
বাংলাদেশে যেখানে কিডনি প্রতিস্থাপন এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে, সেখানে অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের শেষ ভরসা হয়ে উঠেছেন কিডনির শল্যচিকিৎসক অধ্যাপক কামরুল ইসলাম। দেশে যত কিডনি প্রতিস্থাপিত হয়, সেগুলোর একটি বড় অংশই করেন তিনি। নিজের প্রতিষ্ঠিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস...

কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মরণ সংকটে পড়েছেন ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার গালিমপুর গ্রামের শ্রমজীবী সাহেব আলী (৩০)। গত ছয় মাসে চিকিৎসা খরচ জোগাতে সঞ্চয় ও সহায়তার সবটুকু শেষ হয়ে গেছে। এখন মানুষের দ্বারে দ্বারে সাহায্য চাইছেন সাহেব আলী-শাহনাজ দম্পতি।

স্বামীকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দান করেছিলেন ফাতেমা বেগম হেনা (৪৬)। সফলভাবে প্রতিস্থাপনও করা হয়েছিল। কিন্তু স্বামী বাঁচলেন না। এত ত্যাগের পরও স্বামীকে বাঁচাতে না পেরে শোকে ভেঙে পড়েছেন দুই সন্তানের জননী ফাতেমা।

মানিকছড়ি উপজেলার গচ্ছাবিল এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও দুই সন্তানের জনক বেলাল মোড়ল দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। দীর্ঘ চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, তাঁর দুটি কিডনিই অকেজো হয়ে গেছে।