নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনাকে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছে বিএনপি। দলটি সরকারকে সে দায়িত্ব পালনে আরও সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে তাঁরা কোনো অজুহাত শুনতে চান না। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত দলের বর্ধিত সভায় এই আহ্বান জানানো হয়েছে। সাত বছর পর জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে এ বর্ধিত সভার আয়োজন করে বিএনপি। বেলা ১১টায় শুরু হয়ে সভা শেষ হয় রাত ১১টায়। ১২ ঘণ্টার এ সভায় কেন্দ্রীয় ও মাঠপর্যায়ের নেতারা অংশ নেন। সভায় ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বর্ধিত সভায় ১০টি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বর্ধিত সভার সিদ্ধান্ত জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভোট দেওয়ার মৌলিক অধিকার থেকে এ দেশের জনগণকে প্রায় দেড় যুগ বঞ্চিত রাখা হয়েছে। ফলে এ বঞ্চনার মেয়াদ দীর্ঘায়িত করার কোনো অজুহাত তাঁদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। তাই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
গণতন্ত্র, মানবাধিকার, অর্থনৈতিক মুক্তি, সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচার সুপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে ফ্যাসিবাদবিরোধী সব দল ও সংগঠনের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে সভা। ঐকমত্যে গৃহীত যেসব সংস্কার প্রস্তাব নির্বাচনের আগে বাস্তবায়ন সম্ভব, তা অবিলম্বে বাস্তবায়ন এবং যেসব সংস্কারের জন্য আইন বা সংবিধান পরিবর্তন প্রয়োজন, তা নির্বাচিত জাতীয় সংসদে পেশ করার প্রস্তাবও আসে সভা থেকে।
সভায় নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। দ্রব্যমূল্য জনগণের ক্রয়সীমার মধ্যে রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে সম্মিলিতভাবে পতিত সরকারের সৃষ্ট ও সুবিধাভোগী ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেটের পাশাপাশি অযৌক্তিকভাবে আন্দোলনের নামে জনজীবন বিপর্যস্তের অপচেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার তাগিদ দেওয়া হয়। চাঁদাবাজি, দখলদারি ও বিশৃঙ্খলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের ব্যর্থতা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও সভায় জানানো হয়।
ফ্যাসিবাদী শাসনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে গুম, খুন, গায়েবি মামলাসহ গণবিরোধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করার পর, অবৈধ সরকারের প্রধান এবং তাঁর চিহ্নিত সহযোগীরা কীভাবে নির্বিঘ্নে দেশ ছাড়তে সক্ষম হলেন এবং এখনো অসংখ্য অপরাধী অবাধে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচরণ করছেন, এর একটি সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা সরকারের কাছ থেকে এই সভা দাবি করেছে। সভায় এ-ও উল্লেখ করা হয়, এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট প্রমাণ এবং দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নির্ভরযোগ্য অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁদের বিচার ও শাস্তি প্রদানে সরকারের বিলম্ব অত্যন্ত দুঃখজনক। সভা মনে করে, যাঁরা বিদেশে অবস্থান করে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং শান্তি-শৃঙ্খলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, তাঁরা এবং তাঁদের দেশীয় সহযোগীদের বিরুদ্ধে কার্যকর কূটনৈতিক ও আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারকে আরও উদ্যোগী হতে হবে। একই সঙ্গে সভা দাবি করে, পতিত ফ্যাসিবাদী সরকার এবং তাদের সহযোগী এক-এগারোর সরকারের করা সব মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দ্রুত প্রত্যাহার করা হোক।
সভায় মহান একুশে, ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ’৯০-এর ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থান ও স্বৈরাচার/ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ ১৬ বছরের অবিরাম আন্দোলন এবং তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভ্যুত্থানের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। আহত, পঙ্গু, দৃষ্টিহীন ও নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রকৃত শহীদদের তালিকা প্রণয়ন, তাঁদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান, পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ, আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের সুচিকিৎসা দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অসংখ্য রাজনৈতিক দলের ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং ১ দফা দাবি আদায় করে ৩১ দফা রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের রূপরেখা বাস্তবায়নের যুগপৎ আন্দোলন দেশের রাজনীতিতে এক নতুন ও সফল ধারার সূচনা করেছে। এই আন্দোলনের পথ ধরেই ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে হাজারো ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে অভ্যুত্থান সফল হয়, অবৈধ সরকার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় এবং ফ্যাসিবাদের পতন ঘটে।
সভায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির ঐক্য এবং আন্দোলনের শক্তি বৃদ্ধির প্রশংসা করা হয়। ২০১৫ সালে খালেদা জিয়ার ভিশন ২০৩০ এবং ২০২৩ সালে তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের রূপরেখার আলোকে রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য অব্যাহতভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সভা শেষে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির ঐক্য এবং দলের সফলতার জন্য উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানানো হয়।
নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনাকে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছে বিএনপি। দলটি সরকারকে সে দায়িত্ব পালনে আরও সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে তাঁরা কোনো অজুহাত শুনতে চান না। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত দলের বর্ধিত সভায় এই আহ্বান জানানো হয়েছে। সাত বছর পর জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে এ বর্ধিত সভার আয়োজন করে বিএনপি। বেলা ১১টায় শুরু হয়ে সভা শেষ হয় রাত ১১টায়। ১২ ঘণ্টার এ সভায় কেন্দ্রীয় ও মাঠপর্যায়ের নেতারা অংশ নেন। সভায় ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বর্ধিত সভায় ১০টি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বর্ধিত সভার সিদ্ধান্ত জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভোট দেওয়ার মৌলিক অধিকার থেকে এ দেশের জনগণকে প্রায় দেড় যুগ বঞ্চিত রাখা হয়েছে। ফলে এ বঞ্চনার মেয়াদ দীর্ঘায়িত করার কোনো অজুহাত তাঁদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। তাই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
