
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) পদে নিয়োগ পেয়েছেন ড. মো. আবু সুফিয়ান। গতকাল মঙ্গলবার এ নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
এর আগে, আবু সুফিয়ান টক্সিকোলজি অ্যান্ড জুরিসপ্রুডেন্সে প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুসারে, বর্তমান মহাপরিচালক ডা. রেয়াজুল হক জসিমকে আগামী ৩০ ডিসেম্বর চাকরি থেকে অবসরে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে।
আজ বুধবার রাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তরের গণযোগাযোগ কর্মকর্তা মো. সামছুল আলম আজকের পত্রিকাকে জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
আবু সুফিয়ানের গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নে। তিনি ১৯৯৯ সালে ১৯ তম বিসিএসে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৯ সালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ২০১৭ সালে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এবং ২০২২ সালে পরিচালক (গ্রেড-৩) পদে পদোন্নতি পান।
শিক্ষাজীবনে তিনি জাপানের কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মাকোলজি বিষয়ে পিএইচডি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিস্টিংশনসহ মাস্টার্স ডিগ্রি এবং ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিনে প্রথম শ্রেণিতে গ্র্যাজুয়েশন অর্জন করেন। ১৯৯১ সালে ক্যান্টনমেন্ট কলেজ যশোর থেকে এইচএসসি এবং ১৯৮৯ সালে জীবননগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে তাঁর ১৫টি গবেষণা আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ৪৬ বছর পর রাজশাহী সদর আসন থেকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়াটা সমগ্র রাজশাহীবাসীর জন্য গৌরবের। এটি কোনো একক ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং রাজশাহীর মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনের ফল। প্রায় দুই দশক পর রাজশাহীর উন্নয়ন পরিকল্পনা নতুনভাবে সাজানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে...
১ ঘণ্টা আগে
সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, লালফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নির্বাচনের পর ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে এবার পর্যটন ভিসাসহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা ‘পুরোপুরি সচল’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সিনিয়র কনস্যুলার অফিসার অনিরুদ্ধ রায়।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। কার্ড নির্বাচনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে তাড়াহুড়ো না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে