
কয়েক দিন ধরে দেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং চলছে। এর মধ্যে দুঃসংবাদ নিয়ে এসেছে ভারতের আদানি গ্রুপ। গ্রুপটির বিদ্যুৎ কোম্পানির দুটি ইউনিটের একটি দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। সেই ইউনিটটি ১১ এপ্রিল চালু হয়। তবে আজ ফের একটি ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে।

আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি পুনর্বিবেচনায় আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতের কথা সরকার ভাবছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট নয়, বরং প্যানিক বায়িংয়ের কারণে পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভারতের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ারের সঙ্গে অসম চুক্তির ব্যাপারটি নতুন ছিল না। সে সময়ও এটা নিয়ে প্রশ্ন ও সমালোচনা উঠেছিল। তারপরও সে সরকার দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে সে চুক্তি করেছিল। অন্তর্বর্তী সরকার আদানির সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী বকেয়া টাকা পরিশোধ করেছিল।

ভারতের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ারের কাছ থেকে আওয়ামী লীগ সরকার দৈনিক ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেনার যে চুক্তি করেছিল, সেখানে বড় ধরনের অনিয়মের মাধ্যমে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে ধরার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জাতীয় পর্যালোচনা কমিটি এসব কথা বলেছে।