
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিমকে আরও দুই বছরের জন্য একই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহা. রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত কর্মকর্তা ইহসানুল করিমকে তাঁর পূর্বের চুক্তির ধারাবাহিকতায় এবং অনুরূপ শর্তে গতকাল শনিবার (১৮ জুন) অথবা যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব পদে সরকারের সচিব পদমর্যাদা ও বেতনক্রমে পুনরায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ করা হলো। এ নিয়োগের শর্তাবলি অনুমোদিত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।
এর আগে ২০১৫ সালের ১৫ জুন ইহসানুল করিমকে এক বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ১৬ জুন তাঁর চুক্তির মেয়াদ তিন বছর বাড়ানো হয়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার টানা তৃতীয়বার ক্ষমতা গ্রহণের পর ২০১৯ সালের ১০ জুন তাঁর চুক্তির মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ানো হয়। এবার বাড়ানো হলো দুই বছর।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে ইহসানুল করিম রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ৪৬ বছর পর রাজশাহী সদর আসন থেকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়াটা সমগ্র রাজশাহীবাসীর জন্য গৌরবের। এটি কোনো একক ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং রাজশাহীর মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনের ফল। প্রায় দুই দশক পর রাজশাহীর উন্নয়ন পরিকল্পনা নতুনভাবে সাজানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে...
১ ঘণ্টা আগে
সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, লালফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নির্বাচনের পর ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে এবার পর্যটন ভিসাসহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা ‘পুরোপুরি সচল’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সিনিয়র কনস্যুলার অফিসার অনিরুদ্ধ রায়।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। কার্ড নির্বাচনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে তাড়াহুড়ো না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে