পুরো বিপিএলে এবার মনোযোগ ছিল সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের ওপরে। নিজেরা মুখোমুখি হলে তো কথাই নেই। বিশ্বকাপের আগে দুজনের বিরোধটাই মনোযোগের মূল কারণ ছিল বিপিএলে। তারই ধারাবাহিকতায় গতকালের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ম্যাচের মনোযোগটাও ছিল তাঁদের দিকে।
দুজনের দ্বন্দ্বের কারণে সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের ফ্যানরা একে অপরকে নিয়ে সমালোচনা করার সঙ্গে গ্যালারিতে বসে ম্যাচ দেখার সময় সাকিব-তামিমকে ভুয়া ভুয়া বলে স্লোগান দেন। গতকালও এর ব্যতিক্রম হয়নি।
বিপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে তামিম-সাকিব মুখোমুখি হওয়ায় ম্যাচ শুরুর আগে তাই সব আলো তাঁদের দিকেই ছিল। তবে আলো জাতীয় দলের সতীর্থদের দিকে থাকলেও ম্যাচ শেষে তা নিজের দিকে নিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। অভিজ্ঞ এই ব্যাটার অপরাজিত ৪৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে ফরচুন বরিশালকে ফাইনালে তুলেছেন।
রংপুর রাইডার্সকে ৬ উইকেটে হারানোর পর তাই অবধারিতভাবে সংবাদ সম্মেলনে সাকিব-তামিমের বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়েছে মুশফিককে। তারই একটি ছিল সাকিব-তামিমকে মাঠে ভুয়া ভুয়া এবং দুয়োধ্বনি দেওয়া। বিপিএল শুরুর পর থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেটের দুই কিংবদন্তির একজনের ফ্যান আরেকজনকে ভুয়া ভুয়া কিংবা দুয়োধ্বনি দিয়ে আসছিলেন।
সাকিব-তামিমকে নিয়ে সমর্থকদের এমন স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে মুশফিক বলেছেন, ‘দুজনই বাংলাদেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার। ফাইট তো দূরের কথা, তাদের নিয়ে কথা বলাটাই অনৈতিক। তারা বাংলাদেশের জন্য যতটুকু দিয়েছেন, ইনশা আল্লাহ আরও দেবেন যেটা অসমান্তরাল। এমনকি ভুয়া, ভুয়া যারা বলেন বা সাকিব আর তামিম যদি ভুয়া ভুয়া শোনে ভাই, তাহলে তো আমাদের মাটির ভেতরে ঢুকে যাওয়া উচিত।’
কোয়ালিফায়ারের ম্যাচটিতে সাকিব-তামিমের দিকে মনোযোগ থাকায় নিজেদের কাজটা সহজ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুশফিক। বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটার বলেছেন, ‘সত্যি বলছি, এ রকম বড় ম্যাচে যদি একজন লাইমলাইটে থাকে, তাহলে সবচেয়ে রিল্যাক্স থাকা যায়। দুজন দুজনের যুদ্ধ করবে, আমরা আমাদের খেলা খেলব। সহজ, সত্যি কথা। দুজনই অনেক রিল্যাক্স ছিল। দুজনই দুজনের মতো ছিল। আর দুজনই জানে তারা দলের জন্য কত বড় অবদান রাখতে পারে।’
পুরো বিপিএলে এবার মনোযোগ ছিল সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের ওপরে। নিজেরা মুখোমুখি হলে তো কথাই নেই। বিশ্বকাপের আগে দুজনের বিরোধটাই মনোযোগের মূল কারণ ছিল বিপিএলে। তারই ধারাবাহিকতায় গতকালের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ম্যাচের মনোযোগটাও ছিল তাঁদের দিকে।
দুজনের দ্বন্দ্বের কারণে সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের ফ্যানরা একে অপরকে নিয়ে সমালোচনা করার সঙ্গে গ্যালারিতে বসে ম্যাচ দেখার সময় সাকিব-তামিমকে ভুয়া ভুয়া বলে স্লোগান দেন। গতকালও এর ব্যতিক্রম হয়নি।
বিপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে তামিম-সাকিব মুখোমুখি হওয়ায় ম্যাচ শুরুর আগে তাই সব আলো তাঁদের দিকেই ছিল। তবে আলো জাতীয় দলের সতীর্থদের দিকে থাকলেও ম্যাচ শেষে তা নিজের দিকে নিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। অভিজ্ঞ এই ব্যাটার অপরাজিত ৪৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে ফরচুন বরিশালকে ফাইনালে তুলেছেন।
রংপুর রাইডার্সকে ৬ উইকেটে হারানোর পর তাই অবধারিতভাবে সংবাদ সম্মেলনে সাকিব-তামিমের বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়েছে মুশফিককে। তারই একটি ছিল সাকিব-তামিমকে মাঠে ভুয়া ভুয়া এবং দুয়োধ্বনি দেওয়া। বিপিএল শুরুর পর থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেটের দুই কিংবদন্তির একজনের ফ্যান আরেকজনকে ভুয়া ভুয়া কিংবা দুয়োধ্বনি দিয়ে আসছিলেন।
সাকিব-তামিমকে নিয়ে সমর্থকদের এমন স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে মুশফিক বলেছেন, ‘দুজনই বাংলাদেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার। ফাইট তো দূরের কথা, তাদের নিয়ে কথা বলাটাই অনৈতিক। তারা বাংলাদেশের জন্য যতটুকু দিয়েছেন, ইনশা আল্লাহ আরও দেবেন যেটা অসমান্তরাল। এমনকি ভুয়া, ভুয়া যারা বলেন বা সাকিব আর তামিম যদি ভুয়া ভুয়া শোনে ভাই, তাহলে তো আমাদের মাটির ভেতরে ঢুকে যাওয়া উচিত।’
কোয়ালিফায়ারের ম্যাচটিতে সাকিব-তামিমের দিকে মনোযোগ থাকায় নিজেদের কাজটা সহজ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুশফিক। বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটার বলেছেন, ‘সত্যি বলছি, এ রকম বড় ম্যাচে যদি একজন লাইমলাইটে থাকে, তাহলে সবচেয়ে রিল্যাক্স থাকা যায়। দুজন দুজনের যুদ্ধ করবে, আমরা আমাদের খেলা খেলব। সহজ, সত্যি কথা। দুজনই অনেক রিল্যাক্স ছিল। দুজনই দুজনের মতো ছিল। আর দুজনই জানে তারা দলের জন্য কত বড় অবদান রাখতে পারে।’
বাংলাদেশের প্রধান কোচ হিসেবে ‘কড়া হেডমাস্টার’ ট্যাগ জুড়ে গিয়েছিল চন্ডিকা হাথুরুসিংহের নামের পাশে। নিয়ম-শৃঙ্খলার প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপোসহীন। বাংলাদেশ দলের ড্রেসিংরুমে কিছুটা ভিন্ন ধরনের সংস্কৃতি চালু করেছিলেন হাথুরু। যেগুলো আবার বর্তমান প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের অজানা।
৭ মিনিট আগেযতটা না প্রশংসিত, তাঁর চেয়ে বেশি সমালোচনা হয় নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে। আর বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হওয়ার পর সেই সমালোচনা বেড়েছে অনেক বেশি। বাংলাদেশ দল যখন লাগাতার ব্যর্থ হচ্ছে, শান্তকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ।
১ ঘণ্টা আগেবড় মঞ্চে ভারতকে পেলেই জ্বলে ওঠেন বলে ট্রাভিস হেডকে অনেকে ‘ট্রাভিস হেডেক’ বলে থাকেন। ভারতের অনেকবার মাথাব্যথার কারণ হয়েছেন তিনি। কিন্তু বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে অভ্যস্ত অস্ট্রেলিয়ার এই ব্যাটার আইপিএলে ইনিংস বড় করতে পারছেন না। দ্রুত ড্রেসিংরুমে ফিরে যাচ্ছেন বলে তাঁকে নিয়ে চলছে রসিকতা।
১ ঘণ্টা আগেপ্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে কত কিছুরই তো পরিবর্তন হয়েছে। খেলাধুলার জগতও বাদ থাকে কী করে। মাঠের রেফারি যখন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, তখন ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সাহায্য নেওয়া হয়। এবার সেই প্রযুক্তি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন টটেনহাম কোচ অ্যাঞ্জি পোস্তেকোগলু।
২ ঘণ্টা আগে