ক্রীড়া ডেস্ক
বয়স মাত্র ২৩ বছর। জীবনের ‘রোলার-কোস্টার’ যাত্রা কেমন হয়, সেটা এই অল্প বয়সেই বুঝতে পেরেছেন অশ্বনি কুমার। ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের মোহালির ঝাঞ্জেরি গ্রামের এই তরুণ ক্রিকেটার কদিন আগেও ছিলেন অচেনা। ২৩ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার আইপিএল অভিষেকে রেকর্ড গড়ে চলে এসেছেন পাদপ্রদীপের আলোয়।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে গত রাতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আইপিএলে অভিষেক হয়েছে অশ্বনির। অভিষেকের প্রথম ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানের উইকেট নিয়েছেন অশ্বনি। মুম্বাইয়ের ৮ উইকেটের জয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন অশ্বনি। অথচ মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে আলো ছড়ানো এই ক্রিকেটারের জীবনের একটা সময় কেটেছে অনেক কষ্টে। বাবা হরকেশ কুমারের মুখে অশ্বনির ক্রিকেটের প্রতি অনুরাগের গল্প শুনলে চোখের কোণায় অশ্রু এসে যাবে অনেকেরই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে হরকেশ বলেন, ‘বৃষ্টি অথবা প্রখর রোদ, আবহাওয়া যেমনই হোক অশ্বনি কখনো মোহালির পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (পিসিএ) স্টেডিয়ামে অথবা মুল্লানপুরের নতুন স্টেডিয়ামে যাওয়া বাদ দিত না। মাঝেমধ্যে সে সাইকেলে অথবা শেয়ারড অটোতে পিসিএ একাডেমিতে যেত।’
আইপিএল অভিষেকের আগে স্বীকৃত ক্রিকেটে সর্বসাকল্যে ১০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা ছিল অশ্বনির। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২ ম্যাচ, লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৪ ম্যাচ ও স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৪ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পর গত রাতে আইপিএলে অভিষেক হয়েছে তাঁর। ২০২৪ শের-ই-পাঞ্জাব টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে নজর কাড়া এই বাঁহাতি পেসার আইপিএলের পাঞ্জাব কিংসের ট্রায়ালেও ছিলেন। ২০২৫ আইপিএল সামনে রেখে গত বছরের নভেম্বরে মেগা নিলাম থেকে তাঁকে ৩০ লাখ রুপিতে নেয় মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। আর অশ্বনির সম্বল বলতে কেবল তাঁর বাবার দেড় একর জমি।
অশ্বনির গত রাতের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখে হরকেশ স্মরণ করেছেন ছেলের সেই কঠোর পরিশ্রমের কথা। হরকেশের মতো অশ্বনির বড় ভাই শিব রানা, মা মীরা রানিও চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে অশ্বনি বলেন, ‘আমার মনে আছে সে (অশ্বনি) আমার থেকে ৩০ রুপি ভাড়া নিত। যখন তাকে আইপিএলের মেগা নিলামে ৩০ লাখ রুপি দিয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস নিল, তখন আমরা এই টাকার মূল্য বুঝতে পেরেছি। আজ (গতকাল) প্রতিটা উইকেট নেওয়ার সময় আমার মনে পড়েছে সেই দিনের কথা, যখন সে অনুশীলন শেষ করে রাত ১০টায় ফিরত এবং আবার পরদিন ভোর ৫টায় উঠত।’
টস জিতে গত রাতে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। প্রথমে ব্যাটিং পাওয়া কলকাতা নাইট রাইডার্স ১৬.২ ওভারে ১১৬ রানে গুটিয়ে যায়। ৩ ওভারে ২৪ রানে ৪ উইকেট নিয়ে মুম্বাইয়ের সেরা বোলার অশ্বনি। রাহানে, রিংকু সিং, মনিশ পান্ডে, আন্দ্রে রাসেল—কলকাতার এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়েছেন অশ্বনি। যার মধ্যে ১১তম ওভারের পঞ্চম বলে ভারতের তরুণ বাঁহাতি পেসারকে চার মেরেছেন মনিশ। ঠিক তার পরের বলেই মনিশকে বোল্ড করেছেন অশ্বনি। আইপিএল অভিষেকে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ডটা তিনি করেছেন এই ম্যাচেই।
