যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরাকের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে, যাতে বাগদাদ দেশটির কুর্দি অধ্যুষিত অঞ্চলে তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু করার অনুমতি দেয়। অন্যথায় ইরানের মতো ইরাকেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে। এই বিষয়ে জ্ঞাত আটটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর এক উপদেষ্টা বিবৃতিতে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গে ইরাক সরকারের যোগাযোগে নিষেধাজ্ঞার হুমকি বা কোনো ধরনের চাপের বিষয়টি উত্থাপিত হয়নি।
ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু হলে, ইরানি তেল রপ্তানি হ্রাসের সম্ভাব্য প্রভাব কিছুটা লাঘব হবে। ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের অংশ হিসেবে দেশটির তেল রপ্তানি শূন্যে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তারা ইরানকে বৈশ্বিক অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে এবং দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়নকে ধীর করতে চায়, এ জন্য তারা ইরানের তেল রপ্তানি রাজস্ব বন্ধ করতে চায়।
এর আগে, গত সোমবার ইরাকের তেলমন্ত্রী আকস্মিকভাবে ঘোষণা দেন, আগামী সপ্তাহ থেকে কুর্দিস্তান থেকে তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু হবে। বাগদাদ, ওয়াশিংটন ও ইরাকের কুর্দিস্তানের রাজধানী ইরবিলে রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলা আটটি সূত্র জানিয়েছে, নতুন মার্কিন প্রশাসনের ক্রমবর্ধমান চাপই সোমবারের ঘোষণার মূল চালিকা শক্তি।
কুর্দিস্থান থেকে প্রতিদিন ৩ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল তুরস্ক হয়ে বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশ করে। এর ফলে, এই অঞ্চল থেকে তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রায় দুই বছর ধরে চলা বিরোধের অবসান ঘটাবে। ইরান তার প্রতিবেশী ও মিত্র ইরাককে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে দিয়ে নিজের অর্থনীতি সচল রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে। তবে বাগদাদ একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র আবার অন্যদিকে ইরানেরও ঘনিষ্ঠ অংশীদার। এ কারণে বাগদান ট্রাম্পের তেহরানকে চাপে রাখার নীতির মাঝে পড়ে বিব্রত অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো।
ট্রাম্প চান, ইরাকি প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি যেন ইরানের সঙ্গে সব ধরনের অর্থনৈতিক ও সামরিক সম্পর্ক ছিন্ন করেন। গত সপ্তাহে রয়টার্স জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের অনুরোধে ইরাকের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংকের ডলারের লেনদেনের সুযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। তবে ইরাকের পক্ষ থেকে ঘোষণাটি দ্রুত দেওয়া হয়েছে এবং এতে কীভাবে কারিগরি সমস্যাগুলো সমাধান করে রপ্তানি পুনরায় শুরু করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা ছিল না বলে জানিয়েছে চারটি সূত্র।
ইরান ইরাকে শক্তিশালী শিয়া মিলিশিয়া ও বাগদাদে সমর্থিত রাজনৈতিক দলগুলোর মাধ্যমে দেশটিতে ব্যাপক সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ এমন সময় বাড়ানো হয়েছে যখন ইরান তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর ইসরায়েলি হামলার কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে।
ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ফারহাদ আলা-আলদিন এক বিবৃতিতে বলেছেন, তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু না হলে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে, এমন কোনো হুমকি দেওয়া হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, ইরাকি পার্লামেন্ট ইতিমধ্যেই তেলের মূল্য নির্ধারণের আইন পাস করেছে এবং এটি কার্যকর করা এখন সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় সম্পদের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তসমূহ ইরাকি সার্বভৌমত্ব বজায় রেখেই নেওয়া হয় এবং এটি দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য করা হয়।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরাকের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে, যাতে বাগদাদ দেশটির কুর্দি অধ্যুষিত অঞ্চলে তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু করার অনুমতি দেয়। অন্যথায় ইরানের মতো ইরাকেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে। এই বিষয়ে জ্ঞাত আটটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর এক উপদেষ্টা বিবৃতিতে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গে ইরাক সরকারের যোগাযোগে নিষেধাজ্ঞার হুমকি বা কোনো ধরনের চাপের বিষয়টি উত্থাপিত হয়নি।
ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু হলে, ইরানি তেল রপ্তানি হ্রাসের সম্ভাব্য প্রভাব কিছুটা লাঘব হবে। ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের অংশ হিসেবে দেশটির তেল রপ্তানি শূন্যে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তারা ইরানকে বৈশ্বিক অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে এবং দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়নকে ধীর করতে চায়, এ জন্য তারা ইরানের তেল রপ্তানি রাজস্ব বন্ধ করতে চায়।
এর আগে, গত সোমবার ইরাকের তেলমন্ত্রী আকস্মিকভাবে ঘোষণা দেন, আগামী সপ্তাহ থেকে কুর্দিস্তান থেকে তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু হবে। বাগদাদ, ওয়াশিংটন ও ইরাকের কুর্দিস্তানের রাজধানী ইরবিলে রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলা আটটি সূত্র জানিয়েছে, নতুন মার্কিন প্রশাসনের ক্রমবর্ধমান চাপই সোমবারের ঘোষণার মূল চালিকা শক্তি।
কুর্দিস্থান থেকে প্রতিদিন ৩ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল তুরস্ক হয়ে বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশ করে। এর ফলে, এই অঞ্চল থেকে তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রায় দুই বছর ধরে চলা বিরোধের অবসান ঘটাবে। ইরান তার প্রতিবেশী ও মিত্র ইরাককে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে দিয়ে নিজের অর্থনীতি সচল রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে। তবে বাগদাদ একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র আবার অন্যদিকে ইরানেরও ঘনিষ্ঠ অংশীদার। এ কারণে বাগদান ট্রাম্পের তেহরানকে চাপে রাখার নীতির মাঝে পড়ে বিব্রত অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো।
ট্রাম্প চান, ইরাকি প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি যেন ইরানের সঙ্গে সব ধরনের অর্থনৈতিক ও সামরিক সম্পর্ক ছিন্ন করেন। গত সপ্তাহে রয়টার্স জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের অনুরোধে ইরাকের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংকের ডলারের লেনদেনের সুযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। তবে ইরাকের পক্ষ থেকে ঘোষণাটি দ্রুত দেওয়া হয়েছে এবং এতে কীভাবে কারিগরি সমস্যাগুলো সমাধান করে রপ্তানি পুনরায় শুরু করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা ছিল না বলে জানিয়েছে চারটি সূত্র।
ইরান ইরাকে শক্তিশালী শিয়া মিলিশিয়া ও বাগদাদে সমর্থিত রাজনৈতিক দলগুলোর মাধ্যমে দেশটিতে ব্যাপক সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ এমন সময় বাড়ানো হয়েছে যখন ইরান তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর ইসরায়েলি হামলার কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে।
ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ফারহাদ আলা-আলদিন এক বিবৃতিতে বলেছেন, তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু না হলে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে, এমন কোনো হুমকি দেওয়া হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, ইরাকি পার্লামেন্ট ইতিমধ্যেই তেলের মূল্য নির্ধারণের আইন পাস করেছে এবং এটি কার্যকর করা এখন সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় সম্পদের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তসমূহ ইরাকি সার্বভৌমত্ব বজায় রেখেই নেওয়া হয় এবং এটি দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য করা হয়।’
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শুল্কের পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিজ দেশে আমদানি করা সব পণ্যের ওপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। এই ঘোষণা বিশ্বকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যযুদ্ধের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে। আজ শুক্রবার চীনের এই ঘোষণার পর বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে পতন আরও ত্বরান্বিত হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগেকানাডার ক্রমশ উদার হয়ে ওঠা আইনের অধীনে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্স ইন ডায়িং (মেইড) প্রক্রিয়ায় মৃত্যুবরণ করবেন তিনি। দুই বছর আগে ২০২৩ সালের মার্চে মেইডের জন্য আবেদন করেছিলেন এপ্রিল। জন্ম থেকেই মেরুদণ্ডের জটিল রোগ ‘স্পাইনা বিফিডা’য় আক্রান্ত এপ্রিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও জটিলতা বেড়েছে। মেরুদণ্ডের গোড়ায়
১৩ ঘণ্টা আগেভারত বাংলাদেশের সঙ্গে একটি গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্ক চায়। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে এক বৈঠকের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ শুক্রবার নিজে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করা এক পোস্টে এ কথা বলেন।
১৩ ঘণ্টা আগেকংগ্রেসের এমপি এবং দলের সাধারণ সম্পাদক (যোগাযোগ) জয়রাম রমেশ বলেছেন, বিজেপি সরকারের নেতৃত্বে ভারতীয় পার্লামেন্টে যে ওয়াক্ফ বিল পাস হয়েছে তা সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করবে তাঁর দল। তিনি বলেন, স্থানীয় আজ শুক্রবার ভোরে পার্লামেন্টে পাস হওয়া ওয়াক্ফ (সংশোধনী) বিল সংবিধান সম্মত কি না তা জানতে সুপ্রিম...
১৭ ঘণ্টা আগে