গণতন্ত্র, মানবাধিকার, অর্থনৈতিক মুক্তি, সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচার সুপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে ফ্যাসিবাদবিরোধী সব দল ও সংগঠনের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে সভা। ঐকমত্যে গৃহীত যেসব সংস্কার প্রস্তাব নির্বাচনের আগে বাস্তবায়ন সম্ভব, তা অবিলম্বে বাস্তবায়ন এবং যেসব সংস্কারের জন্য আইন বা সংবিধান পরিবর্তন প্রয়োজন, তা নির্বাচিত জাতীয় সংসদে পেশ করার প্রস্তাবও আসে সভা থেকে।
সভায় নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। দ্রব্যমূল্য জনগণের ক্রয়সীমার মধ্যে রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে সম্মিলিতভাবে পতিত সরকারের সৃষ্ট ও সুবিধাভোগী ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেটের পাশাপাশি অযৌক্তিকভাবে আন্দোলনের নামে জনজীবন বিপর্যস্তের অপচেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার তাগিদ দেওয়া হয়। চাঁদাবাজি, দখলদারি ও বিশৃঙ্খলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের ব্যর্থতা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও সভায় জানানো হয়।
ফ্যাসিবাদী শাসনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে গুম, খুন, গায়েবি মামলাসহ গণবিরোধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করার পর, অবৈধ সরকারের প্রধান এবং তাঁর চিহ্নিত সহযোগীরা কীভাবে নির্বিঘ্নে দেশ ছাড়তে সক্ষম হলেন এবং এখনো অসংখ্য অপরাধী অবাধে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচরণ করছেন, এর একটি সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা সরকারের কাছ থেকে এই সভা দাবি করেছে। সভায় এ-ও উল্লেখ করা হয়, এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট প্রমাণ এবং দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নির্ভরযোগ্য অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁদের বিচার ও শাস্তি প্রদানে সরকারের বিলম্ব অত্যন্ত দুঃখজনক। সভা মনে করে, যাঁরা বিদেশে অবস্থান করে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং শান্তি-শৃঙ্খলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, তাঁরা এবং তাঁদের দেশীয় সহযোগীদের বিরুদ্ধে কার্যকর কূটনৈতিক ও আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারকে আরও উদ্যোগী হতে হবে। একই সঙ্গে সভা দাবি করে, পতিত ফ্যাসিবাদী সরকার এবং তাদের সহযোগী এক-এগারোর সরকারের করা সব মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দ্রুত প্রত্যাহার করা হোক।
সভায় মহান একুশে, ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ’৯০-এর ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থান ও স্বৈরাচার/ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ ১৬ বছরের অবিরাম আন্দোলন এবং তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভ্যুত্থানের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। আহত, পঙ্গু, দৃষ্টিহীন ও নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রকৃত শহীদদের তালিকা প্রণয়ন, তাঁদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান, পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ, আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের সুচিকিৎসা দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অসংখ্য রাজনৈতিক দলের ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং ১ দফা দাবি আদায় করে ৩১ দফা রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের রূপরেখা বাস্তবায়নের যুগপৎ আন্দোলন দেশের রাজনীতিতে এক নতুন ও সফল ধারার সূচনা করেছে। এই আন্দোলনের পথ ধরেই ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে হাজারো ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে অভ্যুত্থান সফল হয়, অবৈধ সরকার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় এবং ফ্যাসিবাদের পতন ঘটে।
সভায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির ঐক্য এবং আন্দোলনের শক্তি বৃদ্ধির প্রশংসা করা হয়। ২০১৫ সালে খালেদা জিয়ার ভিশন ২০৩০ এবং ২০২৩ সালে তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের রূপরেখার আলোকে রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য অব্যাহতভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সভা শেষে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির ঐক্য এবং দলের সফলতার জন্য উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানানো হয়।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘দিল্লি ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও যুদ্ধ চলমান থাকবে। যারাই আপস করতে আসবে তাদের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে।’ চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার টোরাগর এলাকায় নিহত আজাদ সরকারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আজ সোমবার বিকেলে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিম
৩ ঘণ্টা আগেবিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘ঈদ আনন্দের দিন, খুশির দিন। কিন্তু গত ১৭ বছর খুশি মনে ঈদ উদ্যাপন করা সম্ভব হয়নি। স্বৈরাচার, ফ্যাসিস্ট, খুনি হাসিনা খুশি মনে ঈদ করতে দেয়নি।’ আজ সোমবার সকালে লক্ষ্মীপুর সোনামিয়া ঈদগাহ জামে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলা
৮ ঘণ্টা আগেঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিচার হতেই হবে। তাহলে এই শহীদদের পরিবার কিছুটা হলেও সান্ত্বনা পাবে।
১২ ঘণ্টা আগেআওয়ামী লীগের বাংলাদেশে রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মানুষের গণদাবি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
১২ ঘণ্টা আগে