১১৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মুম্বাই ১২.৫ ওভারে ২ উইকেটে করে ১২১ রান। ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অশ্বনি বলেন, ‘প্রথমে একটু চাপ মনে হচ্ছিল। কিন্তু দলের এমন পরিবেশে চাপ অনুভূত হয়নি। আর আমার গ্রামের সবাই ম্যাচটা দেখছেন। সবাই আমার অভিষেকের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে আজ (গত রাত) সুযোগ পেলাম ও গ্রামের সবাই যেন আমাকে নিয়ে গর্ব করার উপলক্ষ্য পায়, সেই চেষ্টা করব।’
আইপিএল অভিষেকে সেরা বোলিংয়ের কীর্তি এখনো ওয়েস্ট ইন্ডিজের আলজারি জোসেফেরই রয়েছে। ২০১৯ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ৩.৪ ওভারে ১২ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। জোসেফ সেবার খেলেছিলেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে।
জোসেফের পর আইপিএলে দ্বিতীয় সেরা বোলিংয়ের রেকর্ডটা অস্ট্রেলিয়ার অ্যান্ড্রু টাইয়ের। ২০১৭ আইপিএলে গুজরাট লায়ন্সের জার্সিতে ৩.৪ ওভারে ১২ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। টাইয়ের তখন প্রতিপক্ষ ছিল রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টস। আইপিএল অভিষেকে জোসেফ, টাই এই দুই বোলারই ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন।
বয়স মাত্র ২৩ বছর। জীবনের ‘রোলার-কোস্টার’ যাত্রা কেমন হয়, সেটা এই অল্প বয়সেই বুঝতে পেরেছেন অশ্বনি কুমার। ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের মোহালির ঝাঞ্জেরি গ্রামের এই তরুণ ক্রিকেটার কদিন আগেও ছিলেন অচেনা। ২৩ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার আইপিএল অভিষেকে রেকর্ড গড়ে চলে এসেছেন পাদপ্রদীপের আলোয়।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে গত রাতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আইপিএলে অভিষেক হয়েছে অশ্বনির। অভিষেকের প্রথম ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানের উইকেট নিয়েছেন অশ্বনি। মুম্বাইয়ের ৮ উইকেটের জয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন অশ্বনি। অথচ মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে আলো ছড়ানো এই ক্রিকেটারের জীবনের একটা সময় কেটেছে অনেক কষ্টে। বাবা হরকেশ কুমারের মুখে অশ্বনির ক্রিকেটের প্রতি অনুরাগের গল্প শুনলে চোখের কোণায় অশ্রু এসে যাবে অনেকেরই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে হরকেশ বলেন, ‘বৃষ্টি অথবা প্রখর রোদ, আবহাওয়া যেমনই হোক অশ্বনি কখনো মোহালির পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (পিসিএ) স্টেডিয়ামে অথবা মুল্লানপুরের নতুন স্টেডিয়ামে যাওয়া বাদ দিত না। মাঝেমধ্যে সে সাইকেলে অথবা শেয়ারড অটোতে পিসিএ একাডেমিতে যেত।’
আইপিএল অভিষেকের আগে স্বীকৃত ক্রিকেটে সর্বসাকল্যে ১০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা ছিল অশ্বনির। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২ ম্যাচ, লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৪ ম্যাচ ও স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৪ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পর গত রাতে আইপিএলে অভিষেক হয়েছে তাঁর। ২০২৪ শের-ই-পাঞ্জাব টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে নজর কাড়া এই বাঁহাতি পেসার আইপিএলের পাঞ্জাব কিংসের ট্রায়ালেও ছিলেন। ২০২৫ আইপিএল সামনে রেখে গত বছরের নভেম্বরে মেগা নিলাম থেকে তাঁকে ৩০ লাখ রুপিতে নেয় মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। আর অশ্বনির সম্বল বলতে কেবল তাঁর বাবার দেড় একর জমি।
অশ্বনির গত রাতের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখে হরকেশ স্মরণ করেছেন ছেলের সেই কঠোর পরিশ্রমের কথা। হরকেশের মতো অশ্বনির বড় ভাই শিব রানা, মা মীরা রানিও চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে অশ্বনি বলেন, ‘আমার মনে আছে সে (অশ্বনি) আমার থেকে ৩০ রুপি ভাড়া নিত। যখন তাকে আইপিএলের মেগা নিলামে ৩০ লাখ রুপি দিয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস নিল, তখন আমরা এই টাকার মূল্য বুঝতে পেরেছি। আজ (গতকাল) প্রতিটা উইকেট নেওয়ার সময় আমার মনে পড়েছে সেই দিনের কথা, যখন সে অনুশীলন শেষ করে রাত ১০টায় ফিরত এবং আবার পরদিন ভোর ৫টায় উঠত।’
টস জিতে গত রাতে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। প্রথমে ব্যাটিং পাওয়া কলকাতা নাইট রাইডার্স ১৬.২ ওভারে ১১৬ রানে গুটিয়ে যায়। ৩ ওভারে ২৪ রানে ৪ উইকেট নিয়ে মুম্বাইয়ের সেরা বোলার অশ্বনি। রাহানে, রিংকু সিং, মনিশ পান্ডে, আন্দ্রে রাসেল—কলকাতার এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়েছেন অশ্বনি। যার মধ্যে ১১তম ওভারের পঞ্চম বলে ভারতের তরুণ বাঁহাতি পেসারকে চার মেরেছেন মনিশ। ঠিক তার পরের বলেই মনিশকে বোল্ড করেছেন অশ্বনি। আইপিএল অভিষেকে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ডটা তিনি করেছেন এই ম্যাচেই।
১১৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মুম্বাই ১২.৫ ওভারে ২ উইকেটে করে ১২১ রান। ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অশ্বনি বলেন, ‘প্রথমে একটু চাপ মনে হচ্ছিল। কিন্তু দলের এমন পরিবেশে চাপ অনুভূত হয়নি। আর আমার গ্রামের সবাই ম্যাচটা দেখছেন। সবাই আমার অভিষেকের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে আজ (গত রাত) সুযোগ পেলাম ও গ্রামের সবাই যেন আমাকে নিয়ে গর্ব করার উপলক্ষ্য পায়, সেই চেষ্টা করব।’
আইপিএল অভিষেকে সেরা বোলিংয়ের কীর্তি এখনো ওয়েস্ট ইন্ডিজের আলজারি জোসেফেরই রয়েছে। ২০১৯ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ৩.৪ ওভারে ১২ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। জোসেফ সেবার খেলেছিলেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে।
জোসেফের পর আইপিএলে দ্বিতীয় সেরা বোলিংয়ের রেকর্ডটা অস্ট্রেলিয়ার অ্যান্ড্রু টাইয়ের। ২০১৭ আইপিএলে গুজরাট লায়ন্সের জার্সিতে ৩.৪ ওভারে ১২ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। টাইয়ের তখন প্রতিপক্ষ ছিল রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টস। আইপিএল অভিষেকে জোসেফ, টাই এই দুই বোলারই ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন।
যতটা না প্রশংসিত, তাঁর চেয়ে বেশি সমালোচনা হয় নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে। আর বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হওয়ার পর সেই সমালোচনা বেড়েছে অনেক বেশি। বাংলাদেশ দল যখন লাগাতার ব্যর্থ হচ্ছে, শান্তকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ।
২১ মিনিট আগেবড় মঞ্চে ভারতকে পেলেই জ্বলে ওঠেন বলে ট্রাভিস হেডকে অনেকে ‘ট্রাভিস হেডেক’ বলে থাকেন। ভারতের অনেকবার মাথাব্যথার কারণ হয়েছেন তিনি। কিন্তু বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে অভ্যস্ত অস্ট্রেলিয়ার এই ব্যাটার আইপিএলে ইনিংস বড় করতে পারছেন না। দ্রুত ড্রেসিংরুমে ফিরে যাচ্ছেন বলে তাঁকে নিয়ে চলছে রসিকতা।
১ ঘণ্টা আগেপ্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে কত কিছুরই তো পরিবর্তন হয়েছে। খেলাধুলার জগতও বাদ থাকে কী করে। মাঠের রেফারি যখন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, তখন ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সাহায্য নেওয়া হয়। এবার সেই প্রযুক্তি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন টটেনহাম কোচ অ্যাঞ্জি পোস্তেকোগলু।
১ ঘণ্টা আগেপাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ আগেই নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড। এখন পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করার সামনে কিউইরা। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে আগামীকাল মুখোমুখি হবে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড। আর শেষ ওয়ানডের আগে আবারও দুঃসংবাদ পেল নিউজিল্যান্ড।
২ ঘণ্টা আগে