ইনিংসের শুরুতেই দৃশ্যপটে হাজির তিন ক্যারিবিয়ান। একজন বল নিলেন হাতে, আরেকজন ব্যাটিংয়ে, অন্যজনের ক্যাচ। কাইল মায়ার্সের করা ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই বাউন্ডারি হাঁকানোর পর তৃতীয় বলেই থার্ডম্যান দিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ওপেনার সুনীল নারাইন। কিন্তু সেটি তালুবন্দী করতে পারেননি ওবেদ ম্যাককয়। ফরচুন বরিশালের ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা সেই প্রায়শ্চিত্ত করলেন পঞ্চম বলে। গালিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত ক্যাচে ফেরান নারাইনকে (৫)।
শুরুর সেই ধাক্কাটা কাটাতে চেষ্টা করেছিলেন লিটন দাস (১৬) ও তাওহীদ হৃদয় (১৫)। পরের ওভারে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে তিন চারে কুমিল্লাকে ১৪ রান এনে দেন দুই বাংলাদেশি ব্যাটার। দুর্দান্ত শুরুর আভাস দিয়ে দুজনেই ফেরেন জেমস ফুলারের বলে। ৪২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসা কুমিল্লাকে টেনে তুলতে পারেননি মিডল অর্ডার ব্যাটার চার্লস জনসনও (১২)। স্বদেশি ম্যাককয়ের বলে বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবালকে ক্যাচ দেন এই ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান।
তার মধ্যে ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘাঁ’ হয়ে আসে মঈন আলীর (৩) রানআউট। সরাসরি থ্রোয়ে ইংলিশ অলরাউন্ডারকে সাজঘরে ফেরান মেহেদি হাসান মিরাজ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও ঠিকই রান জমা হতে থাকে স্কোরবোর্ডে। ১৩ ওভার শেষে কুমিল্লার রান দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৮২ রান। এরপর ষষ্ঠ উইকেটে জাকের আলী অনিকের (২০*) সঙ্গে মাহিদুল ইসলাম অংকন ২৯ বলে ৩৬ রানের জুটি গড়ার পথে দলকে পৌঁছে দেন শতরানের ঘরে। অবশ্য টি-টোয়েন্টি ভুলে দুজনে ব্যাট করেন ওয়ানডে মেজাজে।
সাইফউদ্দিনকে স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড হন মাহিদুল। ৩৫ বলে ২ চার ও ২ ছয়ে দলীয় সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন তিনি। মাহিদুলের বিদায়ের পরই শুরু হয় আন্দ্রে রাসেলের ঝড়। ইনিংসের ১৯ তম ওভারে ফুলারকে মারেন তিন ছয়। সেই ওভারে আসে ২১ রান। তবে সাইফউদ্দিনের করা শেষ ওভারে কোনো বাউন্ডারি মারতে মারতে পারেননি। রাসেলকে স্ট্রাইকে দেখেই হয়তো ভড়কে গিয়েছিলেন বরিশাল পেসার। ৩ ওয়াইড ও ১ নো বলে প্রথম বল হতেই দিয়ে দেন ৪ রান। তবে দুর্দান্তভাবে ফিরে এসে সাইফউদ্দিন দুর্দান্ত সব ডেলিভারিতে কুমিল্লাকে বেঁধে রাখেন ৬ উইকেটে ১৫৪ রানে। রাসেল ১৪ বলে ৪ ছয়ে করেন ২৭ রান। স্ট্রাইকরেট ১৯২.৮৫। তার মধ্যে এবারের বিপিএলের সবচেয়ে লম্বা ৯৮ মিটারের ছয়টি মেরেছেন কুমিল্লার ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার।
এবার জিতলে টানা তিনটি বিপিএল শিরোপা ঘরে তুলবে কুমিল্লা। সেটি আটকিয়ে প্রথম শিরোপা জিততে বরিশালের দরকার ১৫৫ রান।
ইনিংসের শুরুতেই দৃশ্যপটে হাজির তিন ক্যারিবিয়ান। একজন বল নিলেন হাতে, আরেকজন ব্যাটিংয়ে, অন্যজনের ক্যাচ। কাইল মায়ার্সের করা ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই বাউন্ডারি হাঁকানোর পর তৃতীয় বলেই থার্ডম্যান দিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ওপেনার সুনীল নারাইন। কিন্তু সেটি তালুবন্দী করতে পারেননি ওবেদ ম্যাককয়। ফরচুন বরিশালের ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা সেই প্রায়শ্চিত্ত করলেন পঞ্চম বলে। গালিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত ক্যাচে ফেরান নারাইনকে (৫)।
