
যুক্তরাষ্ট্র আসলেই ডেল্টা ফোর্স পাঠিয়ে ভেনেজুয়েলার রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে গিয়ে থাকলে—আধুনিককালের ইতিহাসে তা হবে নজিরবিহীন ঘটনা।

১৯৬২ সালে কারাকাসে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেন মাদুরো। তাঁর বাবা ছিলেন বামপন্থী রাজনীতির একনিষ্ঠ কর্মী। বাবার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মাদুরো উচ্চশিক্ষার বদলে রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে প্রশিক্ষণ নিতে কিউবায় পাড়ি জমান।

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসন
ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অংশীদারত্ব’ দেশটির জনগণকে ‘সমৃদ্ধ, স্বাধীন ও নিরাপদ’ করে তুলবে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ভেনেজুয়েলাবাসীরাও ‘অত্যন্ত খুশি’ হবে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘তারা আর কষ্ট ভোগ করবে না।’ নিকোলা মাদুরোকে ‘অবৈধ স্বৈরশাসক’ আখ্যা দেন ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেন, ম

লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে নিজ দেশ থেকে ধরে নিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে নিশ্চিত করেছেন ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ। তিনি ‘অবিলম্বে’ মাদুরোর জীবিত থাকার প্রমাণ দাবি করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে।