লোকসভা নির্বাচনের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় বিজেপির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। গতকাল বুধবার ভারতে আয়োজিত টাইমস নাও সামিট ২০২৪–এ এই মন্তব্য করেন তিনি। বিজেপি প্রেসিডেন্ট জেপি নদ্দা তাঁকে অন্ধ্রপ্রদেশ বা তামিলনাড়ু থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছেন বলে জানান সীতারমণ।
ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
সীতারমণ বলেন, ‘প্রস্তাব পাওয়ার এক সপ্তাহ বা সাত দিন ধরে ভাবার পর আমি নিষেধ করে দেই। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো অর্থ আমার নেই। আর অন্ধ্রপ্রদেশের হয়ে নির্বাচন করবো না তামিলনাড়ুর হয়ে তাও একটা সমস্যা। জয়ের জন্য বিভিন্ন মানদণ্ডের প্রশ্নও করা হবে...আপনি কি এই সম্প্রদায়ের বা আপনি কি এই ধর্মের? আপনি কি এটা নাকি ওটা? আমি নিষেধ করে দিয়েছি। আমার মনে হয় না আমি এটা করতে পারবো।’
তিনি বলেন, ‘আমি কৃতজ্ঞ যে তারা আমার যুক্তি মেনে নিয়েছে... তাই আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি না।’
দেশের অর্থমন্ত্রীর কাছে নির্বাচন লড়াইয়ের জন্য পর্যাপ্ত তহবিল নেই কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারত সরকারের তহবিল তাঁর নয়।
তিনি বলেন, ‘আমার বেতন, আমার উপার্জন এবং আমার সঞ্চয়ের অর্থ আমার। ভারত সরকারের তহবিল আমার নয়।’
আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হতে চলা আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপি বেশ কয়েকজন বর্তমান রাজ্যসভার সদস্যকে প্রার্থী করেছে। এতে রয়েছেন—পিয়ুশ গোয়েল, ভূপেন্দর যাদব, রাজিব চন্দ্রশেখর, মনসুখ মন্দবিয়া এবং জ্যোতিরাদিত্য সিন্দিয়া। সীতারমণ কর্ণাটক আসন থেকে রাজ্যসভার সদস্য়।
অন্য প্রার্থীদের জন্য প্রচারাভিযান চালাবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি অনেকগুলো গণমাধ্যমের অনুষ্ঠানে অংশ নেব এবং প্রার্থীদের সঙ্গে প্রচার করব। যেমন, আগামীকাল আমি রাজিব চন্দ্রশেখরের হয়ে প্রচার করবো।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আদালত যে জরুরি ক্ষমতার আওতায় শুল্ক আরোপের পথ আটকে দিয়েছে, তার পরিবর্তে তিনি অন্য আইনি পন্থা ব্যবহার করবেন—যেগুলো থেকে আরও বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব হতে পারে।
৯ মিনিট আগে
ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করার কথা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে এই খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্দেশ দিলে ইরানের শাসন পরিবর্তনের প্রচেষ্টাও এই...
১ ঘণ্টা আগে
গত বছরের এপ্রিল থেকে প্রায় প্রতিটি দেশের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, এই শুল্ক ছাড়া আমেরিকা ধ্বংস হয়ে যাবে এবং বিশ্ব আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করবে।
২ ঘণ্টা আগে
ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ ‘বৈশ্বিক আমদানি শুল্ক’ বা ট্যারিফকে বেআইনি ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। আজ শুক্রবার প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ৬-৩ ভোটে এই রায় দেন।
৪ ঘণ্টা আগে