বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখায় ভারতের অনেক অর্জন হয়েছে বলে মনে করেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে আব্দুল মোমেন।
ভারতের অর্জনের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, তাঁদের পূর্ব সীমান্ত নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। তাঁদের (নিরাপত্তার জন্য) লাখ লাখ কোটি টাকা খরচ করতে হয় না। সুসম্পর্ক থাকার ফলে তাঁদের দেশের উন্নয়ন টেকসই হচ্ছে।
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এডুকেশন রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (ইআরডিএফবি) এ সভার আয়োজন করে।
এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, সুসম্পর্ক হওয়ায় দুই দেশ সীমান্ত সমস্যা মিটিয়ে ফেলতে পেরেছে। এটা কঠিন জিনিস। বিভিন্ন দেশ এটা নিয়ে ঝগড়া-ঝাঁটি করে। দুই দেশের একটা বুলেটও খরচ হয়নি। দুই দেশ সীমানা নির্ধারণ করেছে। পানি ভাগাভাগি হয়েছে। সমুদ্রসীমা নির্ধারণ হয়েছে। এগুলো বড় অর্জন।
মোমেন বলেন, ‘আমাদের দেশ থেকে কয়েক লাখ লোক ভারতে সহজে যাচ্ছে চিকিৎসার জন্য। সহজে যাচ্ছে বাজার-টাজার করার জন্য। এটাই তো বড় অর্জন। যদি সম্পর্ক খারাপ থাকত, তাহলে কিন্তু খবর ছিল।’
মোমেন আরও বলেন, দেশের উন্নয়নকে টেকসই করে রাখতে গেলে অবশ্যই বৈশ্বিক সম্পর্ক বন্ধুপরায়ণ হতে হবে। অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাও দরকার।
আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের এখন উপদেশ নেওয়ার সময় নয়। উপদেশ দেওয়ার সময়।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ৪৬ বছর পর রাজশাহী সদর আসন থেকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়াটা সমগ্র রাজশাহীবাসীর জন্য গৌরবের। এটি কোনো একক ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং রাজশাহীর মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনের ফল। প্রায় দুই দশক পর রাজশাহীর উন্নয়ন পরিকল্পনা নতুনভাবে সাজানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে...
১ ঘণ্টা আগে
সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, লালফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নির্বাচনের পর ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটিয়ে এবার পর্যটন ভিসাসহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা ‘পুরোপুরি সচল’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সিনিয়র কনস্যুলার অফিসার অনিরুদ্ধ রায়।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। কার্ড নির্বাচনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে তাড়াহুড়ো না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে