অনলাইন ডেস্ক
ব্যবহারকারীদের কাছে উইন্ডোজ ১১-এর জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে মাইক্রোসফট। আগামী বছরের অক্টোবরের মধ্যে উইন্ডোজ ১০-এর সমর্থন শেষ হতে চলেছে, আর অসমর্থিত কম্পিউটারে উইন্ডোজ ১১ ব্যবহারের এর ক্ষেত্রে গ্রাহকদের ওপর চাপ বাড়াতে শুরু করেছে কোম্পানিটি। অসমর্থিত পিসিতে উইন্ডোজ ১১ ব্যবহারের সময় বিভিন্ন ভাবে বিরক্ত হবেন ব্যবহারকারীরা।
কোম্পানিটির এক নথি দেখতে পেয়েছে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট নিওউইন। সেই নথিতে বলা হয়েছে, যাদের ডেস্কটপ উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করার জন্য ন্যূনতম শর্ত পূরণ করছেন না, তাদের ডিভাইসে একটি ওয়াটারমার্ক বা জলছাপ দেখানো হবে। সেই সঙ্গে সেটিংস অ্যাপে একটি নোটিফিকেশন বার বার আসতে পারে। এই নোটিফিকেশন জানাবে যে, পিসিটি হার্ডওয়্যারের ন্যূনতম শর্ত পূরণ করছে না।
এ ছাড়া মাইক্রোসফট সতর্ক করেছে, হার্ডওয়্যারের ন্যূনতম শর্ত পূরণ না হলে উইন্ডোজ ১১–এ চালানো পিসি আপডেট পেতে নাও পারে এবং এর ফলে পিসির যেকোনো সমস্যা হলে কোম্পানির ম্যানুফ্যাকচারারের ওয়ারেন্টির আওতায় পড়বে না।
এই নোটিফিকেশন দেখা যেতে পারে, ‘এই পিসি উইন্ডোজ ১১ চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সিস্টেম শর্ত পূরণ করছে না–এই শর্তগুলো আরও নির্ভরযোগ্য এবং উন্নত মানের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করলে এটি আর সমর্থিত হবে না এবং আপডেট পাওয়া যাবে না। সংগত কারণে, কম্পিউটারের কোনো ক্ষতি হলে তা ম্যানুফ্যাকচারারের ওয়ারেন্টির আওতায় পড়বে না।
উইন্ডোজ ১১-এর চালুর পর থেকে এর গ্রহণযোগ্যতা ধীর গতিতে বাড়ছে। বিশেষত এর হার্ডওয়্যার শর্ত পূরণের কারণে। উইন্ডোজ ১০-এর সঙ্গে পরিচিত ব্যবহারকারীরা সহজে আপগ্রেড করতে চাচ্ছেন না। আবার উইন্ডোজ ১১-এ অনেক মৌলিক পরিবর্তনও এসেছে যেমন স্টার্ট মেনু ও টাস্কবারের ডিজাইনে পরিবর্তন। আরেকটি বড় বাধা হল টিপিএম ২.০ নিরাপত্তা প্রযুক্তি এবং সিকিউর বুট এর মতো হার্ডওয়্যার শর্ত, যা অনেক পুরোনো পিসি-কে বাদ দিয়ে নতুন পিসি কেনার প্রয়োজনীয়তা তৈরি করছে।
এ ছাড়া কিছু ব্যবহারকারী উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করতে রেজিস্ট্রি টুইক কিংবা থার্ড-পার্টি টুলস যেমন: রুফাস বা ফ্লাইবাই ১১ ব্যবহার করছেন। তবে মাইক্রোসফট সেগুলোকে সমর্থন না করলেও, এসব টুলস উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করতে সাহায্য করছে।
অবশ্য কিছু ব্যবহারকারী যারা উইন্ডোজ ১১-এ আপগ্রেড করতে চাচ্ছেন কিন্তু সমর্থিত হার্ডওয়্যার নেই, তারা হয়তো এই সতর্কতাগুলো উপেক্ষা করবেন।
তবে মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে এই নতুন পদক্ষেপে হয়তো বেশ কিছু পিসি ব্যবহারকারী আপডেট পেতে অসুবিধায় পড়তে পারেন। তবে ব্যবহারকারীরা নিজের পুরোনো পিসি থেকে নতুন অপারেটিং সিস্টেমে আপগ্রেড করতে চাইলে মাইক্রোসফটের সতর্কতা উপেক্ষা করে তারা কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন।
