় কারখানা বলা যেতে পারে। এভাবে গোপনে কেটামিন তৈরি, প্রক্রিয়াকরণ, গুদামজাতকরণের যে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, তা এই অঞ্চলের বড় বিপদ বয়ে আনতে পারে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে ক্রিস্টাল মেথ নামের মাদকটি অন্য অঞ্চলের ধনী খদ্দেরদের কাছে পৌঁছে দিতে নৌপথ ব্যবহার করছে পাচারকারীরা। এসব মাদক বিক্রি হচ্ছে জাপান, সাউথ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে। জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা বিবিসি।
জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ দপ্তরের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দেওয়ার কৌশল ভালো করেই রপ্ত করেছে পাচারকারীরা। থাইল্যান্ড ও চীনের স্থলপথের নিরাপত্তাজাল এড়াতে সমুদ্রপথকেই বেছে নেয় তারা। তাই তাদের ধরাও কঠিন হয়ে পড়ছে।
মিয়ানমারের বেশ কিছু অঞ্চলে অনেক সুপার ল্যাব রয়েছে এবং এসব ল্যাবেই তৈরি হয় ক্রিস্টাল মেথ। ক্রিস্টাল মেথ দুইভাবে বাজারে আসে। যেমন—ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ (আইস)। কেজিপ্রতি ক্রিস্টাল মেথের দাম তুলনামূলকভাবে সব সময় কম থাকে। এ থেকে বোঝা যায় এটির সরবরাহ অনেক বেশি। দেশটির শান রাজ্যটি পৃথিবীতে ক্রিস্টাল মেথ ব্যবসার সবচেয়ে বড় ঘাঁটি।
পাচারকারীরা লাওস, কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের সীমানা দিয়েই ক্রিস্টাল মেথসহ ও অন্যান্য মাদকের চোরাচালান করে। তাই এই তিন স্থান মাদক পাচারকারীদের কাছে গোল্ডেন ট্রায়াল নামেই পরিচিত। তাই কয়েক বছর ধরে থাই ও চীনা পুলিশ গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গালে অভিযান জোরদার করেছে। এর পরও থেমে নেই মাদকের পাচার। পাচারকারীরা থাইল্যান্ডকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ডের মতো তৃতীয় দেশে চড়া দামে ক্রিস্টাল মেথ বিক্রি করে। মিয়ানমার থেকে ক্রিস্টাল মেথের অনেক বড় চালান বাংলাদেশ ও ভারতেও যায়। শিগগিরই মাদকের এসব চোরাচালান বন্ধ হওয়ার কোনো লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না।
জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ দপ্তরের আঞ্চলিক প্রতিনিধি জেরেমি ডগলাস বলেছেন, ‘গত বছর থেকেই আমরা থাই সীমান্তের আশপাশ দিয়ে মাদক পাচারকারীদের আগের চেয়ে অনেক বেশি কাজ করতে দেখেছি। তারা লাওস ও উত্তর থাইল্যান্ডের মধ্য দিয়ে অনেক জাহাজ পাঠাচ্ছে। আবার একই সময়ে মিয়ানমারের মধ্য দিয়ে আন্দামান সাগরেও তাদের সরবরাহ চলছে।’
চলতি সপ্তাহের শুরুতে, চার মাস ধরে মাদক চোরাচালানকারীদের অনুসরণ করে অভিযান চালায় থাই কর্তৃপক্ষ। অভিযানে একটি ট্রলার থেকে ৯০০ কেজিরও বেশি ক্রিস্টাল মেথ জব্দ করা হয়েছে। সামেদ দ্বীপ থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দূরে থাইল্যান্ড উপসাগর থেকে ট্রলারটি জব্দ করা হয়। এ সময় ছয় নাবিককে আটক করা হয়েছে।
থাই কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ছোট নৌকায় করে অনেক ক্রিস্টাল মেথ একটি বড় ট্রলারে জড়ো করা হয়। এরপর এটি সম্ভবত অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানো হতো।
কেটামিন একধরনের চেতনানাশক। বিনোদনমূলক পার্টিতে ড্রাগ হিসেবে অনেক অপব্যবহার করা হয় এই চেতনানাশকের। ২০২২ সালে পুরো অঞ্চলটি থেকে রেকর্ড ২৭.৪ টন কেটামিন জব্দ করা হয়েছে, যা ২০২১ সালের থেকে ১৬৭ শতাংশ বেশি।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কম্বোডিয়ায় একটি পরীক্ষাগার রয়েছে। ওই পরীক্ষাগারকে কেটামিনের বড় কারখানা বলা যেতে পারে। এভাবে গোপনে কেটামিন তৈরি, প্রক্রিয়াকরণ, গুদামজাতকরণের যে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, তা এই অঞ্চলের বড় বিপদ বয়ে আনতে পারে।
জিতেন্দ্র রাওয়াত। তিনি বিষণ্নতায় ভুগছিলেন এবং চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি তাঁর মায়ের সঙ্গে ভবনের প্রথম তলায় থাকতেন। তাঁর স্ত্রী দুই সন্তানসহ দেরাদুনে থাকেন। তাঁর জিতেন্দ্র রাওয়াতের বয়স ৩৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হবে। তিনি মারা যাওয়ার সময় তাঁর মা বাড়িতে ছিলেন। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে...
২০ মিনিট আগেইউরোপজুড়ে বেশ কয়েকটি দেশে কনস্যুলেট বন্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
৩৭ মিনিট আগেপ্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গবেষণা কেন্দ্র ডিজিটাল উইটনেস ল্যাবের গবেষণায় ভারতে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার এই চিত্র উঠে এসেছে। গবেষকেরা বলছেন, গবেষণার জন্য তাঁরা ভারত ভিত্তিক ২৩৪টি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের তথ্য-উপাত্ত ঘেঁটেছেন। এসব গ্রুপে আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত ৮ হাজারটির বেশি বিজ্ঞাপন দেখেছেন তাঁরা।
৩ ঘণ্টা আগেপরেশ বড়ুয়া দীর্ঘদিন ধরে রুইলিতে অবস্থান করছেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশে বেশ কিছু দিন ছিলেন। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে তিনি বাংলাদেশ ছাড়েন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরলে ভারতে প্রত্যর্পণ করতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই তিনি বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যান।
৩ ঘণ্টা আগে