বাংলাদেশের ব্যাটারদের ‘দুর্বল’ স্ট্রাইকরেট নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। হওয়াটাও স্বাভাবিক। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট স্ট্রাইকরেটেরও খেলা। যাঁরা যত বেশি স্ট্রাইকরেটে ব্যাটিং করতে পারবেন, দলের স্কোরও হয় তত সমৃদ্ধ। দক্ষতা আর পেশির জোর খাটিয়ে বাউন্ডারির বাইরে বল আছড়ে ফেললে সমর্থকেরাও পেয়ে যান বারবার মাতোয়ারা হওয়ার উপলক্ষ। এ জন্যই তো ক্রিকেটের এই আধুনিক সংস্করণের সংযোজন।
১২০ বলের খেলায় ছোট-বড় দলের পার্থক্যও কিছুটা কমে আসে। সুযোগ পেয়ে কম বলে যত বেশি রান তোলা যায়। সর্বশেষ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) অনেক ম্যাচে ইনিংসের স্কোর পৌঁছে যায় পৌনে ৩০০ রানে। পাকিস্তান সুপার লিগেও (পিএসএল) গত বছর বেশ কিছু ম্যাচে আড়াই শ রান পেরিয়ে যায় সংগ্রহ। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২৫৭ রান তুলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
আগে ব্যাটিং পেলে ভালো স্ট্রাইকরেটে ব্যাটিং করে প্রতিপক্ষের সামনে পাহাড়সম লক্ষ্য ছুড়ে দেওয়া। পরে ব্যাটিং করলে দলের সহজ জয়ের জন্য স্ট্রাইকরেট বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বড় দলগুলোর সঙ্গে সেটি আরও বেশি ভূমিকা রাখে। এ ব্যাপারটি বুঝতেই যেন লম্বা সময়ের অপেক্ষা বাংলাদেশের। নিজেদের ‘দুর্বল’ স্ট্রাইকরেটের ব্যাপারটি নিয়ে একদমই চিন্তা করেন না তাঁরা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বারবারই বলছেন সেই কথা।
গত শনিবার নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামের ‘অচেনা’ উইকেটে ঋষভ পন্ত-হার্দিক পান্ডিয়ারা যেভাবে ব্যাটিং করেছেন—শান্ত সেটি মাঠে দাঁড়িয়ে থেকেই দেখেছেন। উইকেটে কিংবা স্ট্রাইকরেট নিয়ে কোনো অজুহাত দেননি তাঁরা। দক্ষতা থাকলে বাজে উইকেটেও ভালো খেলা সম্ভব। অনায়াসে ভারত তুলেছে ১৮২ রান। পরে ব্যাটিং করতে বাংলাদেশের অবস্থা হয়েছিল—নিজেদের খোঁড়া যুক্তির মতোই। ১২০ রানে থামে তাদের ইনিংস।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ১৮ বছরে এগিয়েছে অনেক, পিছিয়ে গেছে বাংলাদেশই। ২০০৭-২০১২, এই সময়ে খেলা জুনায়েদ সিদ্দিকী, মোহাম্মদ আশরাফুল, আফতাব আহমেদদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্ট্রাইকরেটও বাংলাদেশের এবারের বিশ্বকাপ দলে থাকা যেকোনো ক্রিকেটারের চেয়ে ভালো।
অন্তত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১০০ রান করেছেন—বাংলাদেশের এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে জুনায়েদের স্ট্রাইকরেট সবার চেয়ে বেশি। ৩ ম্যাচে এই বাঁহাতি ব্যাটারের রান ১২৫। নজরকাড়া ১৬৪.৪৭ স্ট্রাইকরেটের পাশাপাশি দারুণ গড় ৪১.৬৬। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১১ ম্যাচে আশরাফুলের রান ২১২। স্ট্রাইকরেট ১৩৮.৫৬। ১২৭.৩৪ স্ট্রাইকরেটে ৬ ম্যাচে ১৬৩ রান আফতাব আহমেদের। ১৬ ইনিংসে ১৩৪.৪২ স্ট্রাইকরেটে মাশরাফি বিন মুর্তজার ১৬৪ রান।
এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে থাকা ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ স্ট্রাইকরেট সাকিব আল হাসানের। ২০ ওভারের সব বিশ্বকাপে খেলা সাকিব বাংলাদেশের সর্বোচ্চ (৭৪২) রান সংগ্রাহক, স্ট্রাইকরেট ১২২.৪৪। ১১০.৬৭ স্ট্রাইকরেটে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ৩৬৩ রান। লিটন দাস ২৬০ রান করেছেন ১১৩.০৪ স্ট্রাইকরেটে। ১১৪.১৬৪ স্ট্রাইকরেটে শান্তর ১৮০ রান। সৌম্য সরকার ১০০ স্ট্রাইকরেটে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে করেছেন ১৫১ রান। জুনায়েদ-আফতাবদের সঙ্গে শান্ত-লিটনদের বিবেচনা করলে টি-টোয়েন্টিতে এই বাংলাদেশ পিছিয়েই আছে। তাঁদের সময়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ নিজেদের সর্বোচ্চ অর্জন—২০০৭ বিশ্বকাপে খেলেছিল সুপার এইট।

ভারত-পাকিস্তান দুই দল যখনই ক্রিকেট ময়দানে মুখোমুখি হয়, তখনই ক্রিকেট প্রেমীদের উদ্দীপনা দেখা যায় চোখে পড়ার মতো। মাঠে তো উভয় দেশের বহু দর্শক হাজির থাকেনই, বিক্রি হয় রেকর্ড সংখ্যক টিকিটও। এর পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে থাকা ক্রিকেটপ্রেমীরা চোখ রাখেন টিভির পর্দায়, নয়তো অন্য প্ল্যাটফর্মে। যে সংখ্যাটাও বিস্ময়কর,
১৮ মিনিট আগে
দ্য হান্ড্রেডের পরবর্তী পর্বের নিলামের জন্য নাম দিয়েছেন প্রায় ১০০০ ক্রিকেটার। বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে এই তালিকায় আছে মোস্তাফিজুর রহমানের নাম–এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে ক্রিকইনফো।
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হারের পর পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটারদের সমালোচনার মুখে পড়েন বাবর আজম-শাদাব খানরা। সেই সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছিলেন অলরাউন্ডার শাদাব খান। এবার শাদাবকে পাল্টা দিলেন পাকিস্তানের ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি শহীদ আফ্রিদি।
২ ঘণ্টা আগে
এবারই প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলছে না বাংলাদেশ। বিশ্বকাপ না খেলার ইস্যুতে দুই রকম কথা বলে তুমুল সমালোচিত সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। একজন শিক্ষক হয়েও আসিফ নজরুলের এমন দ্বিচারিতা মানতে পারছেন না জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন।
৩ ঘণ্টা আগে