শুরুর সেই ধাক্কাটা কাটাতে চেষ্টা করেছিলেন লিটন দাস (১৬) ও তাওহীদ হৃদয় (১৫)। পরের ওভারে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে তিন চারে কুমিল্লাকে ১৪ রান এনে দেন দুই বাংলাদেশি ব্যাটার। দুর্দান্ত শুরুর আভাস দিয়ে দুজনেই ফেরেন জেমস ফুলারের বলে। ৪২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসা কুমিল্লাকে টেনে তুলতে পারেননি মিডল অর্ডার ব্যাটার চার্লস জনসনও (১২)। স্বদেশি ম্যাককয়ের বলে বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবালকে ক্যাচ দেন এই ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান।
তার মধ্যে ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘাঁ’ হয়ে আসে মঈন আলীর (৩) রানআউট। সরাসরি থ্রোয়ে ইংলিশ অলরাউন্ডারকে সাজঘরে ফেরান মেহেদি হাসান মিরাজ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও ঠিকই রান জমা হতে থাকে স্কোরবোর্ডে। ১৩ ওভার শেষে কুমিল্লার রান দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৮২ রান। এরপর ষষ্ঠ উইকেটে জাকের আলী অনিকের (২০*) সঙ্গে মাহিদুল ইসলাম অংকন ২৯ বলে ৩৬ রানের জুটি গড়ার পথে দলকে পৌঁছে দেন শতরানের ঘরে। অবশ্য টি-টোয়েন্টি ভুলে দুজনে ব্যাট করেন ওয়ানডে মেজাজে।
সাইফউদ্দিনকে স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড হন মাহিদুল। ৩৫ বলে ২ চার ও ২ ছয়ে দলীয় সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন তিনি। মাহিদুলের বিদায়ের পরই শুরু হয় আন্দ্রে রাসেলের ঝড়। ইনিংসের ১৯ তম ওভারে ফুলারকে মারেন তিন ছয়। সেই ওভারে আসে ২১ রান। তবে সাইফউদ্দিনের করা শেষ ওভারে কোনো বাউন্ডারি মারতে মারতে পারেননি। রাসেলকে স্ট্রাইকে দেখেই হয়তো ভড়কে গিয়েছিলেন বরিশাল পেসার। ৩ ওয়াইড ও ১ নো বলে প্রথম বল হতেই দিয়ে দেন ৪ রান। তবে দুর্দান্তভাবে ফিরে এসে সাইফউদ্দিন দুর্দান্ত সব ডেলিভারিতে কুমিল্লাকে বেঁধে রাখেন ৬ উইকেটে ১৫৪ রানে। রাসেল ১৪ বলে ৪ ছয়ে করেন ২৭ রান। স্ট্রাইকরেট ১৯২.৮৫। তার মধ্যে এবারের বিপিএলের সবচেয়ে লম্বা ৯৮ মিটারের ছয়টি মেরেছেন কুমিল্লার ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার।
এবার জিতলে টানা তিনটি বিপিএল শিরোপা ঘরে তুলবে কুমিল্লা। সেটি আটকিয়ে প্রথম শিরোপা জিততে বরিশালের দরকার ১৫৫ রান।
বাংলাদেশের প্রধান কোচ হিসেবে ‘কড়া হেডমাস্টার’ ট্যাগ জুড়ে গিয়েছিল চন্ডিকা হাথুরুসিংহের নামের পাশে। নিয়ম-শৃঙ্খলার প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপোসহীন। বাংলাদেশ দলের ড্রেসিংরুমে কিছুটা ভিন্ন ধরনের সংস্কৃতি চালু করেছিলেন হাথুরু। যেগুলো আবার বর্তমান প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের অজানা।
৭ মিনিট আগেযতটা না প্রশংসিত, তাঁর চেয়ে বেশি সমালোচনা হয় নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে। আর বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হওয়ার পর সেই সমালোচনা বেড়েছে অনেক বেশি। বাংলাদেশ দল যখন লাগাতার ব্যর্থ হচ্ছে, শান্তকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ।
১ ঘণ্টা আগেবড় মঞ্চে ভারতকে পেলেই জ্বলে ওঠেন বলে ট্রাভিস হেডকে অনেকে ‘ট্রাভিস হেডেক’ বলে থাকেন। ভারতের অনেকবার মাথাব্যথার কারণ হয়েছেন তিনি। কিন্তু বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে অভ্যস্ত অস্ট্রেলিয়ার এই ব্যাটার আইপিএলে ইনিংস বড় করতে পারছেন না। দ্রুত ড্রেসিংরুমে ফিরে যাচ্ছেন বলে তাঁকে নিয়ে চলছে রসিকতা।
১ ঘণ্টা আগেপ্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে কত কিছুরই তো পরিবর্তন হয়েছে। খেলাধুলার জগতও বাদ থাকে কী করে। মাঠের রেফারি যখন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, তখন ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সাহায্য নেওয়া হয়। এবার সেই প্রযুক্তি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন টটেনহাম কোচ অ্যাঞ্জি পোস্তেকোগলু।
২ ঘণ্টা আগে