
গত মে মাস থেকে ভয়াল রূপ নিচ্ছে ভারতের মণিপুরের সহিংসতা। রাজধানী ইম্ফল ছাড়ছে আতঙ্কিত মানুষ। পালানোর সময় এটিএম বুথ থেকে এক ১৯ বছর বয়সী আদিবাসী নারীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
নির্যাতিত ওই নারীর মুখে ধর্ষণের রোমহর্ষক ও ভয়ংকর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি।
তিনি বলেন, তাঁকে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিন পুরুষ পালাক্রমে ধর্ষণ করে। বন্দুকের বাঁট দিয়ে তাঁকে আঘাত করা হয়। তাঁকে কোনো পানি বা খাবার দেওয়া হয়নি। ১৫ মে তারা তাকে পাহাড়ি জঙ্গী গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেয়।’
‘চারজন পুরুষ আমাকে সাদা বোলেরো গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। নিয়ে যাওয়ার সময় চালক ছাড়া বাকি তিনজন আমাকে নির্যাতন করে। এরপর তারা আমাকে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ ও নির্যাতন করে।’
ধর্ষণের শিকার ওই নারী আরও বলেন, ‘ঘৃণ্য যা যা করা যায়, তারা আমার সাথে করেছে এবং সারা রাত আমাকে পানিও খেতে দেয়নি। সকালে ওয়াশরুমে যাওয়ার জন্য চোখ খুলে দিতে বলি। তাদের মধ্যে একজন সদয় হয়ে চোখের বাঁধন খুলে দেয়। এরপর আমি চারপাশে দেখি এবং পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করি। তার পরই আমি পালানোর সিদ্ধান্ত নিই।’
এক অটোরিকশাচালক তাঁকে সহায়তা করেন। গাড়ির ভেতরে সবজির স্তূপে লুকিয়ে রেখে ওই নারীকে নিরাপদে কাংপোকপিতে পৌঁছে দেন তিনি।
পরে তাঁকে পার্শ্ববর্তী নাগাল্যান্ডের রাজধানী কোহিমার এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে তাঁর মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী বলেন, তিনি ২১ জুলাই কাংপোকপি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
ঘটনার দুই মাস পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন, হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের একটি ইম্ফলের পরম্পাট থানায় দায়ের করা হয়।
পুলিশ বলছে, ঘটনার কোনো প্রমাণ না থাকায় কোনো আসামি চিহ্নিত করা যায়নি এবং কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। তবে তদন্ত চলছে। কিন্তু ভুক্তভোগীর অভিযোগের সপক্ষে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণের অভাবে তদন্ত এগোচ্ছে না। ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পাবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

গত মে মাস থেকে ভয়াল রূপ নিচ্ছে ভারতের মণিপুরের সহিংসতা। রাজধানী ইম্ফল ছাড়ছে আতঙ্কিত মানুষ। পালানোর সময় এটিএম বুথ থেকে এক ১৯ বছর বয়সী আদিবাসী নারীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
নির্যাতিত ওই নারীর মুখে ধর্ষণের রোমহর্ষক ও ভয়ংকর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি।
তিনি বলেন, তাঁকে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিন পুরুষ পালাক্রমে ধর্ষণ করে। বন্দুকের বাঁট দিয়ে তাঁকে আঘাত করা হয়। তাঁকে কোনো পানি বা খাবার দেওয়া হয়নি। ১৫ মে তারা তাকে পাহাড়ি জঙ্গী গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেয়।’
‘চারজন পুরুষ আমাকে সাদা বোলেরো গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। নিয়ে যাওয়ার সময় চালক ছাড়া বাকি তিনজন আমাকে নির্যাতন করে। এরপর তারা আমাকে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ ও নির্যাতন করে।’
ধর্ষণের শিকার ওই নারী আরও বলেন, ‘ঘৃণ্য যা যা করা যায়, তারা আমার সাথে করেছে এবং সারা রাত আমাকে পানিও খেতে দেয়নি। সকালে ওয়াশরুমে যাওয়ার জন্য চোখ খুলে দিতে বলি। তাদের মধ্যে একজন সদয় হয়ে চোখের বাঁধন খুলে দেয়। এরপর আমি চারপাশে দেখি এবং পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করি। তার পরই আমি পালানোর সিদ্ধান্ত নিই।’
এক অটোরিকশাচালক তাঁকে সহায়তা করেন। গাড়ির ভেতরে সবজির স্তূপে লুকিয়ে রেখে ওই নারীকে নিরাপদে কাংপোকপিতে পৌঁছে দেন তিনি।
পরে তাঁকে পার্শ্ববর্তী নাগাল্যান্ডের রাজধানী কোহিমার এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে তাঁর মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী বলেন, তিনি ২১ জুলাই কাংপোকপি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
ঘটনার দুই মাস পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন, হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের একটি ইম্ফলের পরম্পাট থানায় দায়ের করা হয়।
পুলিশ বলছে, ঘটনার কোনো প্রমাণ না থাকায় কোনো আসামি চিহ্নিত করা যায়নি এবং কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। তবে তদন্ত চলছে। কিন্তু ভুক্তভোগীর অভিযোগের সপক্ষে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণের অভাবে তদন্ত এগোচ্ছে না। ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পাবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৩ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৬ ঘণ্টা আগে