তবে মাইক্রোসফটের এই কঠোর পদক্ষেপগুলোকে উপেক্ষা করে পুরোনো পিসিতেই আরও বেশ কিছুদিন উইন্ডোজ ১১ ব্যবহার করা যাবে। তবে সুরক্ষিত ব্যবহারের জন্য ভবিষ্যতে নতুন পিসি কিনতে হতে পারে, কারণ উইন্ডোজ ১০-এর সমর্থন শেষ হওয়ার পর আরও বেশি মানুষ উইন্ডোজ ১১-এ ব্যবহার করবে।
উইন্ডোজ ১১-এর গ্রহণযোগ্যতা শুরুর দিকে ধীর গতিতে ছিল। তবে সম্প্রতি এটি ধীরে ধীরে বাড়ছে। স্ট্যাটকাউন্টারের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উইন্ডোজ ১০ এখনো বাজারে প্রধান অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রয়েছে, যার শেয়ার ৬২ শতাংশ আর উইন্ডোজ ১১ এর শেয়ার প্রায় ৩৫ শতাংশ। তবে উইন্ডোজ ১০ এর সমর্থন শেষ হতে চলেছে, ফলে আরও বেশি মানুষ আপগ্রেড করতে চাইবে।
তথ্যসূত্র: জেডনেট
ব্যবহারকারীদের কাছে উইন্ডোজ ১১-এর জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে মাইক্রোসফট। আগামী বছরের অক্টোবরের মধ্যে উইন্ডোজ ১০-এর সমর্থন শেষ হতে চলেছে, আর অসমর্থিত কম্পিউটারে উইন্ডোজ ১১ ব্যবহারের এর ক্ষেত্রে গ্রাহকদের ওপর চাপ বাড়াতে শুরু করেছে কোম্পানিটি। অসমর্থিত পিসিতে উইন্ডোজ ১১ ব্যবহারের সময় বিভিন্ন ভাবে বিরক্ত হবেন ব্যবহারকারীরা।
কোম্পানিটির এক নথি দেখতে পেয়েছে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট নিওউইন। সেই নথিতে বলা হয়েছে, যাদের ডেস্কটপ উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করার জন্য ন্যূনতম শর্ত পূরণ করছেন না, তাদের ডিভাইসে একটি ওয়াটারমার্ক বা জলছাপ দেখানো হবে। সেই সঙ্গে সেটিংস অ্যাপে একটি নোটিফিকেশন বার বার আসতে পারে। এই নোটিফিকেশন জানাবে যে, পিসিটি হার্ডওয়্যারের ন্যূনতম শর্ত পূরণ করছে না।
এ ছাড়া মাইক্রোসফট সতর্ক করেছে, হার্ডওয়্যারের ন্যূনতম শর্ত পূরণ না হলে উইন্ডোজ ১১–এ চালানো পিসি আপডেট পেতে নাও পারে এবং এর ফলে পিসির যেকোনো সমস্যা হলে কোম্পানির ম্যানুফ্যাকচারারের ওয়ারেন্টির আওতায় পড়বে না।
এই নোটিফিকেশন দেখা যেতে পারে, ‘এই পিসি উইন্ডোজ ১১ চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সিস্টেম শর্ত পূরণ করছে না–এই শর্তগুলো আরও নির্ভরযোগ্য এবং উন্নত মানের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করলে এটি আর সমর্থিত হবে না এবং আপডেট পাওয়া যাবে না। সংগত কারণে, কম্পিউটারের কোনো ক্ষতি হলে তা ম্যানুফ্যাকচারারের ওয়ারেন্টির আওতায় পড়বে না।
উইন্ডোজ ১১-এর চালুর পর থেকে এর গ্রহণযোগ্যতা ধীর গতিতে বাড়ছে। বিশেষত এর হার্ডওয়্যার শর্ত পূরণের কারণে। উইন্ডোজ ১০-এর সঙ্গে পরিচিত ব্যবহারকারীরা সহজে আপগ্রেড করতে চাচ্ছেন না। আবার উইন্ডোজ ১১-এ অনেক মৌলিক পরিবর্তনও এসেছে যেমন স্টার্ট মেনু ও টাস্কবারের ডিজাইনে পরিবর্তন। আরেকটি বড় বাধা হল টিপিএম ২.০ নিরাপত্তা প্রযুক্তি এবং সিকিউর বুট এর মতো হার্ডওয়্যার শর্ত, যা অনেক পুরোনো পিসি-কে বাদ দিয়ে নতুন পিসি কেনার প্রয়োজনীয়তা তৈরি করছে।
এ ছাড়া কিছু ব্যবহারকারী উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করতে রেজিস্ট্রি টুইক কিংবা থার্ড-পার্টি টুলস যেমন: রুফাস বা ফ্লাইবাই ১১ ব্যবহার করছেন। তবে মাইক্রোসফট সেগুলোকে সমর্থন না করলেও, এসব টুলস উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করতে সাহায্য করছে।
অবশ্য কিছু ব্যবহারকারী যারা উইন্ডোজ ১১-এ আপগ্রেড করতে চাচ্ছেন কিন্তু সমর্থিত হার্ডওয়্যার নেই, তারা হয়তো এই সতর্কতাগুলো উপেক্ষা করবেন।
তবে মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে এই নতুন পদক্ষেপে হয়তো বেশ কিছু পিসি ব্যবহারকারী আপডেট পেতে অসুবিধায় পড়তে পারেন। তবে ব্যবহারকারীরা নিজের পুরোনো পিসি থেকে নতুন অপারেটিং সিস্টেমে আপগ্রেড করতে চাইলে মাইক্রোসফটের সতর্কতা উপেক্ষা করে তারা কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন।
তবে মাইক্রোসফটের এই কঠোর পদক্ষেপগুলোকে উপেক্ষা করে পুরোনো পিসিতেই আরও বেশ কিছুদিন উইন্ডোজ ১১ ব্যবহার করা যাবে। তবে সুরক্ষিত ব্যবহারের জন্য ভবিষ্যতে নতুন পিসি কিনতে হতে পারে, কারণ উইন্ডোজ ১০-এর সমর্থন শেষ হওয়ার পর আরও বেশি মানুষ উইন্ডোজ ১১-এ ব্যবহার করবে।
উইন্ডোজ ১১-এর গ্রহণযোগ্যতা শুরুর দিকে ধীর গতিতে ছিল। তবে সম্প্রতি এটি ধীরে ধীরে বাড়ছে। স্ট্যাটকাউন্টারের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উইন্ডোজ ১০ এখনো বাজারে প্রধান অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রয়েছে, যার শেয়ার ৬২ শতাংশ আর উইন্ডোজ ১১ এর শেয়ার প্রায় ৩৫ শতাংশ। তবে উইন্ডোজ ১০ এর সমর্থন শেষ হতে চলেছে, ফলে আরও বেশি মানুষ আপগ্রেড করতে চাইবে।
তথ্যসূত্র: জেডনেট
নতুন ওই এই ব্যাটারি তৈরি করা হয়েছে ল্যাবে তৈরি হীরা দিয়ে, যা ‘কার্বন-১৪’ নামে এক ধরনের তেজস্ক্রিয় পদার্থকে ঘিরে রাখে। হিরার সেমিকন্ডাক্টর বৈশিষ্ট্য তেজস্ক্রিয়তাকে বিদ্যুতে রূপান্তর করে। একই সঙ্গে হিরার অতি-কঠিন গঠন ব্যাটারির নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং তেজস্ক্রিয়তা বাইরে ছড়াতে দেয় না।
৪০ মিনিট আগেতরুণদের জন্য দৈনিক সর্বাধিক দুই থেকে তিন ঘণ্টা অবকাশকালীন সময় কাটানোর পরামর্শ দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিইউএইচও)। তবে বিশ্বজুড়ে কিশোর-কিশোরীরা গড়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় কাটাচ্ছে অবকাশকালীন কার্যক্রমে। এসব কার্যক্রমের মধ্য রয়েছে—টেলিভিশন দেখা, ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার, ভিডিও গেম খেলা এবং
৮ ঘণ্টা আগেঅনলাইনে শিশু যৌন নির্যাতন বিষয়ক কনটেন্টের (সিএসএএম) বিস্তার রোধে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সংস্থার সঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে ম্যাসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রাম। বেশ কয়েক বছর ধরে শিশু সুরক্ষা পরিকল্পনায় যোগ দেওয়ার আহ্বান উপেক্ষা করার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটি।
৯ ঘণ্টা আগেসম্প্রতি ওপেনএআই এর জনপ্রিয় চ্যাটবট চ্যাটজিপিটিতে একটি অদ্ভুত সমস্যা দেখতে পেয়েছিলেন ব্যবহারকারীরা। চ্যাটজিপিটিতে কিছু নাম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবটটি উত্তর দেওয়া বন্ধ করে দেয়। সোশ্যাল মিডিয়া রেডিটসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এই বিষয়টি উঠে এসেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে